বাংলাদেশ, মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, ১৪ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

গরুর বিশাল সমাহার জমতে শুরু করেছে পতেঙ্গার ঐতিহ্যবাহি কমল মহাজন হাটে

দীর্ঘ ৬০বছরের পুরাতন সাপ্তাহিক হাট(ইসলামিয়া হাট) প্রকাশ কমল মহাজন হাট(কৈল্লারহাট) হিসেবে নগরীর পতেঙ্গার ৪০নং ওয়ার্ডের শেষাংশে এবং ৪১নং ওয়ার্ডের আংশিক অংশ জুড়ে এবারো স্বরূপে বসছে কোরবানীর পশুর হাট ।
হাটের সার্বিক বিষয়ে ইজরাদার মোঃ মমতাজের পক্ষে ম্যানেজার মোঃইকরাম হোসেন বলেন, আমরা এবারো এই হাটের ঐতিহ্য ধরে রেখে আগত ক্রেতা-বিক্রেতাদের সুবিধা সহ সার্বিক নিরাপত্তায় পরিচ্ছন্ন সেবক টিম দিয়ে হাট কে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করছি। এবার যেহেতু স্টিলমিল-কাটগর বাজার বসছে না সেহেতু এই হাটের গুরুত্ব সব দিকে থেকে আলাদা বৈশিষ্ঠতা নিয়ে বসছে।
আমরা সকলে সহায়তা পেলে অবশ্যই ঈদের পর্যন্ত পশু-কেনা বেচা চলবে।হাট সামাজিক-শৃংখলা নিরাপত্তা দিতে পুলিশ-র‌্যাব,আনসার এবং নিজস্ব সেবক টিম সর্বাত্মক সহায়তা করবেন।হাটে জাল টাকা সনাক্ত করণে বিভিন্ন ব্যাংকের কর্তা ব্যক্তিগন হাট কমিটির সাথে সমন্বয় করছেন বলে হাট ইজরাদারেরম্যানেজার ইকরাম জানায় ।
সরিজমিনে গিয়ে তা দেখতে পাওয়া গেছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বিভিন্ন জাত-প্রজাতির গরু ছাগল সারিসারি দূরত্ব বজায় রেখে কুটিতে বেধেঁছেন বেপারীরা। প্রতিবছরের ন্যায় এবারো ভালো দামের আশায় গরু বেপারীরা এইি ঐতিহ্যবাহি হাটি রংবেঙের পশু নিয়ে এসেছেন বলে জানান,ফরিদপুর থেকে আসা বেপারী হাসুন।
অপর বেপারী শেখ জাহিদ জানাই, আমরা প্রতিবছরের ন্যায় এবারে গরু নিয়ে হাটে আসলাম ভালো দামের আশায়, আমি ১১টি নেপালী প্রজাতির বড়-মাঝারি সাইজের গরু বিক্রির জন্য হাটে তুলেছি।ফরিদ পুর থেকে আসা-শফিক বলেন,১৭টি গরু নিয়ে এসে মাত্র ১টি ১লাখ টাকা দিয়ে বিক্রি করে কিছুটা স্বস্তিবোধ করছি।
তবে এখানো ক্রেতারা ভালোভাবে আসেনি।আরো ২/৩দিন গেলে হয়তো বাজার জমে উঠবে। এই পযন্ত হাটে ফরিদপুর,কুষ্টিয়া,চাপাইনবাবগঞ্জ ,রংপুর,গাইবান্দা,বগুড়া সহ চট্টগ্রামের আশ-পাশের উপজেলাগুলো থেকেও প্রচুর গরু-ছাগল বাজারে আসছে ।
বেচা বিক্রি কম হলেও শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত কয়েকটি গরু-ছাগল সুলভে বিক্রি করতে দেখা গেছে। তবে সবার প্রত্যাশা এবারে কমল মহাজন হাটে সবচেয়ে বেশী জমে উঠবে।

শেয়ার করুনঃ

আরো খবর

Leave a Reply