বাংলাদেশ, শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, ৩০শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

কানেকটিকাটে মুসল্লিদের ওপর হামলার ঘটনায় পুলিশে অভিযোগ

বাংলা প্রেস, নিউ ইয়র্ক
যুক্তরাষ্ট্রের কানেকটিকাট অঙ্গরাজ্যের ম্যানচেস্টারে বায়তুল মামুর মসজিদে কমিটির কতিপয় সদস্য কর্তৃক নিরীহ মুসল্লিদের ওপর অতর্কিত হামলার ঘটনায় পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছেন হামলার শিকার মুসল্লিরা। গত ২৬ জুন (শুক্রবার) বিকেলে তিন বছর মেয়াদি নতুন কমিটি গঠন করার সময় মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে ‘শয়তান’ বলাকে কেন্দ্র করে কমিটির সদস্য ও মুসল্লিদের মাঝে হট্টগোল ও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছিল। ঘটনার কয়েকদিন পর হামলার শিকার কয়েকজন মুসল্লি সম্মিলিতভাবে স্থানীয় ম্যানচেস্টার পুলিশ প্রধানের বরাবরে একটি আবেদন করেন। বিষয়টি পুলিশ তদন্ত করছে বলে জানা গেছে।মার্কিন সংবাদমাধ্যম বাংলা প্রেস এ খবর জানিয়েছে।
পুলিশের কাছে দায়ের করা অভিযোগে ভুক্তভোগীরা উল্লেখ করেন গত ২৬ জুন (শুক্রবার) বিকেলে ম্যানচেস্টারে বায়তুল মামুর মসজিদে কমিটির তিন বছর মেয়াদি নতুন কমিটি গঠন করার সময় মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে ‘শয়তান’ বলে গালি দেওয়া হয়। এ কথায় প্রতিবাদ করতে গেলে কতিপয় সদস্য তাদের ওপর চড়াও হয়ে মারতে উদ্যোত হন। এ ঘটনার পর থেকে তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। হামলাকারিদের নাম উল্লেখ করে তারা পুলিশের সহযোগিতা কামনা করেছেন। বর্তমানে বিষয়টি পুলিশ তদন্ত করছে বলে ভুক্তভোগিরা জানান।
গত ১ জুলাই শুক্রবার সন্ধ্যায় মসজিদে কমিটির ট্রাস্টি বোর্ডের অন্যতম সদস্য নাজমুল ফারুক ও সদস্য জাহাঙ্গির হোসেনের নেতৃত্বে বর্তমান সাধারন সম্পাদক আসিক রহমান, অ্যাড. সালেহ উদ্দিন ও সাদেক নজরুলকে সাথে নিয়ে বিষয়টি মিমাংসার লক্ষ্যে পুলিশে অভিযোগকারি ভুক্তভোগীদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। আলোচনা শেষে ভুক্তভোগিদের পক্ষ থেকে হারুন আহমেদ তিনটি শর্ত আরোপ করেন। শর্তগুলো হলো বর্তমান কমিটি ভেঙ্গে দিতে হবে, মসজিদের গঠনতন্ত্রের সংশোধন এবং মুসল্লিদের শয়তান বলার জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনা। অপর পক্ষের মতামতের জন্য মিমাংসার প্রস্তাবকারীগণ ২ দিনের সময় নিয়েছিলেন, কিন্তু এক দিনের মাথায় তারা নিজেদের ব্যর্থতা স্বীকার করে বলেন, আমরা মিমাংসার উদ্যোগ নিয়েছিলাম কিন্তু ব্যর্থ হয়েছি। এখন আপনাদের প্রক্রিয়া মত কাজ  চালিয়ে যান।
উল্লেখ্য, ম্যানচেস্টারে বায়তুল মামুর মসজিদ কমিটির তিন বছর মেয়াদি নতুন কমিটি গঠনের করার জন্য গত ২৬ জুন (শুক্রবার) বিকেলে সাধারন সভা আহবান করা হয়। বাদ আছর সভা শুরু হলে মসজিদ কমিটির সাধারন সম্পাদক আশিক রহমান শান্তিপূর্ণভাবেই সভা পরিচালনা করছিলেন। মাগরিব নামাজের পুর্ব পযর্ন্ত কোন প্রকার সমস্যা দেখা যায়নি।