বাংলাদেশ, শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, ১৫ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রাম মেট্রোঞ্চলে মাদক পাচার ও কারবারীরা একের পর এক ধরা পড়ছে

চট্টগ্রাম মেট্রোঞ্চলে ডিডি রাশেদুজ্জামানের ফাঁদে মাদক পাচার ও কারবারীরা একের পর এক ধরা পড়ছে। গত ৬ মাসের অধিদপ্তরের  তথ্য বিবরণীতে এ হিসাব মিলছে।জানুয়ারী থেকে জুন  ‘২০ পর্যন্ত  মাদক দ্রব্য নিয়ণ্ত্রণ অধিদপ্তরের মেট্রোঞ্চলের দেয়া ফলাফলে দেখা গেছে সমন্বিত প্রচেষ্টায় এই সফলতা এসেছে।নইলে নগরজুড়ে আরো ভয়াবহ দশা হতো মাতলামী ও মাদক পাচার বেড়ে যেত নিমিষেই।

সুত্রমতে, কক্সবাজারের টেকনাফ, উপকূলীয় থানা আনোয়ারা ও সীতাকুণ্ড হয়ে বেশীরভাগ মাদকের চালান শহরে ঢুকে। চট্টগ্রাম শহর হয়ে নানা পথে গোটা দেশে ছড়িয়ে পড়ে এসব মাদক।বিভিন্ন সংস্হা মাদক পাচার ও কারবারীদের পাকড়াও করে থাকে।শুধুমাত্র মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর দিনরাত মাদক নিয়ে কাজ করে থাকে।

জানা গেছে, জানুয়ারী মাসে মাদকদ্রব্য নিয়ণ্ত্রণ অধিদপ্তরের মেট্রোর কর্মকর্তার ৩৭৯টি অভিযান পরিচালনা করে ১০৪টি মামলা রুজু করে এবং ১০৮জন আসামী গ্রেফতার করে।এসবের ফলাফলে ১৮৭১২পীচ ইয়াবা, ৩০ লিটার চোলাইমদ ও ১১১৪০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।    ফেব্রুয়ারীতে ১১১ জন আসামী ধরে মামলা করে ১০৭টি আর অভিযান পরিচালনা করে ৩৯৪টি।এসব আটক ব্যাক্তিদের কাছ থেকে ৩৫৮১৩পীচ ইয়াবা,১০৩৭০কেজি গাঁজা,৩০ লিটার চোলাইমদ ,ফেন্সিডিল ২বোতল ও ১টি মটর সাইকেল উদ্ধার করা হয়। মার্চ ও এপ্রিল মাসে বৈশ্বিক মহামারী করোনাকাল ইয়াবা ১৯১৩২+৭০০০ পীচ, গাঁজা ৬৩৩০ কেজি ও চোলাইমদ ২০ লিটার উদ্ধার করা হয়।এই দুই মাসে ৩৬৮টি অভিযান ৭৯টি মামলা ও ৮২জন ব্যাক্তিকে আটক করা হয়। একইভাবে মে ও জুন মাসে ১৫৯টি অভিযান,১২টি মামলা ও ১২ জন আসামী ধৃত করা হয়।এই দুই মাসে ইয়াবা ২৫০০৫+১২১০৫ পীচ,ফেন্সিডিল ৩৭৫ বোতল, গাজা ৬কেজি ও প্রাইভেট কার ১টি উদ্ধার করা হয়।

 

শেয়ার করুনঃ

আরো খবর

Leave a Reply