বাংলাদেশ, শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, ১৪ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

বশেমুরবিপ্রবির শিক্ষার্থী মনিষী হীরার আত্মহত্যা

সজিবুর রহমান,বশেমুরবিপ্রবি
গোপালগঞ্জে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মনিষী হীরা গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।এতে বিশ্ববিদ্যালয়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
১০ অক্টোবর (শনিবার) রাতে মনিষী গলায় ওড়না দিয়ে ফ্যানে ঝুলে আত্মহত্যা করেছে।মনিষীর বাড়ি গোপালগঞ্জ এর ব্যাংক পাড়াতে।আত্মহত্যার কারণ এখনো জানা যায়নি।তবে অনুমান করা হচ্ছে ১-১.৫ মাস আগে তার বয়ফ্রেন্ড আত্মহত্যা করে।এতে তিনি ডিপ্রেশনে ভুগছিলেন।সম্প্রতি তার বিয়ে ঠিক হয় এবং আশীর্বাদ হযেছে।এসব কারণে আত্মহত্যা করতে পারে।
আত্মহত্যার ঘটনা জানতে পেরে ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চারজন শিক্ষক,মনিষীর সহপাঠী সহ অনেকে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।
আত্মহত্যার ঘটনায় ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শিক্ষক রাকিবুল ইসলাম স্যার মুঠোফোনে সাংবাদিক সজিবকে বলেন,ঘটনা শুনেই আমি সহ অনেকে মনিষীর বাড়িতে যায়।মনিষীর বাবা সকালে বাথরুমে যাওয়ার সময় দেখেন মনিষী ফ্যানে ঝুলছে।পুলিশ লাশ ময়না তদন্তের জন্য নিয়ে গেছে।ময়না তদন্ত শেষে আত্মহত্যার কারণ জানা যাবে ।
তিনি তার প্রতিক্রিয়া ব্যাক্ত করতে বলেন,এমন ঘটনা আমাদের কাম্য নয়।শিক্ষক হিসেবে আমি ও ম্যানেজমেন্ট পরিবার গভীরভাবে শোকাহত।
ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী আবির শাহরিয়ার বলেন,ঘটনা জানার পরে আমরা চারজন শিক্ষক ও বন্ধুরা গিয়েছিলাম।জানতে পারি মনিষী দীর্ঘদিন ডিপ্রেশনে ভুগছিলো।আগামী ২ তারিখ ওর বিয়ে হওয়ার কথা ছিলো।এসব কারণে আত্মহত্যা করতে পারে।বাকিটা ময়না তদন্তের শেষে জানা যাবে।
তিনি প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন,মনিষীর এমন মৃত্যুতে সহপাঠী হিসেবে আমি শোকাহত।ম্যানেজমেন্ট বিভাগে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
মনিষীর আরেক সহপাঠী বিজন কুন্ডু বলেন,কাল রাত দশটা পর্যন্ত সকলে একসাথে আড্ডা দিয়েছে,খেলাধুলা দেখেছে।আত্মহত্যার কারণ কেউ জানেনা।হয়তো ডিপ্রেশনের কারণেই আত্মহত্যা করতে পারে।
পুলিশ লাশ নিয়ে মর্গে গেছে ময়নাতদন্তের জন্য।তদন্ত শেষে আসল ঘটনা জানা বলে সকলে আশাবাদী।কিন্তু মনিষীর এমন মৃত্যুতে ম্যানাজমেন্ট বিভাগ সহ পুরো বিশ্ববিদ্যালয় শোকাহত।এমন মৃত্যু কারোরই কাম্য নয়।

শেয়ার করুনঃ

আরো খবর

Leave a Reply

WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com