বাদ মাগরিব আবারো সভা কার্য শুরু হয়। মুসল্লিদের পক্ষ থেকে চাঁদা ভিত্তিক মসজিদের সদস্য ভোটারের মেয়াদ ৩ বছর থেকে ১ বছর করে সংবিধানের কিছু নিয়মকানুন পরিবর্তনের দাবি উঠে। এ প্রস্তাবটির পক্ষে উপস্থিত মুসল্লিদের শতকরা ৯৫ ভাগ মুসল্লি তাদের সমর্থন দিলেও কমিটির কোষাধ্যক্ষ পদধারী তারেক আম্বিয়া ও তার ভাই তৌফিফুল আম্বিয়ার সমর্থক ও নিকটাত্মীয়রা উক্ত প্রস্তাবটির বিপক্ষে অবস্থান নেন বলে প্রত্যক্ষদর্শী মুসল্লিরা জানান। উক্ত সাধারন সভায় সংবিধান সংশোধন ও সংবিধান বহির্ভুত কাযর্ক্রমের উপর মুসল্লিগণ বিভিন্ন প্রশ্ন করেন। মুসল্লিগণের প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে না পারায় তারেক আম্বিয়ার ইশারায় তার চাচাত ভাই মইনুল,এনাম,নাজমুল প্রশ্নকারিদেরকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করে নাজেহাল করে তোলেন। মইনুল ইসলাম এক পর্যায়ে মুস্ললিদের উদ্দেশ্যে বলেন, এখানে অনেক শয়তানও আছে। তার কথা অন্য সদস্য/ মুসল্লি হারুন আহমেদের কানে গেলে তিনি পাল্টা জবাব দেন। উপয় পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। মারমুখি হয়ে আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণের চেষ্টা চলে উভয় পক্ষে। এক পর্যায়ে প্রচুর হট্টগোল শুরু হয়। হামলা ও হট্টগোলের সময় মসজিদে বাংলাদেশি আমেরিকান অ্যাশোশিয়েশন অব কানেকটিকাট (বাক) এর বেশ কিছু কর্মকর্তাদের দেখা গেছে। ইতিপূর্বে মসজিদ কমিটির সাধারন সভায় বেশ কয়েকবার বাক-এর এসব কর্মকর্তাদেরকে হট্টগোল করার জন্য কেবা-কারা ভাড়া করে এনেছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।
মসজিদ কমিটির সদস্য/ মুসল্লি হারুন আহমেদ ও সরকার মামুন জানান, কমিটির কোষাধ্যক্ষ তারেক আম্বিয়া ও তৌফিফুল আম্বিয়ার তাদের চাচাত ভাই মইনুল,নাজমুল ও এনাম উক্ত শান্তিপূর্ণ সভায় বিশৃংখলার সৃষ্টি করেন এবং বাংলা সিনেমার খল নায়কদের মতো দুই দফা মুসল্লিদের উপর আক্রমণ করেন। এতে মুসল্লিগন খিপ্ত হয়ে ওঠেন। অবস্থা বেগতিক দেখে তারেক-টিপু তাদের লাঠিয়াল চাচাত ভাইদেরকে মসজিদ থেকে পালিয়ে যেতে সাহায্য করেন। কমিটির সাধারন সম্পাদক আশিক রহমান হট্টগোল থামানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। পরে অন্যান্যদের সহায়তায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। কমিটি গঠনের এ সভা ভুন্ডুল হলেও অধিকাংশ মুসল্লিদের অনুপস্থিতিতেই জোরপুর্বক এবং অবৈধভাবে আগামী ৩ বছরের জন্য নতুন কমিটি গঠন করা হয়।
মসজিদ কমিটির সাধারন সম্পাদক আশিক রহমানের কাছে শুক্রবারের উক্ত ঘটনার বর্ণনা জানতে চাওয়া হলে তিনি অপ্রীতিকর ঘটনার কথা স্বীকার করে বলেন, উক্ত ঘটনার জন্য তিনিই দায়ী। কারন পদাধিকার বলে তিনি উক্ত সভাটি পরিচালনা করছিলেন। সভার কার্য চলাকালীন সময় দুই গ্রুপের লোকজনই উপস্থিত ছিলেন। এক সময় মইনুল ইসলাম নামের এক মুসল্লি/সদস্য বলে ওঠেন, এখানে অনেক শয়তানও আছে। এর পাল্টা জবাব দিতে গিয়ে সদস্য/ মুসল্লি হারুন আহমেদ বলেন শয়তান তোমাদের মধ্যেও রয়েছে। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে হট্টগোল শুরু হয় এবং উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।মারমুখি হয়ে আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণের চেষ্টা চলে উভয় পক্ষে। এক পর্যায়ে প্রচুর হট্টগোল শুরু হয়। তবে তিনি হট্টগোল থামানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছেন বলে নিজেকেই দায়ী মনে করছেন।
আশিক রহমান আরো জানান, আগামী তিন বছরের জন্য নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। শুধুমাত্র নতুন ২জন সদস্যের বদলে নতুন ২জন সদস্যকে অন্তর্ভুক্তি করা হয়েছে। এরা হলেন হাবিবুর রহমান ও নাসিমুল করিম বাবু। আর বাকি সব সদস্যই আগের কমিটির। তারা পুর্বের স্ব স্ব পদেই আছেন। তবে এবারে তিনি সাধারন সম্পাদক পদে থাকতে একাবারেই রাজি ছিলেন না। অনেকেরই জোর আপত্তির ফলে তিনি পুনঃরায় স্বপদেই বহাল রয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, একসঙ্গে সমাজে বসবাস করতে গেলে টুকটাক অনেক ঘটনাই ঘটে থাকে। এর আগেও মসজিদে কিছু অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। তবে সবচেয়ে দুঃখজনক ঘটনা হলো কমিটির কোষাধ্যক্ষ কর্তৃক সাবেক ইমাম জুবায়ের আহমেদকে লাঞ্ছিত করার ঘটনা। এ ঘটনা শোনার পর তিনি চোখের পানিকে ধরে রাখতে পারেননি। তিনি কেঁদেছেন। সাবেক ইমামের কাছে কোষাধ্যক্ষ তারেক আম্বিয়ার কয়েক দফা ক্ষমা প্রার্থনার মধ্য দিয়ে উক্ত ঘটনাটির পরিসমাপ্তি ঘটেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
গত শুক্রবারের ঘটনা প্রসঙ্গে মসজিদ কমিটির সভাপতি নুরুল ইসলামের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, শুক্রবার কমিটির সভা চলাকালে তেমন কোন ঘটনা ঘটেনি। এটা ছোটখাট ঘটনা। সংবিধানের কিছু নিয়ম-কানুন পরিবর্তনের দাবি উঠলে দুই গ্রুপের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও ধস্তাধস্তি হয়েছে। তেমন কিছু না। নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
মসজিদ কমিটির অন্যতম সদস্য মারুফ হোসেন বলেন, সংবিধানের ৪নং অনুচ্ছেদের ‘এ’ অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে যে সমস্ত মুসল্লিগণ সুদ,জুয়া,মদসহ হারাম পণ্য বেচাকেনার ব্যবসা সাথে জড়িত তারা কখনই ইমামতি, কমিটির সদস্যপদ কার্যকরী কমিটির সদস্য এবং ট্রাস্টি বোর্ডে থাকার যোগ্যতা রাখেনা। কিন্তু সংবিধানের এ ধারার নিয়ম উপেক্ষা করে আগামী ৩ বছর এর জন্য আবারও জোরপুবর্ক একটি অবৈধ কমিটি গঠন করেন। সুদের ব্যবসায় জড়িত তারেক আম্বিয়া যে গত ১৫ বছর ধরে ক্যাশিয়ার পদে বহাল রয়েছে। তিনি যে কোন কিছুর বিনিময়ে এই পদে থাকতে চায়। এ কমিটি সম্পুর্ন রুপে মসজিদের সংবিধান এবং কোরআন হাদিস বহির্ভুত অবৈধ কমিটি বলে সাধারন মুসল্লিগণ মনে করছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
মারুফ আরো উল্লেখ করেন, মসজিদের সুচনালগ্নে এশিয়ান গ্রোসারির বেসমেন্ট থেকে প্রথম শুরু হয় ধর্মীয় নানা কার্যক্রম। এ সময় হারুন আহমেদ,জাহেদ চৌধুরী লিটন,দরুদ মিয়া, শরিফুল ইসলাম হেলাল, নজরুল ইসলাম সাদেক এবং সাবেক ইমাম আনোয়ার হোসেনসহ অনেকেই মসজিদ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহন করেন। ম্যানচেস্টারের অরেন্জ হলের এক অনুষ্ঠানে এশিয়ান গ্রোসারির সাবেক মালিক শরিফুল ইসলাম হেলালের মা প্রথম ১০০ ডলার দান করে মসজিদ প্রতিষ্টার সুচনা করেন। মসজিদ প্রতিষ্ঠার পরে বর্তমান কমিটির