বাংলাদেশ, শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, ১৫ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

পশ্চিম ষোলশহরের বিবির হাটে মাস্ক ব্যবহারের দাবিতে মানববন্ধন 

ঘরের বাইরে মাস্ক পরি, বিপদমুক্ত ও নিরাপদ থাকতে সামাজিক আন্দোলনের তাগিদ

“নিজে ভাল থাকি, সবাইকে ভালো রাখি” শ্লোগানে “ঘরের বাইরে মাস্ক পরি, বিপদমুক্ত ও নিরাপদ থাকি” দাবিতে মানববন্ধনের আয়োজন করেন আইবিপি ফুড সেফটি প্রকল্প  ও চট্টগ্রাম কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ  ।

আজ ১৯ সেপ্টেম্বর নগরীর পশ্চিম ষোল শহরের বিবির হাটে চট্টগ্রাম-রাঙ্গামাটি মহাসড়কে আয়োজিত মানববন্ধন বিভিন্ন বক্তাগন করোনা মহামারী যা কোভিড-১৯ যেহেতু নাকের মাধ্যমে ও অন্যের সংস্পর্ষে ছড়ায় সে কারনে গণপরিবহন ও বাজারে মাস্ক পরা বাধ্যতামুলক করার আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা সৃষ্ঠির তাগিদ দিয়েছেন। বক্তাগন বলেন, অনেকেই মনে করছেন করোনা বাংলাদেশ থেকে চলে গেছে। ফলে করোনা সংক্রান্ত সুরক্ষা ছাড়াই ঘরের বাইরে গণপরিবহন ও বাজারে যাচ্ছেন। যার ফলে করোনার ঝুঁকিতে পুরো সমাজ আতংকিত। তাই গণপরিবহনে মাস্ক ছাড়া যাত্রী না তোলা ও হাট- বাজার ও দোকানে মাস্ক ছাড়া বিক্রি না করার বিষয়টি কঠোরভাবে মেনে চলার জন্য স্থানীয় প্রশাসন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও সংস্লিষ্ঠ সকলের প্রতি আহবান জানানো হয়।

ক্যাব ৭নং পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ড সভাপতি অধ্যাপক এবিএম হুমায়ুন কবিরের সভাপতিত্বে ও ক্যাব পশ্চিম ষোল শহর ওয়ার্ড কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মহিন উদ্দীনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন ক্যাব কেন্দ্রিয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন, ক্যাব চট্টগ্রাম দক্ষিন জেলা সভাপতি আলহাজ্ব আবদুল মান্নান, পশ্চিশ ষোল শহর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি কাজী রাশেদ আলী জাহাঙ্গীর, ক্যাব পাঁচলাইশের সাধারন সম্পাদক মোহাম্মদ সেলিম জাহাঙ্গীর, ক্যাব চান্দগাও এর সভাপতি মোহাম্মদ জানে আলম, ক্যাব পাঁচলাইশের আবদুল মাজেদ ভাষানী, মুক্তা শেখ মুক্তি, ক্যাব পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদক আখতার হোসেন, সহ-সভাপতি এম এ আওয়াল শাহীন, নারী নেত্রী ফাতেমা রহমান ময়না, তাজুল ইসলাম প্রমুখ।

বক্তাগন অভিযোগ করে বলেন করোনায় অনেকে পরিবারের উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়েছেন। অনেকে চাকুরী হারিয়েছেন। চিকিৎসা ব্যবস্থা, শিক্ষা ও অর্থনীতি পুরোটাই ভেঙ্গে পড়েছে। ঘরের বাইরে গেলে মাস্ক পরলে এ সংক্রমন ব্যাধি থেকে নিজেকে বাঁচাতে পারে ও পরিবারের আপনজনকে সুরক্ষা দিতে পারেন। আর মাস্ক ব্যবহারে সাধারন মানুষের অসচেতনতার কারনে পুরো দেশ পুনরায় করোনার হুমকিতে আছে। সরকার মাস্ক বাধ্যতামুলক করে আইন ও নির্দেশনা দিলেও জনগনের মাঝে এ বিষয়ে কোন তৎপরতা নাই। আইন প্রয়োগে নেই তৎপরতা।

বক্তারা বলেন মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর নেতৃত্বে সরকার করোনা মহামারী থেকে জনগনকে সুরক্ষা দেবার জন্য নানাবিধ উদ্যোগ গ্রহন করেছেন। কিন্তু করোনা সংক্রমন রোধে প্রতিরোধ মুলক স্বাস্থ্যবিধি মানা ও মাস্ক পরা বাধ্যতামুলক আইনের প্রয়োগে শিথিলতার কারনে দেশ পুনরায় করোনার ঝুঁকিতে পড়তে যাচ্ছে। ঘরের বাইরে মাস্ক পরা ও গণপরিবহন ও হাট বাজারে স্বাস্থ্যবিধি মানতে শিতিলতার কারনে আবারও লকডডাউনসহ নানা জঠিলতায় পুরো দেশেকে অর্থনীতিসহ সব বিষয়ে পঙ্গুত্ব বরণে বাধ্য হতে হবে। তাই করোনা সংক্রান্ত স্বাস্থ্যবিধি কঠোর ভাবে মেনে চলতে জনগনকে বাধ্য করার জন্য স্থানীয় প্রশাসন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলির যথাযথ উদ্যোগ নেয়ার এখনই দাবি জানানো হয়।

শেয়ার করুনঃ

আরো খবর

Leave a Reply