কক্সবাজারে ভারী বর্ষণে আবার কৃত্রিম বন্যা বা জলাবদ্ধতায় ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে। এ সময় ১০ গ্রাম প্লাবিত হয়।
এ বন্যায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এক শিশু পাহাড় চাপা পড়ে নিহত হয়েছে। ৫ টি বসতঘর মাটিচাপা পড়ে বিধ্বস্ত হয়। মেরিন ড্রাইভ সড়কের তিনটি স্পটে পাহাড় চাপা পড়ে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।
অপরদিকে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম সড়কস্থ কক্সবাজার সদর উপজেলা গেইট থেকে রূমালীছড়া পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার সড়কের ওপর কাদামাটি থাকায় স্বাভাবিক যান চলাচল ব্যাহত হয়।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বৃষ্টির মাত্রা কমে আসায় উপজেলা পরিষদ, সড়ক বিভাগ ও পৌরসভার উদ্যোগে সড়কের ওপর জমে থাকা কাদামাটি সরানোর কাজ চলমান রয়েছে।
এর ফলে পর্যটকেরা পড়েছে চরম ভোগান্তিতে। কক্সবাজার সদরের পিএমখালী, ঝিলংজা, রামুর দক্ষিণ মিঠাছড়ি, খুনিয়াপালং ও উখিয়ার পালংখালীর ইউপির হাকিমপাড়া, থাইংখালীসহ ১০ গ্রামের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ এখনো পানিবন্দি রয়েছে। সেখানে ২ ব্রিজ ভেঙে পড়েছে। ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে ব্যাপক।
কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহমিনা আক্তার জানিয়েছেন, অব্যাহত পাহাড় কাটার ফলে বৃষ্টির পানিতে কাঁদা মিশে সড়কের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় প্রধান সড়কের ওপর কাঁদা-জল মিলেমিশে একাকার হয়েছে। যে কারণে বেড়েছে জনদুর্ভোগ। সবটুকু জানতে ক্লিক করুন



