নাঈলকোট কুমিল্লার পাইকোট চৌগড়া থানার মোসাম্মদ মমেনা খাতুন এবং মোসাম্মদ ফতেমা বেগম পিতা: মৃত, সেকান্দর আলীর কাছে পাওয়া প্রায় এিশ শতক জায়গা নিজ ছোট ভাই তাজুল ইসলাম জাল কবলা বানিয়ে আত্মসাৎ এর খবর পাওয়া গেছে।
কবলা সূত্রে জানা যায় স্ট্যাম্প খরিদ করেন ২৮/৯/২০২০ইং কিন্তু রেজি: সম্পাদনের তারিখ দেখায় ২৬/৬/২০২০ তারিখ। স্ট্র্যাম্প খরিদ এর তিন মাস আগে রেজিস্টেশন :দেখানো হয়। তা কেমন করে হয় এই প্রশ্ন এখন অনেকের। এই কবলার দাতা, গ্রহীতা, স্বাক্ষী এবং সাবরেজিস্ট্রার এর স্বাক্ষর সবকিছু একই হাতে করা।
খবর নিয়ে জানা যায়: দাতা ও গ্রহীতা দুইজন অশিক্ষিত ও স্বাক্ষর দিতে জানে না কিন্তু কবলায় তাদের টিপ সই ছবি কিছুই নেই।
এ বিষয়ে দলিল লেখক মাহবুল আলম লাতু’র মোবাইল ফোনে জানতে চাইলে বলে যে সব ঠিকঠাক আছে যদি পত্রিকা নিউজ করেন তবে কোটি টাকার মানহানি মামলায় আটকায়ে দেবো। আমাদের প্রতিবেদকে ভয় ভীতি প্রদর্শন করে ফোন কেঁটে দেয় এবং এরপর বার বার ফোন করলেও রিসিভ না করায় তার আর বক্তব্য নেওয়া যায়নি।
এস এ লোকমান নামক এক ব্যাক্তি সহকারী কমিশনার (এসিল্যাণ্ড ) লাঙ্গলকোট ভুমি অফিস কুমিল্লা বরাবরে একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।



