ডিসেম্বর ৫, ২০২১ ৫:০৫ অপরাহ্ণ

পতেঙ্গায় অবাধেই চলছে ব্যাটারিচালিত রিক্সা পুলিশ চাঁদা নেয় , নেয় ভুয়া সাংবাদিকেরাও

পতেঙ্গা প্রতিনিধি
পতেঙ্গায় অবাধেই চলছে ব্যাটারিচালিত রিক্সা পুলিশ চাঁদা নেয় , নেয় ভুয়া সাংবাদিকেরাও । এ চাঁদা পায় কতিপয় মাস্তান ও হোমরা চোমরাও।ফলে এখানে যেন চাঁদাবাজদের রাজত্ব চলছে। ব্যাটারি চালিত রিক্সা আইনত নিষিদ্ধ হলেও এখানে তোয়াক্কা করে না স্বয়ং আইন প্রয়োগকারী সংস্হার লোকজনও। সরকারী ও বেসরকারী গোয়েন্দা সংস্হার লোকজন এসব জানে। জানে মসজিদের ইমাম, শিক্ষক ও সচেতন জনগণও।এরা ভয়ে, ভীতি ও ঝামেলার এড়াতে মুখও খোলে না।
 জানা গেছে,  পতেঙ্গা থানার কাটগড় থেকে শাহ আমানত বিমান বন্দর পর্যন্ত বিভিন্ন অলি গলিতে চলে এসব ব্যাটারি চালিত অবৈধ অটোরিকশা। এই গাড়িগুলো নেই কোন বিআরটিএর অনুমোদন এবং নেই চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্সও।অধিকাংশ চালক অল্প শিক্ষিত ও অভাবী।
বিআরটিএর অনুমোদন ছাড়া এবং লাইসেন্সবিহীন এসব  চালকরা মানছেনা কোন আইন কানুন।যে যেভাবে ইচ্ছা সেভাবেই গাড়ি চালাচ্ছে, তাদের যেন বলার কেউ নেই, এমনকি পুলিশ সার্জেন্টও তাদের কাছে অজানা লেনদেনে আপোষ হয়ে আছে।
  আমাদের  অনুসন্ধানে দেখা গেছে,  কাটগড় থেকে শাহ আমানত বিমান বন্দর পর্যন্ত যে সকল অবৈধ ব্যাটারিচালিত গাড়ি চলে, সেই গাড়িগুলো বিআরটিএর অনুমোদন না দিলেও অনুমোদন দিয়ে থাকে কিছু অসৎ ও ভুয়া সাংবাদিকরা। ওরা সিপ্লাস টিভি, পূর্বকোণ, পূর্বদেশ পত্রিকার পরিচয় দিয়ে চললেও আসলে তারা ওসব পত্রিকার কেউ নহে।নয় কোন পেশাদার সাংবাদিকও।পুলিশ তদন্ত করলে তারা যে আদতে সাংবাদিক নয় তা সহজেই বেরিয়ে আসবে।এখানে সাব এডিটর হিসেবে চাকুরী করে জনৈক ব্যাক্তি নিজেকে রিপোর্টার কিংবা সাংবাদিক হিসেবেও মিথ্যা পরিচয় দেয়। তার বিরুদ্ধে  কয়েকটি পতিতালয় পরিচালনা, ফুটপাতে অবৈধ দোকান বসানো , বিপুল টাকা দিয়ে পত্রিকার ভুয়া আইডি কার্ড বিভিন্নজনকে বানিয়ে দেয়া ও একটি পলিথিন ফ্যাক্টরী পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে বিভিন্ন গোয়েন্দা অফিসে।
 আমাদের অনুসন্ধানে  দেখা যায় কিছু গাড়ির সামনে লাগানো আছে একটি করে স্টিকার।  ওই স্টিকার যুক্ত গাড়ির চালক – এর সাথে কথা হলে সে জানায় এটা জনৈক ভুয়া সাংবাদিকের গাড়ি।আদতে ওই গাড়ীগুলো কোন প্রকৃত সাংবাদিকের নয়।ওই স্টিকারযুক্ত গাড়ী পুলিশ সার্জেণ্ট দেখলে কোন ঝামেলা ছাড়াই ছেড়ে দেয়।ওই স্টীকারে যেই পত্রিকার নাম রয়েছে ওই নামের কোন পত্রিকাও নেই দেশে।নিজ হাতের লেখা ওই স্টীকারে মোবাইল নাম্বার রয়েছে এমনকি ওই সাংবাদিকের নামও।
 ওই চালকগুলা আমাদের প্রতিনিধিকে আরো বলেন- একটি স্টিকার এর জন্য প্রতিদিন আমাদেরকে দিতে হয় ১৫০ টাকা । এ রকম শত শত স্টিকার লাগানো আছে ওইসব গাড়ীতে।।
জানা গেছে , এই এলাকায় ২০০০ এর উপর অবৈধ গাড়ী রয়েছে।প্রতিটি গাড়ী থেকে মাসে মাসে টাকা পায় দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশ।চাদাঁর গণ্ডগোল হলে এসব অবৈধ গাড়ী পুলিশ আটক করে তখন তাদের গুনতে হয় ৩০০০ টাকা থেকে শুরু করে ৯০০০ টাকা পর্যন্ত।
 সাংবাদিকদের গাড়িগুলো এখানে ট্রাফিক পুলিশ আটকায় না ।
এ বিষয় নিয়ে কথা হয় পতেঙ্গা এলাকার পুলিশের  টি আই সরোয়ার পারভেজ – এর সাথে।তিনি আমাদের প্রতিনিধিকে বলেন- আমার পরিস্কার মেসেজ আমি কোন স্টিকার দেখি না, আমার চোখের সামনে যা অবৈধ গাড়ি পড়বে আমি তাই আটক করব, আমি সবাইকে সমান চোখে দেখব, আইন সবার জন্য সমান।
এই বিষয়ে জানার জন্য টিআই এডমিন জসীম সাহেবের সাথে আজ ৩টা ৪০মিনিটে ০১৭১৮ ৫৪৪৪৯০ নাম্বার ফোন করলে ফোন বিজি পাওয়া যায়।মুঠোফোনে ক্ষুদে বার্তা পাঠালেও সাড়া পাওয়া যায়নি।
শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply