নিজস্ব প্রতিনিধি

চট্টগ্রাম এডিটরস্ ক্লাবের সাধারণ সভা ২৩ আগস্ট ২০২৪ খ্রি. শুক্রবার বাদ জুমা নগরীর একটি অভিজাত রেস্টুরেন্টে  অনুষ্ঠিত হয়। ক্লাবের সভাপতি ও চট্টগ্রাম প্রতিদিন সম্পাদক আয়ান শর্মার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এবং এডিটরস্ ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. জিয়াউল হকের সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ওয়ার্ল্ড এসোসিয়েশন অব প্রেস কাউন্সিলস্ নির্বাহী পরিষদ ও বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের সাবেক সদস্য, প্রবীণ সাংবাদিক নেতা, চট্টগ্রাম এডিটরস্ কাউন্সিলের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মইনুদ্দীন কাদেরী শওকত।

সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পূর্ব বাংলা পত্রিকার সম্পাদক এম. আলী হোসেন, কমার্শিয়াল টাইমস্ সম্পাদক সুজিত কুমার দাশ, আলোকিত চট্টগ্রামের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক চৌধুরী হাসান মাহমুদ আকবরী, ইজতিহাদ সম্পাদক জসিম উদ্দিন চৌধুরী, চট্টগ্রাম খবর সম্পাদক শেখ মো. আরিফ, দি ক্রাইম সম্পাদক আসিফ চন্দ্র নন্দী, পার্বত্য বাণী সম্পাদক মোজাহিদুল ইসলাম বাতেন ও দৈনিক বায়েজিদ সম্পাদক হাবিবুর রহমান ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রবীণ সাংবাদিক নেতা মইনুদ্দীন কাদেরী শওকত বলেন, সংবাদপত্রের প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনগতভাবে প্রধান হলেন সম্পাদক। যদি সম্পাদক মনে করেন যে কোন সংবাদ ছাপানো উচিত তা তিনি ছাপাবেন আর যদি মনে করেন যে, কোন সংবাদ ছাপানো উচিত নয় তবে তিনি তা ছাপাতে বাধ্য নয়- এটাই একজন সম্পাদকের আইনগত অধিকার। বিভিন্ন কারণে, বিশেষ করে কয়েকজনের আত্মম্ভরিতা, অহমিকা, হামবড়া ভাবের কারণে দেশের সম্পাদকরা ঐক্যবদ্ধ হতে পারে না। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে সম্পাদকরা তাদের দেশের গণ আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। ভারতে ইন্দিরা গান্ধির শাসনামলে জরুরি অবস্থায় স্ট্যাটমেন্ট পত্রিকার সম্পাদক নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। আমাদের দেশেও মাওলানা আকরাম খাঁ, তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া, জহুর হোসেন চৌধুরী, আবদুস সালামসহ নির্ভীক সম্পাদকরা পাকিস্তান আমলে বিভিন্ন আন্দোলনে অগ্রণী ও সাহসী ভুমিকা রেখেছিলেন।

সভায়  বক্তারা আরো  বলেন, আমরা আজ আনন্দিত যে- আমাদের মধ্যে একজন সাহসী সম্পাদককে আমাদের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে পেয়েছি। তিনি ১৯৮২ পরবর্তী এরশাদ শাসনামলে বঙ্গবন্ধু, জেনারেল জিয়া ও জেনারেল মনজু হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে তাঁর সম্পাদিত ও প্রতিষ্ঠিত ইজতিহাদ পত্রিকায় রিপোর্ট প্রকাশ করায় পত্রিকাটি নিষিদ্ধ করেছিল। বিগত শতাব্দির শেষ সিকিভাগে সাহসী সাংবাদিকতা এবং বর্তমান শতাব্দির প্রথম দশকে বিশ্ব প্রেস কাউন্সিলের নির্বাহী সদস্য হিসেবে বিশ্ব পরিমÐলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে ভুমিকা রেখেছিলেন। তাঁকে সর্বসম্মতক্রমে প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচিত করতে পারায় আমরা আনন্দিত ও সন্তুষ্ট। তিনি আমাদের চট্টগ্রামের সম্পাদকদের গর্বের ধন ও অহংকার।

 

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ সংবাদ