বাংলাদেশ, বুধবার, ১৩ই নভেম্বর, ২০১৯ ইং, ২৮শে কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

যে শহরে মসজিদ নিষিদ্ধ

থিওপিয়ার একটি শহরের নাম আকসুম। সেখানে প্রায় ৭৩ হাজার মানুষের বাস। যার ১০ শতাংশই হচ্ছে মুসলিম। কিন্তু সেই শহরে নেই কোনো স্থায়ী মসজিদ।

কিন্তু এখন সেই পরিস্থিতি বদলানোর চেষ্টা করছেন শহরের একদল মুসলিম। তারা সেখানে মসজিদ প্রতিষ্ঠার জন্য প্রচারণা চালাচ্ছেন। যদিও খ্রিষ্টান ধর্মীয় নেতারা তা প্রত্যাখ্যান করে বলছেন এর চেয়ে বরং মৃত্যুই তাদের কাছে শ্রেয়।

বিবিসিকে খ্রিষ্টানদের সিনিয়র ধর্মীয় নেতা গডেফা মেরহা বলেন, আকসুম তাদের কাছে মক্কা। তাদের বিশ্বাস ইসলামের পবিত্র স্থানগুলোতে যেমন গির্জা নিষিদ্ধ, তেমনি আকসুমেও কোনো মসজিদ থাকতে পারে না।

গডেফা বলেন, ‘আকসুম একটি পবিত্র স্থান। সিটি অব মনেস্ট্রি। এখানে কেউ যদি মসজিদ নির্মাণ করতে আসেন তাহলে আমরা মরব। কখনোই এটা মেনে নেয়া হবে না। আমাদের জীবদ্দশায় এটা আমরা অনুমোদন করব না।’

যদিও ‘জাস্টিস ফর আকসুম মুসলিম’ এর ব্যানারে একদল মুসলিম সেখানে মসজিদ নির্মাণের জন্য ব্যাপক প্রচারণা চালাচ্ছেন। তারাদের দাবি মসজিদ নির্মাণ ও প্রার্থনার সুযোগ পাওয়া তাদের অধিকার। আর তাদের এ তৎপরতায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছেন সেখানকার অর্থোডক্স খ্রিষ্টানরা।

যদিও সেখানকার অনেকে বিশ্বাস করেন যে এ বিতর্ক অর্থহীন। কারণ প্রাচীন এ শহরটি অনাদিকাল থেকেই ধর্মীয় সহনশীলতার জন্য সুপরিচিত।

ধর্ম দুটির অনুসারীদের মতে ইসলামের সূচনালগ্নে মক্কায় অমুসলিম শাসকদের অত্যাচারে পালিয়ে প্রথম মুসলিমরা এসেছিল এই শহরে। তৎকালীন খ্রিষ্টান রাজা সে সময় তাদের স্বাগত জানিয়েছিলেন। মূলত আরব উপত্যকার বাইরে এটাই ছিল মুসলিমদের প্রথম কোনো উপস্থিতি।  সবটুকু খবর পড়তে এখানে ক্লীক করুন

আরো খবর

Leave a Reply