ডিসেম্বর ৩, ২০২২ ৪:৪১ পূর্বাহ্ণ

ঠাণ্ডা মিয়ার গরম কথা (২২৭) তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ সমীপে

মাননীয়,

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় সাবেক স্বরাস্ট্রমন্ত্রী তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ সমীপে,

শ্রদ্ধেয় সোহেল তাজ ভাইজানরে,

গরম গরম কথার শুরুতে আমার লাখ কোটি সালাম জানিবেন।আশা করি, আল্লাহ মালিকের অপার মহিমায় ভালো থাকিয়া ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মানে আপনার পুরানো পছন্দের দল আওয়ামী লীগ ও মাতৃভুমি বাংলাদেশে নতুনভাবে সময় বিনিয়োগ করিবেন বলিয়াছেন ও সুদুর প্রসারী চিন্তা ভাবনা করিয়া দিনাতিপাত করিতেছেন। আমিও গ্রাম বাংলার এক মফস্বল শহরে থাকিয়া দেশের ভবিষ্যতের কথা ভাবিয়া ছাগলের তিন নাম্বার বাচ্ছার মতো খাইয়া না খাইয়া বাঁচিয়া আছি। গেল বারে শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিষ্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল সমীপে ঠাণ্ডা মিয়ার গরম কথা  লিখিবার সময় এইবার আপনার সমীপে লিখিব বলিয়াছিলাম, এইজন্য লিখিতেছি বলিয়া রাগ করিবেন না বরং শত ব্যস্ততার মধ্যেও গরম কথাটুকু পড়িয়া দেখিবেন ও যাহা প্রয়োজন তাহা করিবেন আর ভুল হইলে নিজ গুনে মাফও করিয়া দিবেন।

ভাইজানরে,

আপনি হইলেন, বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ এবং সৈয়দা জোহরা তাজউদ্দীনের সর্বকনিষ্ঠ সন্তান আপনি।ডিজিটাল বাংলাদেশের রুপকার সজীব ওয়াজেদ জয় হইলেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর ছেলে।দুইজনই আপনারা এইদেশের প্রধানমন্ত্রীর সন্তান।দুইজনের রহিয়াছে আলাদা আলাদা  মর্যদা ও বৈশিষ্ট্য।বয়সে আপনি বড় আর জয় হলো ছোট।আপনার পিতা রাজনীতি করিয়াছে জাতীর পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের সমসাময়িককালে।সেই সময়কালে আপনার পিতা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ।শেখ মুজিব হইলেন সজীব ওয়াজেদের নানা আর আপনার পিতার ঘনিষ্টজন।অন্যদিকে, তারেক জিয়া হইলেন রাষ্ট্রপতি জিয়া ও প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বড় ছেলে আর মাহি বি চৌধুরী আরেক রাষ্ট্রপতি বি চৌধুরী ছেলে।জয়, তারেক, মাহি বি চৌধুরী ও আপনি এই ৪জনের মধ্যে আপনার সততা ও যোগ্যতা অতুলনীয় বলিয়া দেশবাসী বলিতেছে।যাক সেইসব কথা।

ভাইজানরে,

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন আপনি ।সামান্য কিছুদিন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করিয়াছেন আপনি। আপনি ব্যক্তিগত কারণ উল্লেখ করিয়া মন্ত্রীত্ব ছাড়িয়া দিলেন এমনকি এমপিও ।এই ক্ষেত্রে গোটা জাতীর কাছে আপনি বিরল ব্যাক্তি । ক্ষমতার লোভ আপনাকে কাবু করিতে পারেন নাই। ব্যাক্তিগত কারণ উল্লেখ করিলেও দেশবাসী  সততার প্রশ্নে আপোষ করেন নাই বলিয়া আপনাকে বাহবা দিয়াছে।গাজীপুর জেলার অন্তর্গত কাপাসিয়ার দরদরিয়া গ্রামে ১৯৭০ সালের ৫ জানুয়ারি আপনি জন্মগ্রহণ করেন। আপনার বাবা তাজউদ্দীন আহমদ ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ও স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম নেতা। মা সৈয়দা জোহরা তাজউদ্দীন ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য। ৪ ভাই বোনের মধ্যে তানজিম সবার ছোট। বড় বোন শারমিন আহমদ রিপি, মেজো বোন বিশিষ্ট লেখিকা ও কলামিস্ট এবং গাজীপুর-৪ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য সিমিন হোসেন রিমি এবং ছোট বোন মাহজাবিন আহমদ মিমি।

ভাইজানরে,

শুনিতেছি, আগামী আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে অতি গুরুত্বপূর্ণ পদে আপনি আসীন হইবেন।সাধারণ সম্পাদক পদে এইবার ওবায়দুল কাদের পরিবর্তন হইবেন বলিয়া আওয়ামী লীগের সচেতন লোকেরা বলিতেছেন।জাহাঙ্গীর কবির নানক, ড. হাসান মাহামুদ ও ড. আবদুর রাজ্জাকের নাম সাধারণ সম্পাদক হিসাবে বেশ আলোচনায় আছে। বিশ্বস্ত একটি সুত্রে খবর পাইতেছি , আপনি ও আওয়ামী লীগের অর্থ ও পরিকল্পনা সম্পাদক ওয়াশিকা আয়েশা খান এমপি সাধারণ সম্পাদক হিসাবে নেত্রীর পছন্দের তালিকায় আছেন।শেষ পর্যন্ত আপনি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হইলে দেশবাসী যোগ্য প্রার্থী পাইয়াছে বলিয়া ভাবিবে।তবে আপনার ভক্তরা বলিতেছে আপনার এই পদে কাজ চালাইতে গেলে মাথা ঠাণ্ডা করিয়া আগাইয়া যাইতে হইবে।তবে এই ক্ষেত্রে ওয়াশিকা আয়েশা খান এমপি মেধাদিপ্ত প্রকল্প লইয়া কাহারো প্রতি হিংসা বিদ্বেশ বাদ দিয়া আগাইয়া যাইতেছে বলিয়া আওয়ামীলীগ বিশ্লেষকেরা বলিতেছে।এছাড়াও বেগম মতিয়া চৌধুরী ও স্পীকার শিরিন আখতার চৌধুরী ওয়াশিকা ভক্ত বলিয়া শুনিতেছি।

ভাইজানরে,

টাকা পাচারকারী, হাইব্রীড আওয়ামীলীগ, একজন একাধিক পদ যাহাতে না পায়, দলে যাহাতে ইয়াবা কারবারী, মাদক ব্যবসায়ী পদ পদবী না পায় এইসব বিষয়ে এখন থেকে নজর দিন।আজ আর না আপনার মঙ্গল ও সুস্বাস্থ্য কামনায়

ইতি আপনারই গ্রামবাংলা অখ্যাত ঠাণ্ডা মিয়া

গ্রন্থনা ম. আ. হ

আগামী সংখ্যায় মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী সমীপে ঠাণ্ডা মিয়ার গরম কথা ( ২২৮) সম্প্রচার করা হইবে।

 

 

 

 

 

 

শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply