বাংলাদেশ, শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, ২৪শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

পাবনায় পল্লী বিদ্যুতের ভুতুড়ে বিলে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস

আলাউদ্দিন হোসেন,পাবনা
পাবনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর দাশুড়িয়া জোনাল অফিসের আওতাধীন পাবনা সদর উপজেলার হিমায়েতপুর ইউনিয়নে অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিলের অভিযোগ করেছে ওই এলাকার ভুক্তভোগী গ্রাহকরা। করোনাকালে এরুপ অস্বাভাবিক ভুতুড়ে বিলে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে হিমায়েতপুর ইউনিয়নের চরবাঙ্গাবাড়িয়ায় বেশকিছু গ্রাহকের মে মাসের বিদ্যুৎ বিলে ব্যাপক অসঙ্গতি লক্ষ্য করা গেছে। বিদ্যুৎ বিলে দেখা গেছে বিগত প্রায় ৮ মাসে যে গ্রাহক মাসিক এক হাজার থেকে সর্বোচ্চ এক হাজার চারশত টাকা বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করেছেন তার মে মাসের বিদ্যুৎ বিল এসেছে প্রায় সাড়ে তিন হাজার টাকা। আবার যে গ্রাহক মাসিক সর্বোচ্চ চারশত টাকা বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করে আসছে তার মে মাসের বিল এসেছে এক হাজার টাকার উপরে। ওই এলাকার একজন গ্রাহকের গত ফেব্রুয়ারি, মার্চ ও এপ্রিল মাসের বিদ্যুত বিলের পরিমান ছিল যথাক্রমে ১৩০৬, ১৩৭৪ এবং ১৪৩৭ টাকা। অথচ মে মাসে তার বিদ্যুত বিল দাড়িয়েছে ৩,৪৬২ টাকা। করোনা পরিস্থিতিতে কর্মহীন এ সকল দরিদ্র মানুষের উপর যা “মরার উপর খাঁরার ঘাঁ” হয়ে দাড়িয়েছে। পাবনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বিরুদ্ধে ডিজিটাল কারচুপির অভিযোগ তুলে এমন খামখেয়ালী আচরণে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এসব সাধারণ বিদ্যুৎ গ্রাহকরা।
করোনাকালে যখন বর্তমান সরকার সকল ক্ষেত্রে জনগণের দুঃখ দূর্দশা ও অর্থনৈতিক সমস্যা সমাধানে সর্বোত্তভাবে কাজ করে যাচ্ছে তখন পল্লী বিদ্যুত সমিতির এরকম গ্রাহক হয়রানীমূলক কর্মকান্ড সরকারের ভাবমুর্তি ও উনśয়ন কর্মকান্ডকে প্রশ্নবিদ্ধ করবে বলে অভিমত সচেতন মহলের।
এবিষয়ে জানতে চাইলে দাশুড়িয়া জোনাল অফিসের ডিজিএম জানান, করোনার কারণে বিগত দুই থেকে তিন মাস গ্রাহকের পূর্ববর্তী সময়ের বিদ্যুৎ ব্যবহারের উপর ভিত্তি করে আনুমানিক গড় বিল প্রদান করা হয়েছে। যার ফলে বিদ্যুৎ বিলে কিছুটা অসঙ্গতি থাকতে পারে। তবে কারো বিলে কোন প্রকার ভুল থাকলে বা কেউ অভিযোগ করলে তা সংশোধন/সমন্বয়ের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান পল্লী বিদ্যুতের এ কর্মকর্তা।

শেয়ার করুনঃ

আরো খবর

Leave a Reply