মে ২৬, ২০২২ ৮:১৪ অপরাহ্ণ

ইপিজেডে কে এই পুলিশ চাদাঁবাজ ক্যাশিয়ার সুলতান ?

ইপিজেড থানার পুলিশের নাম ভাঙ্গিয়ে ক্যাশিয়ার সুলতান অপরাধ কর্মকাণ্ডের হোতাদের আশ্রয় দিয়ে আইন- শৃংখলার অবনতি ঘটিয়ে চলছে । ইপিজেড এলাকাটি অপরাধের স্বর্গ রাজ্য করে সুলতান বিভিন্ন স্পর্ট থেকে মাসে বিপুল টাকা মাসোহারা আদায় করে থাকে বলে খবর পাওয়া গেছে। ।এতে থানার ওসিসহ সৎ পুলিশ অফিসারদের  সুনাম নষ্ট হচ্ছে। ওই টাকা প্রশাসনের কিছু ঘাটে ঘাটে বিলি করে সে নিরাপদে চাদাঁবাজি করে চলছে দিনকে দিন।এই বিষয়ে তার মুঠোফোনে ০১৯৯০  ০২৫০০৫ নাম্বারে যোগাযোগ করা হলে সে প্রথমে ফোন রিসিভ করে, সাংবাদিক জানার পরে রং নাম্বার বলে লাইন কেটে দেয়।এই বিষয়ে ভিন্ন নাম্বরে জানতে চাইলে থানায় যেতে বলে এবং থানায় গেলে গাড়ী ভাড়াও দেবে বলে সে জানায়।

জানা গেছে, সে ভুলু মাঝির জুয়ার আসর সহ চানখালীমুখ ও ইপিজেড গেইটের মুখে মন্দিরের পাশে এই মহামারী করোনাকালে কয়েকটি জুয়ার আসর পরিচালনা করে আসছে।বরিশালের জনৈক মামুনের মাধ্যমে সে এসব জুয়ার আসর চালাচ্ছে । তার অধীনে বন্দরটিলা উত্তরা ব্যাংকের উপরে মেসেজ পার্লারের আড়ালে অসামাজিক কার্যকলাপ চালানোর জন্য সে একটি অফিস খুলেছে।জনৈক আলী এটি পরিচালনা করে থাকে। আবাসিক বাড়ী ভাড়ার নামে তার রয়েছে বেশ কয়েকটি মিনি পতিতালয়, মদ ও ইয়াবা আসক্তদের নিরাপদ ঘরে আশ্রয় দিয়ে দিন দিন চাঁদা আদায় করে থাকে।ইপিজেড থানার ওয়ারেন্ট প্রাপ্ত আসামীরা তার কারণে গ্রেফতার হচ্ছে না বলে গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে।ওয়ারেন্ট প্রাপ্ত আসামীদের গ্রেফতার এড়ানোর শর্তে সে সকল আসামীদের কাছ থেকে মাসোহারা নিয়ে থাকে।যা পুলিশকে ফাঁকি দিয়ে সে এই কাজে লিপ্ত রয়েছে।এইজন্য অনেক সৎ ও দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তা কোন ওয়ারেন্ট প্রাপ্ত আসামীকে গ্রেফতার করতে চাইলেও তা পারেনা।  জুট পাচারকারী, ইয়াবা ব্যবসায়ী ও হুণ্ডি ব্যবসায়ীদের  প্রধান আশ্রয় দাতা হিসেবে থানার ক্যাশিয়ার নামধারী এই সুলতান  ইপিজেড থানায় পুলিশের নামেই কাজ চালিয়ে আসছে।তার এক ভাই ইপিজেড থানার জাতীয় শ্রমিক লীগের সহ সভাপতি বলে পরিচয় দেয়।

এদিকে, ইপিজেড থানায় ৪০০টির অধিক অবৈধ টেক্সি রয়েছে।ওই সব গাড়ী থেকে প্রতিদিন ১০০টাকা ও  মাসে প্রতি গাড়ী থেকে ৪০০টাকা আদায় করে থাকে।নুরুল ইসলাম খন্দকার নামক এক ব্যাক্তি সুলতানের হয়ে কাজ করে থাকে।পোনা মাছ ব্যাপারী ও চোরাই তেল ব্যবসায়ী থেকেও সে চাদাঁবাজী করে থাকে।রাস্তার হকারেরাও তার থেকে রেহাই পায় না। হকারদের কাছ থেকে চাদাঁ না পেলে সে জোর পূর্বক টেনেহেচেড়ে থানায় নিয়ে যায় । মোটা অংক নিয়ে তারপর দৈনিক চাদাঁর চুক্তি করে হকারদের রাস্তায় ব্যবসা করার সুযোগ দিয়ে থাকে।ফলে ইপিজেড এলাকায় হরখামেশা যানজট লেগেই থাকে।   তা ছাড়া ইপিজেড এলাকায় যে সব দোকান সন্ধ্যা ৭টার পর খোলা থাকে সেসব দোকানদার মাসে ৩০০০ টাকা করে সুলতানকে চাঁদা দিতে হয়।ইব্রাহিম সহ তার কয়েকজন লোক রয়েছে তারা এইসব দোকান থেকে  চাঁদাবাজিতে লিপ্ত।

শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply