বাবরের বাসা ও গাড়ি লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদ

  প্রিন্ট
(সর্বশেষ আপডেট: মার্চ ১৩, ২০১৮)

 

যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির উপ-অর্থ সম্পাদক ও এমইএস কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক জিএস হেলাল আকবর চৌধুরী বাবরের গাড়ি ও বাড়ি লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণের ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারের জন্য এক প্রতিবাদ সমাবেশ কোতোয়ালী থানা যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগের যৌথ উদ্যোগে আজ বিকাল ৪ টায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার পাদদেশে নগর ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য শিবু প্রসাদ চৌধুরী’র সভাপতিত্বে এবং নগর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি একরামুল হক রাসেলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়। এসময় প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন মহানগর আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মানস রক্ষিত, নগর আওয়ামী লীগের উপ দপ্তর সম্পাদক কাউন্সিলর জহরলাল হাজারী, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের উপ কমিটির সাবেক সহ-সম্পাদক ও নগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এম.আর. আজিম, বন্দর সুরক্ষা পরিষদের আহ্বায়ক হাজী ইকবাল, কোতোয়ালী থানা আওয়ামী লীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হাসান মনসুর, নগর ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি রাজীব দত্ত রিংকু, মহানগর যুবলীগের সদস্য ও এমইএস কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি মো: ওয়াসিম উদ্দিন চৌধুরী, নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য পংকজ রায়, মো: আলী হোসেন, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মেজবাহ উদ্দিন মোরশেদ, মনোয়ারুল আলম চৌধুরী নোবেল, সেলিম উদ্দিন জয়, নগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আজিম রনি, সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা পাভেল ইসলাম, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সদস্য রাজেশ বড়ুয়া, আবদুর রহিম শামীম, রেজাউল হক রুবেল, কামরুল হুদা পাভেল, চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রলীগ নেতা মাহমুদুল করিম, মনির ইসলাম, জাবেদুল ইসলাম জিতু, মোক্তার হোসেন রাজু, মহসীন কলেজ ছাত্রলীগ নেতা কাজী নাঈম, আনোয়ার হোসেন পলাশ, মায়মুন উদ্দিন মামুন।
অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ইতিপুর্বে গুলিবর্ষণকারীদের সনাক্ত করেছে পুলিশ। কিন্তু বরাবরের মতোই এবারো নগর পুলিশ আসামীদের আটক করছেনা। বারবার চট্টগ্রামের রাজনৈতিক নেতৃত্বের উপর হামলা ও খুনের ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে জনমনে আজ প্রশ্ন উঠেছে। পুলিশের নিরবতাকে পুঁজি করে চট্টগ্রামের আওয়ামী মতাদর্শের নেতাকর্মীদের টার্গেট কিলিং করা হচ্ছে। অপরাজনীতির মাধ্যমে আদর্শিক রাজনীতির পরিবেশ আজ বিষাক্ত করা হচ্ছে চট্টগ্রামে। এসময় বক্তারা নগর পুলিশ কমিশনারের উদ্দেশ্যে বলেন, সম্প্রতি চট্টগ্রাম শহরের আইন শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে আছেন। পদোন্নতি পেয়ে চট্টগ্রাম থেকে অল্প কিছুদিনের মধ্যে আপনি বিদায় নিবেন। চট্টগ্রামের আওয়ামী রাজনীতির আদর্শিক ধারাকে টিকিয়ে রাখার স্বার্থে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে আপনি এখনি কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। আওয়ামী লীগ পরিবার আপনার কাছে চিরকৃতজ্ঞ থাকবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি সাবেক এইচ.এম কাজল, মো: ইউনুছ, কাউন্সিলর জাহাঙ্গীর আলম, ফরিদ নেওয়াজ, নাজমুল আহসান, ইলিয়াছ সরকার, কেন্দ্রীয় আওয়ামী যুবলীগের উপ কৃষি বিষয়ক সম্পাদক মীর মহিউদ্দিন, সদস্য গাজী মো: জাফর উল্লাহ, রিটু দাশ বাবলু, ছোটন বড়–য়া, খোরশেদ আলম, এম. কুতুব উদ্দিন, নাছির উদ্দিন ফাহিম, সঞ্জীব বিশ্বাস সাজু, মো: মোরশেদ আলম, মোসলেহ উদ্দিন শিবলী, মোঃ জাহেদ, মো: দেলোয়ার হোসেন, আমিরুল ইসলাম সানু, রফিকুল আলম বাপ্পী, আক্তার হোসেন, হোসেন আহমদ রুবেল, নগর ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক অমিতাভ চৌধুরী বাবু, সম্পাদক লিটন চৌধুরী রিংকু, আবুল মনসুর টিটু, উপ সম্পাদক কবির আহমেদ, আবদুল্লাহ আল মামুন, আবদুল আহাদ, সহ-সম্পাদক কায়সার মাহমুদ রাজু, সাব্বির সাকির, সদস্য মোশরাফুল হক পাভেল, দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক মেজবাহ উদ্দিন সুমন, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহদাত হোসেন মানিক, রেজাউল করিম লিটন, শাহাদাত হোসেন পারভেজ, শাহজাদা চৌধুরী, নোমান চৌধুরী, তৌহিদুল আলম, মো: রাফসানুল হক, মো: ইমরান, জুবাইদুল আলম আশিক প্রমুখ।

০ Comments

Leave a Comment

Login

Welcome! Login in to your account

Remember me Lost your password?

Lost Password