বাংলাদেশ, মঙ্গলবার, ৪ঠা আগস্ট, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, ২০শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

কিস্তির জন্য বাড়ি গিয়ে বসে আছেন এনজিও কর্মীরা

করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতিতে জুন পর্যন্ত সব এনজিওর কিস্তি আদায় কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। কিন্তু সেই নির্দেশনা অমান্য করে বায়েজীদ থানার বালুচরা এলাকায় কিস্তি আদায়ের জন্য গ্রাহকদের চাপ দেয়া হচ্ছে। কিস্তি আদায়ের জন্য গ্রাহকদের বাড়িতে গিয়ে বসে থাকা ও হুমকি প্রদানের অভিযোগও পাওয়া গেছে। অথচ আয় ও ব্যবসা বন্ধ থাকায় কিস্তি দেয়া নিয়ে বিড়ম্বনায় পড়েছেন গ্রাহকরা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায় বায়েজীদ থানাধীন প্রত্যাশী ব্যাংকের মাঠপর্যায়ের কর্মী কিস্তি আদায়ের জন্য গ্রাহকদের চাপ দিচ্ছেন। অনেকের কাছ থেকে কিস্তি আদায় করেছেনও। বায়েজীদ থানার বেশ কয়েকটি স্থানে গ্রাহকদের কিস্তির টাকা পরিশোধের জন্য দোকানে ও বাড়িতে গিয়ে দিয়ে চাপ দিচ্ছেন এনজিও কর্মকর্তারা। আবার সময়মতো কিস্তি পরিশোধের জন্য ফোন করছে কোনো কোনো সংস্থা। বায়েজীদ থানাধীন প্রত্যাশীর সদস্য পারুল রুদ্র জানান, স্বাভাবিক সময়ে আমার স্বামী প্রতিদিন ব্যবসা করে সংসার খরচ ও সপ্তাহে ১৫০০ টাকা কিস্তি পরিশোধ করেছি। প্রায় দুই মাস করোনাভাইরাসের কারণে এনজিওর কিস্তি বন্ধ ছিল। কিন্তু ঈদের পর থেকে এনজিও সংস্থা প্রত্যাশী কিস্তির টাকা পরিশোধের জন্য চাপ দেয়া শুরু করেছে। বালুচরা এলাকার পোশাক শ্রমিক পিন্কি বলেন, লকডাউনের জন্য আমার কর্মস্হল মাদার ফ্যাশন গার্মেন্ট বন্ধ থাকার কারণে আমার আয়-রোজগার বন্ধ হয়ে গেছে। এর মধ্যে বেশ কয়েকদিন ধরে প্রতাশীর কর্মীরা কিস্তির জন্য বাসায় এসে চাপ দিচ্ছেন। এর সত্যতা যাচাই করতে প্রত্যাশি সমিতির (অক্সিজেন ব্রাঞ্চ) ম্যানেজার শফি এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি এটা অসত্য বলেন এবং তিনি আরো বলেন এই বিষয়ের জন্য সাংবাদিকরা তাকে বিরক্ত করে যাচ্ছেন যারা কিনা বিভিন্ন চ্যানেল বা পত্রিকার কর্মরত এবং তিনি আরো এ রকম চলতে থাকলে তিনি ভুক্তভোগীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবো এই প্রতিনিধি জানান।

শেয়ার করুনঃ

আরো খবর

Leave a Reply