উমর ফারুক, রাবি:
জাতীয় পতাকা উত্তোলন, বেলুন-ফেস্টুন ও পায়রা উড়ানো, বৃক্ষরোপণ ও বর্ণাঢ্য র্যালির মাধ্যমে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ৬৫ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শুক্রবার সকাল ৮ টা থেকেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, কর্মকর্তা-কর্মচারী, হল প্রশাসন, বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, পেশাজীবী, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন প্রশাসন ভবনের সামনে আসতে থাকে।
এরপর সকাল ৯ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে একটি বৃক্ষরোপণ করেন ভিসি। তারপর প্রশাসন ভবনের সামনে থেকে একটি র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি ক্যাম্পাসের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনের সামনে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।
এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এম আব্দুস সোবহান বলেন, ‘কোটার নামে কোটাবিরোধী আন্দোলন চলছে। কোটা সংস্কারের নামে যে আন্দোলন চলছে সেটি কোটার কোন বিষয় নয়। কেননা মেধার যোগ্যতায় পরীক্ষা দিয়ে ভর্তি, মেধার যোগ্যতায় চাকুরি। সুতরাং এখানে আন্দোলনের কি আছে।
উপাচার্য আরো বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শন্তিপূর্ণ পরিবেশকে বিশূঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টির জন্য আমরা কেন, কিসের জন্য, কার স্বার্থে এই ধরনের অপতৎপরতা চালাচ্ছি। আমি বলবো একদল সন্ত্রাসী তারাই কোটা আন্দোলনের নামে যা করছে তা কোটা আন্দোলন নয়।
উল্লেখ্য, ১৯৫৩ সালের এই দিন থেকে শুরু হয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার চিন্তা-ভাবনা। এ চিন্তা-ভাবনার অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন শিক্ষানুরাগী মাদার বখশ্। পরে ১৯৫৩ সালের ৩১ মার্চ প্রাদেশিক আইনসভায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা আইন পাস হয়। পরে ১৯৫৩ সালের ৬ জুলাই এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা লাভ করে। ১৯৫৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৫৪ সালে পদ্মার তীরের বড় কুঠি নামে পরিচিত ঐতিহাসিক রেশম কুঠির ওপর তলায়। সেখান থেকে ১৯৬১ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম স্থানান্তর করা হয় মতিহারের সবুজ চত্বরে। অষ্ট্রেলিয়ার স্থপতি ড. সোয়নি টমাসের স্থাপত্য পরিকল্পনায় এই ক্যাম্পাস হয়ে ওঠে এক অবলীল সৌন্দর্যে।
সময়ের পরিক্রমায় বিশ্ববিদ্যালয়টি হাঁটি হাঁটি পা পা করে পার করেছে গৌরবময় ৬৫টি বছর। বর্তমানে ৫টি উচ্চতর গবেষণা ইনস্টিটিউট, ১০টি অনুষদের অধীনে ৫৮টি বিভাগ নিয়ে পরিচালিত হচ্ছে বিশ্ববিদ্যলয়ের শিক্ষা কার্যক্রম। বিশ্ববিদ্যালয়ে ১২০০ শিক্ষক, তিন হাজারেরও বেশি আর কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং প্রায় সাড়ে ৩৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী রয়েছে। ক্যাম্পাসের পূর্ব দিকে ছাত্রদের ১১টি ও পশ্চিম দিকে ছাত্রীদের জন্য রয়েছে ৬টি সুবিশাল আকারের আবাসিক হল রয়েছে। বিদেশী শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জন্য রয়েছে একটি ইন্টারন্যাশনাল ডরমেটরি। এছাড়া রয়েছে দেশের সর্বপ্রথম মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক জাদুঘর শহীদ স্মৃতি সংগ্রহশালা। সাবাশ বাংলাদেশ নামে একটি ভাস্কর্য আর রয়েছে গোল্ডেন জুবিলি টাওয়ার।
প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বিশ্ববিদ্যালয়টি অত্যন্ত সম্মানের সঙ্গে গবেষণা ও জাতীয় ক্ষেত্রে উলে¬খযোগ্য ভূমিকা পালন করে আসছে। এখানে বিশ্বমানের গবেষক-বিজ্ঞানী শুরু করে রয়েছে অর্ধশতাধিক বিজ্ঞানী।
সর্বশেষ সংবাদ
- প্যারোলে ১২ ঘণ্টার জন্য মুক্তি পাচ্ছেন দীপু মনি
- চলতি মাসেই চালু হচ্ছে ‘প্রবাসী কার্ড’: প্রতিমন্ত্রী
- দীপু মনি প্যারোলে মুক্তি পেলেই স্বামীর জানাজার সিদ্ধান্ত
- Sportwetten ohne OASIS: Tipps für neue Wettanbieter
- Sportwetten ohne OASIS: Tipps für neue Wettanbieter
- Sportwetten ohne OASIS: Tipps für neue Wettanbieter
- সিরাজগঞ্জে ট্রাক-পিকআপ সংঘর্ষে নিহত ২
- এগিয়ে আসছে দুর্গাপূজা, প্রতিমা তৈরির ব্যস্ততার মাঝেও দুশ্চিন্তা কলকাতায়
- দুবাই থেকে আসা ফ্লাইট থেকে সাড়ে ৫ কোটি টাকার সিগারেট ও আইফোন জব্দ
- এসএসসির খাতা পুনঃমূল্যায়নে ১২ লাখের বেশি আবেদন, আসছে নীতিমালা



