২ মার্চ ২০২৪ / ১৮ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ / রাত ৩:০০/ শনিবার
মার্চ ২, ২০২৪ ৩:০০ পূর্বাহ্ণ

সময় এখন প্রযুক্তির!

     

বিশ্ব যখন নতুন নতুন প্রযুক্তি আবিষ্কার আর তার ব্যবহার নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন বাংলাদেশের কি আর বসে থাকলে চলে? আমাদের দেশের ছেলেমেয়েরাও তাই প্রযুক্তির উৎকর্ষে নিজেদের ঝালাই করে নিচ্ছে।কথায় আছে ইচ্ছে শক্তি আর পরিশ্রম করলে জীবনে সব কিছু করা সম্ভব। কখনো কখনো শখের বসে করা কাজ গুলোই জীবনের স্বপ্নতে পরিনত হয়।

২০১৮ সালে থেকে অষ্টম শ্রেণিতে থাকাকালীন নিজের মধ্যে পোষণ করেন অ্যাপ বানাবোর শখটি। ছোট্ট বয়সে আপ বানানো শখ হলেও বর্তমানে ২০২৩ সালে এসে তার এই শখ স্বপ্ন হয়ে দাড়িয়েছে।বলছি মেট্রোপলিটন কলেজের বিজ্ঞান বিভাগ এর দ্বিতীয় বর্ষে পড়ুয়া- গাজীপুর জন্মগ্রহণ করা এই “সজীব সিকদার” এর কথা। মানুষের জীবন যাত্রায় যেন এক নতুন অধ্যায় উন্মোচন করেন।অ্যাপ এর ব্যবহার সহজ আর সাবলীল করার পাশাপাশি – এই তরুণ এখন ইয়াং জেনারেশনের কাছে যেন এক অনুপ্রেরণা।

ছোট্ট এই সজীব ২০১৮ তার স্বল্প বুদ্ধিমত্তাকে কাজে লাগিয়ে, শিক্ষার্থীদের জন্য তৈরি করেন elaxux BD নামক একটি Learning App। তবে আশ্চর্যজনক বিষয় হলো সজীবের এই অ্যাপটি কিন্তু এখনো পাবলিশড হয়নি Google play Store এ। তারপরে ও তার জনপ্রিয়তা ইতিমধ্যে ছড়িয়ে পরেছে ১২ হাজারের ও বেশি মানুষের কাছে। অ্যাপটির ব্যবহারকারী বর্তমানে ১২ হাজার ছাড়িয়ে গেছে।

একটি অ্যাপ তৈরির অনুপ্রেরণার মধ্যে দিয়ে এরপরে ২০১৮ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে সজীব ৪২ টির ও বেশি অ্যাপ তৈরি করতে সক্ষম হয়। তার আপ এ ব্যবহারকারী এখন হাজার হাজার।

এই তরুণ ২০২২ সালে এক হতাশার মুখোমুখি হন। ২০২২ সালে দূর্ভাগ্যবশত তার google play consol account টি সাসপেন্ড হয়ে যায় এবং তার অ্যাপগুলো প্লে স্টোর থেকে রিমুভ হয়ে যায়। ফলে তার সব গুলো অ্যাপ আপলোড করা হয় elaxux নামের তার এক bisness website এ। তবে হতাশ হওয়ার মত ঘটনা তার সাথে ঘটলে ও সে হাল ছেড়ে দেয়নি।

তরুণ এই অ্যাপ গড়ার কারিগর যেন দেশের আগামীর এক উজ্জ্বল চিত্র। হাজার হাজার মানুষের প্রয়োজনের কথা চিন্তা করে ২০২৩ সালে Film Text Ocr এবং Notes App তৈরি করে তাক লাগিয়ে দেন এই তরুণ। এমনকি প্রতিদিনই বেড়েই চলেছে তার অ্যাপ ব্যবহারকারীর সংখ্যা।কিন্তু দেশে যে এমন বুদ্ধিমত্তাশীল সজীবই আছে তা কিন্তু নয়। বরং চারিদিকে একটু চোখ বুলালেই দেখা যাবে এমন শত শত তরুণ প্রজন্মকে। যারা একটা সুযোগের অপেক্ষায় আছে। তবে দেশের প্রযুক্তির মান উন্নয়নে সজীব হয়ে ইঠতে পারেন আগামীর অনুপ্রেরণা।

শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply