১৮নং পূর্ব বাকলিয়া ওয়ার্ডে উঠান বৈঠকে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম বলেন, বাকলিয়া ও তদসংশ্লিষ্ট এলাকায় যে উন্নয়ন প্রক্রিয়া চলছে তাতে আগামী কয়েক বছরে নগরীর অন্যতম আকর্ষণীয়, উন্নত ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকা হবে বাকলিয়া। তিনি আরো বলেন, আওয়ামী লীগ আম জনতার ভাবনা থেকে জন্ম নেয়া একটি দল। মহান মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী দল আওয়ামী লীগ যখনই সরকার গঠন করেছে, দেশ উন্নয়নের দিকে এগিয়ে গেছে। বিগত ৯ বছরে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ও সিডিএ’র তত্বাবধানে যে উন্নয়ন সাধিত হয়েছে, চট্টগ্রামের উন্নয়নের ইতিহাসে তা মাইলফলক হয়ে থাকবে। তিনি নেতা কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, মানুষ পছন্দ করে না এমন কোন কাজে বঙ্গবন্ধুর সৈনিকেরা থাকতে পারেনা। মানুষ কি চায় তা বুঝতে হবে আমরা কি চাই আমাদের সরকার কি কাজ করেছে এবং কি কাজ করতে চায় লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য কি মানুষকে ঘরে ঘরে গিয়ে বুঝাতে হবে তাহলে জননেত্রী শেখ হাসিনার পরিশ্রম সার্থক হবে।
তিনি বাকলিয়ায় জলাবদ্ধাতা নিয়ে বলতে গিয়ে বলেন, সামান্য বৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে পানিবন্দি হয়ে পড়ে বৃহত্তর বাকলিয়া এলাকার লাখ লাখ মানুষ। দেশের প্রধান পাইকারি বাজার খ্যাত চাক্তাই খাতুনগঞ্জ, কোরবানীগঞ্জ, আছাদগঞ্জ, রাজাখালীর ব্যবসায়ীরা ভোগেন পানিবদ্ধতার আতঙ্কে। এই পানিবদ্ধতার আতঙ্ক থেকে মুক্তি দিতে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা অনুমোদন দিয়েছেন জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পসহ চাক্তাই হতে কালুরঘাট পর্যন্ত রিভার ড্রাইভ আউটার রিং রোডের যার কাজ কিছু দিনের মধ্যে শুরু হবে।
গতকাল সন্ধ্যায় পূর্ব বাকলিয়া মান্নান সওদাগরের বাড়ীর উঠানে হাজি মো. ইউসুফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বোর্ড সদস্য কেবিএম শাহজাহান। হাজি আবু তৈয়ব বাবু ও মো. শাহজাহানের পরিচালনায় বৈঠকে বক্তব্য রাখেন ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি আহম্মদ ইলিয়াছ, সাবেক কাউন্সিলার জসিম উদ্দিন, উপস্থিত ছিলেন, করিম সওদাগর, সৈয়দ কুতুব ঊদ্দিন, বেলাল হোসাইন, মো. এয়াকুব সওদাগর, মো. ইলিয়াছ, হাজি নুরুল আজিম, মো. কফিল, মো. ইলিয়াছ, মো. ইদ্রিস, যুবলীগের বাদশা, নাজের, ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি আহম্মদ ওমর ফারুক, মো. নোবেল, মো. সাগর, আবদুল মান্নান, সাফাকত প্রমুখ।

শেয়ার করুনঃ