সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২১ ৩:৩৮ পূর্বাহ্ণ

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটির প্রয়োজন কী?

প্রাতিষ্ঠানিক অনিয়মসহ দীর্ঘদিন থেকে দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অর্থ আত্মসাৎ, নিয়োগ ও পদোন্নতি জালিয়াতি, উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতি, ভর্তি বাণিজ্য এবং স্বজনপ্রীতিসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটির বিরুদ্ধে। দুর্নীতির অভিযোগে কমিটি ভেঙে দেওয়ার নজিরও দেখা গেছে হরহামেশা। পরিচালনা কমিটির দুর্নীতির কারণে অনেক শিক্ষক এবং প্রতিষ্ঠানপ্রধানের চাকরি গেলেও সংশ্লিষ্ট অভিযোগে কমিটির কোনও সদস্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারেনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এভাবেই চলছে বছরের পর বছর।

 

 

অন্যদিকে নামদামি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর অভিভাবকদের একটি অংশ ভর্তি বাণিজ্য, চাঁদাবাজি ও উন্নয়ন প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত থাকার জন্য গঠন করেছেন অভিভাবক ফোরাম। এই ফোরামের কথা না শুনলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান এবং শিক্ষকদের বিরুদ্ধে যখন-তখন আন্দোলনের হুমকি দিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগও রয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে পরিচালনা কমিটি বাদ দিয়ে মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনার দাবি তোলেন এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সংশ্লিষ্টরা। বিভিন্ন সময় অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন—দায়হীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটির প্রয়োজন কী?

এ বিষয়ে শিক্ষাবিদ ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারে উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটিতে অনেক প্রভাবশালী লোকজন থাকেন, শিক্ষকদের মধ্যেও অনেক প্রভাবশালী থাকেন, সে কারণে তাদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া যায় না। তাই বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা একটি আইনের কাঠামোর মধ্যে নেওয়া উচিৎ। শুধু আদেশ আর পরিপত্র দিয়ে চালানো যায় না। যদি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য আইন থাকতে পারে তাহলে কেনও বেসরকারি অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য সুনির্দিষ্ট আইন থাকবে না? দ্রুত শিক্ষা আইন করে আইনি কাঠামোতে আনতে হবে সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে।’

উল্লেখ্য, ‘বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি প্রবিধানমালা, ২০০৯’ এ কমিটির সর্বোচ্চ ক্ষমতা দেওয়া থাকলেও কমিটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কোনও বিধান নেই।  ফলে আর্থিক দুর্নীতিসহ যা ইচ্ছে তাই করে থাকে ম্যানেজিং কমিটি।

বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির সভাপতি (বাশিস) ও এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ লিয়াজোঁ ফোরামের মুখপাত্র নজরুল ইসলাম রনি বলেন, প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটি শিক্ষকদের অধিকার রক্ষা করে না। বরং প্রতিষ্ঠানের টাকা তছরুপ করে। নিয়োগ, পদোন্নতি জালিয়াতি, ভর্তি বাণিজ্যসহ বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতি করে কমিটিগুলো। এফডিআর ভাঙিয়ে অর্থ ব্যয় করে অনেক প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি করেছে কমিটিগুলো।  পরিচালনা কমিটির অনিয়ম-দুর্নীতি ও অবহেলার কারণে কয়েক হাজার মামলা উচ্চ আদালতে চলমান রয়েছে। এতে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

নজরুল ইসলাম রনি আরও বলেন, অনার্স-মাস্টার্স স্তরের শিক্ষকদের বেতন-ভাতা শিক্ষার্থীর টিউশন ফি থেকে পরিশোধ করার কথা থাকলেও বিগত ২৯ বছর ধরে প্রায় বিনা বেতনে শিক্ষকরা চাকরি করছেন।  সরকারের ওপর এখন দায় চাপিয়ে দিয়ে কমিটিগুলো ফায়দা লুটছে। শিক্ষকদের বেতন পরিশোধ করা হয়েছে লিখে নিয়ে অনেক প্রতিষ্ঠান জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্তি রক্ষা করছে। এতে বঞ্চিত হচ্ছেন অনার্স-মাস্টার্স স্তরের শিক্ষকরা।  তাহলে এমপিওভুক্ত বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে পরিচালনা কমিটি থাকার প্রয়োজন কী?

