বেনাপোল প্রতিনিধি
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে টানা তিনদিন বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি বন্ধ থাকার পর সোমবার সকাল থেকে দু’দেশের মধ্যে পুনরায় আমদানি-রফতানি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তবে ট্রাক প্রবেশের সংখ্যা আগের তুলনায় অনেক কম।
বন্দর ও কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিন পেট্রাপোল বন্দর থেকে রফতানি পণ্য নিয়ে ২৫০ থেকে ৩০০ ট্রাক আসে বেনাপোল বন্দরে। আর বেনাপোল দিয়ে ১৫০ থেকে ২০০ ট্রাক রফতানি পণ্য নিয়ে যায় ভারতে। দেশের ৭৫ ভাগ শিল্প প্রতিষ্ঠানের কাঁচামালের পাশাপাশি বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য আসে এই বন্দর দিয়ে। পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ১৫ জুন থেকে ১৭ জুন টানা তিনদিন সরকারি ছুটি থাকায় ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে আমদানি-রফতানি বন্ধ ছিল। আমদানি-রফতানি বন্ধ থাকলেও পাসপোর্টযাত্রী চলাচল ছিল স্বাভাবিক।
বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক লতা জানান, তিনদিন বন্ধ থাকার পর সোমবার সকাল থেকে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। টানা তিনদিন আমদানি-রফতানি বন্ধ থাকায় যে পরিমাণ ট্রাক প্রবেশের কথা ছিল সে রকম পণ্য নিয়ে ট্রাক বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করেনি। এ কারণে যানজটও নেই বন্দর এলাকায়। এখনো আমদানিকারকরা ঢাকায় তাদের অফিস খোলেনি। বন্দর থেকে পণ্য খালাসও তেমন হচ্ছে না।
ভারতের পেট্রাপোল বন্দরের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস স্টাফ ওয়েল ফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কার্তিক চক্রবর্তী জানান, বাংলাদেশে পবিত্র ঈদুল ফিতরের সরকারি ছুটি থাকায় ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে তিনদিন আমদানি-রফতানি বন্ধ ছিল। আজ সকাল থেকে দু’দেশের মধ্যে আমদানি-রফতানি পুনরায় চালু হয়েছে। বাংলাদেশে প্রবেশের অপেক্ষায় শত শত পণ্যবাহী ট্রাক ভারতীয় বন্দর এলাকা ও বনগাঁ পার্কিংয়ে দাঁড়িয়ে আছে বলে তিনি জানান।
বেনাপোল চেকপোস্ট কাস্টমস কার্গো শাখার রাজস্ব অফিসার হারুন অর রশিদ জানান, টানা তিনদিন পর সোমবার সকাল থেকে বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি শুরু হয়েছে। আমদানি-রফতানি শুরু হলেও কর্মচাঞ্চল্য ফিরে আসেনি দুই দেশের বন্দর এলাকায়।
বেনাপোল স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক (ট্রাফিক) আমিনুল ইসলাম বলেন, তিনদিন বন্ধ থাকার পর আমদানি-রফতানি পুনরায় চালু হয়েছে। পণ্যজট কমাতে দ্রুত পণ্য খালাসের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।



