বাংলাদেশ, বৃহস্পতিবার, ৩রা ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, ১৮ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

 পতেঙ্গা থানা কাটগড় এলাকা ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে চলছে অসামাজিক কার্যকলাপ

 শাহিন আহমেদ
 চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গা থানার কাঠগড় এলাকায় চারপাশে বেশ কিছু চিহ্নিত ফ্লাটে দীর্ঘদিন ধরে চলছে দেহ ব্যবসা। চলছে নানা অসামাজিক কার্যকলাপ। এসব কর্মকাণ্ড অনেকটা এখানে ওপেন সিক্রেট। পুলিশ বলছে,  এসবের তথ্য নেই তাদের কাছে। পতেঙ্গা কাঠগড় এলাকায় হাজী গলি নামের এক রোডে , মুজাফফর বিল্ডিং নামের এক ফ্লাটে, জিএম গেট মায়ের দোয়া ফার্নিচার নামে গল্লির শেষের বিল্ডিং তৃতীয় তলায় চলছে এ দেহ ব্যবসা। এই ফ্ল্যাটগুলোতে একজন নারীর সাথে রাত কাটাতে হলে গুনতে হয় কয়েক গুণ ভাড়া এবং দিনেও হাতিয়ে নিচ্ছে একজন নারীর দেহের বিনিময় হাজার টাকা। তাই বেশি অর্থ উপার্জনের লোভেই ফ্লাট মালিকদের এই জঘন্য কাজে লিপ্ত রয়েছে।। ফ্ল্যাট গুলোর দিকে অনুসন্ধানে দেখা যায় উৎসবমুখর কাস্টমারদের ফোনে কথা বলে বলে যে যার মত করে  ভিতরে ঢুকে যাচ্ছে ফ্লাটে।
 ফ্ল্যাটগুলো আয়ের সবচেয়ে বড় মাধ্যম হচ্ছে নারীর দেহ ব্যবসা। এক বাক্যে ফ্ল্যাটগুলোকে বলা যায় প্রকাশ্য পতিতালয়। ফ্লাট কর্তৃপক্ষ অনেকেই হুংকার দিয়ে জানান প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই এসব ব্যবসা পরিচালিত হচ্ছে। জানা যায়,  দেহ ব্যবসার জন্য প্রতিমাসে প্রশাসনের কিছু অসৎ সদস্যদের বড় অংকের উৎকোচ দিয়েই নির্বিগ্নে চলে এই অর্থনৈতিক কার্যকলাপ।
  সাপ্তাহিক  পূর্ববাংলা  ও বাংলাপোস্টবিডিডটকমে  সেখানে নিউজ করতে গেলে উঠে আসে কিছু অসৎ সাংবাদিকদের কথা। পরিস্থিতি থেকে আসার পর কিছুক্ষণের মধ্যেই একজন ফোন করে এই প্রতিনিধিকে। তিনি বলেন, আপনি এখানে আসছেন কেন এখানে কোনো সাংবাদিক আসে না এটা সাংবাদিকদের কাজও না। তিনি আরো বলেন, আপনিতো ভুয়া সাংবাদিক, তিনি অসৎ ব্যবসায়ীদের পক্ষ নিয়ে বলেন আপনার সাংবাদিকতা করতে হবে না আপনি অন্য কাজ করেন, আরো নানান ধরনের হুমকি-ধমকি দেন। তারপর খোঁজ নিয়ে দেখা যায় তিনিও একজন চাকুরিচ্যুত সাংবাদিক তার ব্যাপারে অনেকের কাছে জিজ্ঞাসা করলেও কেউ আর তার নাম প্রকাশ করতে সাহস পায়নি ।
এসব অবৈধ কারবারিদের সাথে সখ্যতা রয়েছে প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তা , ভুয়া চাকুরিচ্যুত নামধারী সাংবাদিক ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের।ফলে এই বিষয়ে কেউ কোনো প্রতিবাদ করার সাহসও পায় না। নাম প্রকাশ না করার শর্তে আশে পাশের কয়েকজন লোক জানান, এসব ফ্লাটে দেহ ব্যবসার পশাপাশি মাদক বেচাকেনা, জুয়া খেলা, সন্ত্রাসীদের সাথে বিভিন্ন বিষয়ে রফা দফার মত কাজ চলছে। কয়েকবার পুলিশ ও র্যাব বন্ধ করে দিয়েছিল। পুনরায় চলছে তাদের এই দেহ ব্যবসা । যেন দেখার কেউ নেই। নতুন পুলিশ কমিশনারের কাছে এই বিষয়ে তড়িৎ হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্হানীয় এলাকাবাসী।

শেয়ার করুনঃ

আরো খবর

Leave a Reply