একইভাবে অভিভাবক ফোরামের নামে চাঁদাবাজি ও ভর্তি বাণিজ্যের অভিযোগ করেন এই শিক্ষক নেতা।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, অনিয়ম-দুর্নীতির কারণে প্রতি বছর শতাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটি ভেঙে দেওয়া হচ্ছে। সরকারি কর্মকর্তাদের সভাপতি করে অ্যাডহক কমিটি গঠন করে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করা হচ্ছে।

ভিকারুননিসায় অনিয়ম-দুর্নীতি

দেশের ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিভিন্ন গভর্নিং বডির বিরুদ্ধে বছরের পর বছর  ভর্তি বাণিজ্য, অধ্যক্ষ নিয়োগে দুর্নীতির চেষ্টা, প্যাটার্ন বহির্ভূত শিক্ষক নিয়োগ, উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতি, আয়-ব্যয়ের হিসাবের নথিপত্র না রাখা, তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারীকে প্রথম শ্রেণির বেতন-ভাতাসহ বিভিন্ন ভাতা দেওয়া, কমিটির সদস্যদের স্যার বলতে শিক্ষকদের বাধ্য করাসহ বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ তদন্তে প্রমাণ পাওয়ার পরও কমিটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যায়নি।

২০০৭ সালে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদফতরের (ডিআইএ) তদন্ত প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৫০ কোটি টাকা দুর্নীতি প্রমাণ পাওয়ার পরও কোনও ব্যবস্থা নিতে পারেনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়।  গভর্নিং বড়ি ডিআইএ’র প্রতিবেদনের কোনও সুপারিশ মানেনি। উল্টো বছরের পর বছর সেই অনিয়মকে নিয়ম করে রাখা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনের সুপারিশ অগ্রাহ্য করে ১৩ বছরের বেশি সময় অনিয়মের মাধ্যমে বিভিন্ন গভর্নিং বড়ি দায়িত্ব পালন করেছে।

২০১৯ সালে ভিকারুননিসা স্কুল অ্যান্ড কলেজে অধ্যক্ষ নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ উঠলেও কমিটির কোনও সদস্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যায়নি। তবে নিয়োগ কমিটিতে যেসব সরকারি কর্মকর্তা ও বেসরকারি শিক্ষক ছিলেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষার্থী ভর্তিতে দুর্নীতি

২০১৯ সালের ভর্তি পরীক্ষায় ৪৪৩ শিক্ষার্থী ভর্তির যাবতীয় কার্যক্রম গভর্নিং বডি সম্পাদন করলেও কমিটির একজন ব্যক্তির বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিতে পারেনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ভর্তি কার্যক্রমে গভর্নিং বড়ির প্রত্যক্ষ হস্তক্ষেপ থাকলেও ভর্তির সময় দায়িত্ব পালন করা তিনজনের মধ্যে একজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে ব্যবস্থা নেয় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর।  এত কিছুর পরও ২০২০ সালের নতুন গভর্নিং বডি আরও শিক্ষার্থী ভর্তির ব্যবস্থা করে। আর নতুন করে শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য অভিভাবক ফোরাম লিখিত আবেদন করে।

ডিআইএর প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, ভিকারুননিসার কয়েকজন অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ থাকলেও ব্যবস্থা নেয়নি বিভিন্ন সময়ের গভর্নিং বডি। সংশ্লিষ্টদের অভিযোগে অভিযুক্ত অধ্যক্ষদের দিয়ে ভর্তি বাণিজ্যসহ বিভিন্ন আর্থিক দুর্নীতি করিয়েছে গভর্নিং বডি।

প্যাটার্ন বহির্ভূত শিক্ষক নিয়োগের অভিযোগ তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ থাকলেও প্রতিবেদনের সুপারিশ বাস্তবায়ন করেনি বিগত সময়ের গভর্নিং বড়িগুলো। অতিরিক্ত বেতন-ভাতা প্রতিষ্ঠানের কোষাগারে জমা দেওয়ার সুপারিশ করা হলেও সে ব্যবস্থাও নেয়নি বিগত কমিটিগুলো।

অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, করোনার মধ্যেই কমিটির বিরুদ্ধে অভিযোগ খতিয়ে দেখতে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

করোনাকালে কমিটির বিরুদ্ধে অভিযোগ

চলতি বছরের ১৮ জানুয়ারি জারি করা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের আদেশে কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার মোল্লাকান্দি লালমিয়া পাইলট স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও সভাপতির বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরা হয়।  দুদকের পত্রের পরিপ্রেক্ষিতে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও সভাপতির বিরুদ্ধে ওই দুর্নীতির তথ্য ওঠে আসে।

ওই আদেশে জানানো হয়, কলেজের তিন কোটি ৮৪ লাখ টাকা খরচ করা হয়। এর মধ্যে ক্যাশ বইয়ে না লিখে এবং ব্যাংক হিসাবে জমা না দিয়ে ২৮ লাখ ৫২ হাজার ১১২ টাকা সভাপতির মাধ্যমে কলেজের বিভিন্ন শাখা উন্নয়ন ও বিভিন্ন খাতে খরচ করা বিধিসম্মত হয়নি।  এই ঘটনায় দ্রুত অধ্যক্ষ নিয়োগের নির্দেশ দেওয়া হবে।

প্রসঙ্গত, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রুটিন কাজ ছাড়া কোনও কিছুই করতে পারেন না।  রেজুলেশেনে পাস করা জরুরি কাজ করেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ। অথচ সব দায় গিয়ে পড়ে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের ঘাড়ে।

এ বছর ১৯ জুলাই মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার চরকাটারী সবুজসেনা উচ্চবিদ্যালয়ের যাবতীয় নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।

বিগত কমিটির বিরুদ্ধে নতুন কমিটি গঠন করায় গত ২১ মার্চ জয়পুর হাটের ক্ষেতলাল উপজেলার পাঠানপাড়া দ্বিমুখী উচ্চবিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও প্রধান শিক্ষককে করোনার পরিস্থিতির মধ্যেই সশরীরে উপস্থিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

গত ২ মে জামালপুর সদর উপজেলার ঝাওলা গোপালপুর ডিগ্রি কলেজ গভর্নিং বডির যোগসাজশে নিয়োগ বাণিজ্য, অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে। তবে শুধুমাত্র অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর ব্যবস্থা নিতে তদন্ত কমিটি গঠন করে। কিন্তু কমিটির কোনও সদস্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারেনি। অথচ নিয়োগ দেওয়ার এখতিয়ার গভর্নিং বডির।

এছাড়া ২০২০ সালের ৭ অক্টোবর ঢাকা শিক্ষা বোর্ড রাজধানীর যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের গভর্নিং বডি বাতিল করেছে।

জালিয়াতির কারণে ৫ মাদ্রাসার এমপিও স্থগিত

৫টি দাখিল  মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটি জালিয়াতি করে সহকারী গ্রন্থাগারিক নিয়োগ দেওয়ার ঘটনায় প্রতিষ্ঠানগুলোর এমপিও স্থগিত করা হয়েছে সোমবার (২৬ জুলাই)।  এই ঘটনায় প্রতিষ্ঠানগুলোর সব শিক্ষক-কর্মচারীরা সরকারি বেতনের অংশ পাবেন না।  এই ঘটনায় সব দায় ম্যানেজিং কমিটি এবং প্রতিষ্ঠান প্রধানের হলেও সব শিক্ষক-কর্মচারী বঞ্চিত হবেন। অবশ্য কমিটির সভাপতির বিরুদ্ধে কেনও ফৌজদারি আইনে মামলা করা হবে না তা জানতে চাওয়া হয়েছে।  যদিও এখন পর্যন্ত কমিটির বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নিতে পারেনি শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট দফতরগুলো।

কমিটির অবহেলায় যৌন হয়রানি

চলতি বছর ৭ ফেব্রুয়ারি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরে অফিস আদেশ জানানো হয়, একজন নারী শিক্ষককে যৌন হয়রানি করার অভিযোগ নিষ্পত্তি না করায় একই কলেজের অপর নারী শিক্ষক যৌন হয়রানির শিকার হন। প্রথম যিনি যৌন হয়রানির শিকার হয়েছিলেন তার অভিযোগ প্রমাণের পর গভর্নিং বডির মাধ্যমে অধ্যক্ষের কক্ষে সমঝোতা করতে করে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়া হয়। এর ফলে আরেক জন শিক্ষক যৌন হয়রানির শিকার হন। এই ঘটনায় বগুড়া জেলার বিয়াম মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের যৌন নিপীড়ন বিরোধী কমিটির বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য চায় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর।

সংশ্লিষ্টরা বলেন, অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও আইনি পদক্ষেপ কমিটি নিলে এই তদন্তের প্রয়োজন হতো না। অথচ কমিটিকে এ বিষয়ে কোনও দায় ঘাড়ে নিতে হয়নি।

পরিচালনা কমিটির বিধিবিধান সংশোধনের উদ্যোগ

কমিটির দুর্নীতি প্রতিরোধের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে বিভিন্ন সময় শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটি বিধিবিধান সংশোধন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এই বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন এর আগে বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছিলেন, আইন-কানুন সংশোধনের প্রস্তাব করেছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক ওই সময় বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছিলেন, ‘আমরা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটির বিধিবিধান যুগোপযোগী করতে মন্ত্রণালয়ের কাছে প্রস্তাব করেছি।’

তবে করোনার কারণে গত এক বছরেও বিধিবিধান সংশোধনের কাজ করা সম্ভব হয়নি বলে মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।সবটুকু জানতে ক্লিক করুন

শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply