বাংলাদেশ, রবিবার, ২০শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, ৫ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

খাগড়াছড়িতে করোনায় ক্ষতিগ্রস্থ ২৩ হাজার পরিবারকে খাদ্যসামগ্রী ও সবজি বীজ দিচ্ছে ইউএনডিপি

 

খাগড়াছড়ি,প্রতিনিধি

খাগড়াছড়িতে মহামারী করোনা ভাইরাসের কারণে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্থ ও ঝুঁকিপূর্ণ ২৩ হাজার পরিবারকে, খাদ্যসামগ্রী ও উন্নতমানের সব্জী বীজ সহায়তা দিচ্ছে জাতিসংঘ উন্নয়ন সংস্থা (ইউএনডিপি)।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন স্ট্রেনদেনিং ইনক্লুসিভ ডেভেলপমেন্ট ইন চিটাগং হিল ট্রাক্টস (এসআইডি-সিএইচটি) প্রকল্পের আওতায় ইউএনডিপি দাতা সংস্থা ডানিডা ও ইউএসএআইডি এর আর্থিক সহযোগিতায় এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

বুধবার (২৯ জুলাই) খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা মাঠে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে, সলিডারিটি প্যাক (খাদ্যসামগ্রী ও সব্জী বীজ) বিতরণ করেন, খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য নির্মলেন্দু চৌধুরী। এসময় তিনি ৩৪৫২ ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারের হাতে খাদ্যসামগ্রী ও বীজ তুলে দেন।

প্রধান অথিতির বক্তব্যে তিনি সুবিধাভোগীদের সকল পতিত জমি চাষের আওতায় আনার অনুরোধ জানান এবং মাষ্ক ব্যবহার, স্বাস্থ্য বিধি পালন ও সামাজিক দুরুত্ব মেনে করোনা ভাইরাসের প্রকোপ থেকে নিজে এবং নিজের পরিবারের বাঁচানোর অনুরোধ জানান নির্মলেন্দু চৌধুরী।

এতে,খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের মার্কেট ডেভেলপমেন্ট ফ্যাসিলিটেটর
মো: রবিউল ইসলাম’র সঞ্চলনায়, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ শানে আলম, নির্বাহী অফিসার সঞ্চিতা কর্মকার ও ইউএনডিপির এ্যাক্টিভেটিং ভিলেজ কোর্ট প্রজেক্টের ফ্যাসিলেটেটর সুভাস চাকমা বক্তব্য রাখেন। সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: রশিদ, সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো: আক্তার হোসেন এসময় উপস্থিত ছিলেন।

এসআইডি-সিএইচটি ইউএনডিপি খাগড়াছড়ি জেলা ম্যানেজার প্রিয়তর চাকমা জানান, আগামী ১৮ আগষ্ট ২০২০ তারিখের মধ্যে এই প্রকল্পের আওতায় পর্যায়ক্রমে তারা দিঘীনালা উপজেলায় ৩০২৪, মাটিরাঙ্গায় ২৫৯৯, লক্ষিছড়ি উপজেলায় ১৭৬১, রামগড় উপজেলায় ১৫৯৬, গুইমারা উপজেলায় ২৬৩৬, খাগড়াছড়ি সদর উপজেলায় ৩৪৫২, মহালছড়ি উপজেলায় ৩৪০৫ পরিবার, পানছড়ি উপজেলায় ২৯৬২ পরিবার এবং মানিকছড়ি উপজেলায় ১৫৬৫ সহ মোট ২৩ হাজার ঝুঁকিপূর্ন পরিবারকে বিতরণ করা হবে।

তিনি আরো জানান, ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোর জন্য ১০ প্রকারের দ্রব্যাদি বিতরণ করা হয় এবং বিতরণকৃত প্রতিটি প্যাকের মধ্যে রয়েছে -চাল ১৫ কেজি, ,ডাল ২ কেজি, লবণ ১ কেজি, সয়াবিন তেল ১ লিটার, পিয়াজ ১ কেজি, আলু ৫ কেজি, সাবান ২ টি, সবজি বীজ ৭ প্যাকেট (করলা বীজ – ১০ গ্রাম, ঢ়েড়স বীজ ১০ গ্রাম, মিষ্টি কুমড়া বীজ ১০ গ্রাম, শসা বীজ ১০ গ্রাম, লাউ বীজ ১০ গ্রাম, পুঁইশাক বীজ ১০ গ্রাম, চালকুমড়া বীজ ১০ গ্রাম করে) , মাস্ক ৪ পিস ও সচেতনতাবৃদ্ধির লক্ষ্যে করোনা বিষয়ক ১টি ও বন্যপ্রাণী ও বন সংরক্ষণ বিষয়ক ১টি করে পোস্টার দেওয়া হবে।

 

শেয়ার করুনঃ

আরো খবর

Leave a Reply