লোকজন বিভিন্ন সুকৌশলে প্রতিষ্টালগ্নের কর্মকর্তাদের কমিটি থেকে বাদ দেন এবং বিভিন্ন শরিযত বিরোধী কার্যকলাপের কারণে অনেকে স্বেচ্ছায় কমিটির পদ ছেড়ে দেন। বতর্মান কমিটির নিকট সংবিধানের কিছু অনৈসলামিক এবং অসংলগ্ন বিষয় সংশোধনের জন্য গত ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে সাধারন সভায় লিখিত ভাবে ৮৩ জনের স্বাক্ষরিত একটি আবেদন দাখিল করা হয়। সকলের পক্ষ্যে সরকার মামুন আবেদনটি পড়ে শোনান। ওই সময় তারেক আম্বিয়ার ইশারায় তার চাচাত ভাই এনাম ও মিঠু কমিটির সদস্য/মুসল্লি সরকার মামুনকে ধমক দেন এবং মসজিদের বাইরে পার্কিং লটে ‘দেখে নেব’ বলে হুমকি প্রদর্শন করেন। তাদের সন্ত্রাসী আচরনের জন্য জিলু আহমেদের হস্তক্ষেপে এনাম ও মিঠুকে সভা থেকে বের করে দেয়া হয়। তাদের এহেন কাযর্ক্রমে সাধারন মুসল্লিগণ সর্বদাই ভিতসন্ত্রস্ত অবস্থায় থাকেন।
পরবর্তী সভায় তারেক আম্বিয়া ও তার লোকজন আর এ ধরনের কার্যকলাপ করবেন না এবং আগামীতে বিরত থাকবেন বলে সাধারন মুসল্লিগণকে আশ্বাস দেওয়া হয়। কিন্তু সেই পরিবেশ তৈরি করতে ব্যর্থ হয়েছেন বর্তমান কমিটি।
উল্লেখ্য, একই মসজিদে এর আগেও কয়েক দফা অপ্রীতিকর ঘটনাসহ কোষাধ্যক্ষের হাতে মসজিদের ইমাম লাঞ্ছিত হবার ঘটনা ঘটেছে। গত বছর ১২ অক্টোবর মসজিদ কমিটির বর্তমান কোষাধ্যক্ষ তারেক আম্বিয়া সাবেক পেশ ইমাম জোবায়ের আহমেদকে অকারণে লাঞ্ছিত করেন। উক্ত ঘটনাটি কানেকটিকাটসহ উত্তর আমেরিকায় ব্যাপকভাবে প্রচার হলে বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ মুসলমান কমিউনিটিতে প্রচুর সাড়া পড়ে। অনেকেই এ ঘটনার নিন্দা প্রকাশ করেন।
২০১৯ সালের ১২ অক্টোবর সকাল ১০টার দিকে বায়তুল মামুর মসজিদের পেশ ইমাম ও মাদ্রাসা শিক্ষক মাওলানা জোবায়ের আহমেদ প্রতি সপ্তাহের ন্যায় মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের ক্লাশ করাচ্ছিলেন। মাদ্রাসার নিয়ম অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ছাত্র-ছাত্রীদের ক্লাসে আসার কথা থাকলেও প্রায় ১৫/২০ মিনিট বিলম্বে নিজ সন্তানকে নিয়ে আসেন মসজিদ কমিটির কোষাধ্যক্ষ তারেক আম্বিয়া। তিনি দরজার কড়া নাড়তে থাকেন। ভেতর ক্লাশ চলছিল তাই কড়ার শব্দ বুঝতে পারেননি ইমাম জোবায়ের আহমেদ। দরজা খুলতে দেরি হওয়ায় ইমামের উপর ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন তারেক আম্বিয়া। অকথ্য ভাষায় গালাগালি করতে থাকেন ইমামকে।ইমাম তাকে ভদ্রভাবে কথার বলার অনুরোধ করলে তিনি আরো ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন, এক পর্যায়ে তারেক ইমামকে পশুর সঙ্গে তুলনা করেন। এর কারণে ইমাম জোবায়ের আহমেদ চরম লাঞ্ছিতবোধ করেন। মনকষ্ট নিয়ে নিজ বাসায় ফিরে যান ইমাম। ওইদিন থেকে তিনি আর মসজিদে আসেননি। পরে অন্য আরেকজন ইমামকে নিয়োগ দেওয়া হয়।
মসজিদ কমিটির বর্তমান কোষাধ্যক্ষ তারেক আম্বিয়ার ভাই তৌফিফুল আম্বিয়া টিপু তার একটি ফেসবুক পোষ্টের মাধ্যমেও ম্যানচেস্টার প্রবাসী বাংলাদেশি মুসল্লিদেরকে ‘শয়তান’ বলে গালাগালি করেন। নিচে তার ফেসবুক পোষ্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো।

 

শেয়ার করুনঃ

আরো খবর

Leave a Reply