জুলাই ২, ২০২২ ১১:১৯ অপরাহ্ণ

ঠাণ্ডা মিয়ার গরম কথা (৩২২) বিএনপির মহাসচিব মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সমীপে

মাননীয়,

বিএনপির মহাসচিব মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সমীপে

শ্রদ্ধেয় আলমগীর ভাইজানরে,

গরম গরম কথার শুরুতে আমার লাখ কোটি সালাম জানিবেন। আশা করি আল্লাহ মালিকের অপার মহিমায় ভালো থাকিয়া ভিশন ও মিশন কায়েমের লক্ষ্যে নানান ফর্মূলা তৈরী ও বাস্তবায়ন করিয়া মহা- সুখেই আছেন। আমিও গ্রাম বাংলার এক মফস্বল শহরে থাকিয়া  তেল, গ্যাস ও আটা ও দ্রব্য মূল্যের অধিক বৃদ্ধিতে হিমসিম খাইয়া ছাগলের তিন নাম্বার বাচ্ছার মতো খাইয়া না খাইয়া বাঁচিয়া আছি।গেলবারও আপনার সমীপে লিখিব বলিয়াছিলাম, এইজন্য লিখিতেছি বলিয়া রাগ করিবেন না বরং শত ব্যস্ততার মধ্যেও গরম কথাটুকু পড়িয়া দেখিবেন ও যাহা প্রয়োজন তাহা করিবেন এবং ভুল হইলে নিজ গুনে মাফও করিয়া দিবেন।

ভাইজানরে,

আপনি হইলেন, বিএনপির মহাসচিব, সাবেক কৃষি মন্ত্রণালয় ও  বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী । আপনি ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ থেকে বিএনপির মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হইয়াছিলেন।

শুনিয়াছি, ১৯৭২ সালে বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হইয়া শিক্ষা ক্যাডারে ঢাকা কলেজে অর্থনীতি বিভাগে শিক্ষকতা পেশায় যোগদান করিয়াছেন। পরবর্তীতে বেশ কয়েকটি সরকারি কলেজে অধ্যাপনাও করিয়াছেন।তাহা ছাড়াও সরকারি দায়িত্বের মধ্যে আপনি বাংলাদেশ সরকারের পরিদর্শন ও আয়-ব্যয় পরীক্ষণ অধিদপ্তরের একজন নীরিক্ষক হিসাবে কাজ করিয়াছেন। ১৯৭৯ সালে জিয়াউর রহমানের শাসনামলে তৎকালীন উপ-প্রধানমন্ত্রী এস. এ. বারীর ব্যক্তিগত সচিবও ছিলেন। ১৯৮২ সাল হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসিবার পর বারী পদত্যাগ করিবার পূর্ব পর্যন্ত আপনি এ দায়িত্বে ছিলেন । বারী সাহেব পদত্যাগ করিবার পর আপনি শিক্ষকতা পেশায় ফিরিয়া যান। এ সময়  ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজে অর্থনীতির অধ্যাপক হিসাবে যোগদান করিয়া ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত শিক্ষকতা করিয়াছেন।

ভাইজানরে,

আপনি কিংবা আপনারা বলিতেছেন, এই সরকারের অধীনে নির্বাচন করিবেন না। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ বলিতেছে, বিএনপি নির্বাচন না করিলে ন্যাপের মতো দলে পরিবর্তন হইবে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার পৃথিবীর কোন কোন দেশে চালু আছে তা স্পষ্ট করিতে না পারিলে দাবী আদায় করা কঠিন বলিয়া  সচেতন লোকেরা বলিতেছে। একইভাবে ইভিএম পদ্ধতি কোন কোন  দেশে চালুু আছে তাহাও স্পষ্ট করিতে না পারিলে আওয়ামী লীগও পৃথিবীবাসীর কাছে প্রশ্নবিদ্ধ হইবে।

ভাইজানরে,

চট্টগ্র্রামের আনোয়ারায় বিএনপির এই দশা  কেন? এখানে দুুই গ্র্রুুপের মুুখোমুখি অবস্হান দলের মহা ক্ষতি হইতেছে।বিষয়টি ভাবিবেন।আনোয়ারার সাবেক ছাত্রদলের নেতারা কোন পক্ষে স্বক্রিয় নাই।

আজ আর না। আপনার মঙ্গল কামনায়।

ইতি আপনারই গ্রাম বাংলার অখ্যাত ঠাণ্ডা মিয়া গ্রন্হনা ম আ হ

আগামী সংখ্যায়  আবু সাঈদ আল মাহমুদ  স্বপন সমীপে ঠাণ্ডা মিয়ার গরম ( ৩২৩) সম্প্রচার করা হইবে।

শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply