বাংলাদেশ, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২০, ৩০ আষাঢ়, ১৪২৭

এমএ রশিদের ঈদ কাটলো রোগি পরিবহণ সেবায়

এমএ রশিদ ঈদ শুভেচ্ছাও জানালেন আনোয়ারাসীকে

রোগি পরিবহণ সেবায় প্রচণ্ড ব্যস্ত থাকার পরেও এমএ রশিদ ঈদ শুভেচ্ছা জানাতেও ভুলেননি আনোয়ারাসীকে।ঈদের আগের দিন ও পরবর্তী ২দিন এমনকি ঈদের দিন গভীর রাতেও আওয়ামী লীগ নেতা এমএ রশিদ রোগীদের আত্মীয় স্বজন ও রোগী সংশ্লিষ্টদের ফোন রিসিভ ও পরিবহণের জন্য গাড়ীর ব্যবস্তা করে দিতে গিয়ে সময় গড়িয়ে গেছে অনেক।তবু তিনি আনোয়ারাবাসীকে ঈদ শুভেচ্ছা জানিয়ে  এক বিবৃতি দেন।বিবৃতিতে তিনি মরহুম আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবুকে স্মরণ করে তার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং মাননীয় ভুমি মন্ত্রীর পক্ষে আনোয়ারাবাসী ও রেমিটেন্স যোদ্ধাদের ঈদের শুভেচ্ছা জানান।তিনি বিবৃতিতে সকলের সুস্হতা কামনা করেন।

তিনি বিবৃতিতে আরো বলেন, প্রিয় আনোয়ারাবাসী- আপনারা ঘরে থেকে ঈদ উৎসব পালন করুন। আপনাদের হয়ে আমরা আছি মাঠে। করোনাকালে স্বাস্হ্যবিধি মেনে চলুন ও যতদূর সম্ভব অসহায় ও সাধারণ মানুষের পাশে থাকুন।লকডাউন শুরু থেকে এই পর্যন্ত আমি মাঠে এবং করোনাকাল শেষ না হওয়া পর্যন্ত মাঠে থাকব ইনশাল্লাহ।এই মহৎ কাজে আনোয়ারাবাসীর সার্বিক সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করছি।

এদিকে আমাদের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ঈদের দিন গভীর রাত দুইটার সময় রাশেদ তার ভগ্নিপতি গহিরায় স্ট্রোক করেছে জানিয়ে ফোন দেয় এমএ রশিদকে।তিনি ফোন পেয়ে ওই রোগীকে যথাদ্রুত চট্টগ্রাম মেডিকেলে পৌছে দেন । যা ২৫মে রাতের ঘটনা।ওই রোগী এখনো চট্টগ্রাম মেডিকেলে চিকিৎসাধীন আছেন বলে জানা গেছে।গহিরা ওই রোগী হলো জনৈক ইব্রাহিম ।একই দিন আরেকজন ডেলিভারি রোগী ছিল বোয়ালিয়ার শেখ মোহাম্মদ এর স্ত্রী তার একজন পুত্র সন্তানও হয়েছে।

আজ ২৭ মে  বটতলী ইউনিয়ন এর আইর মঙ্গল গ্রামের মোহাম্মদ হোসেন (৫৫)  ক্যান্সার রোগী  এবং বারশত নিওনের দুধকুমড়া গ্রামের সোহেল ফোন দিলে তার জেঠিকে চট্টগ্রাম মেডিকেলে পৌছাতে হয়।এইভাবে এমএ রশিদ ঈদের আগে ও পরে পরিবহণ সংকটে রোগীদের কল্যাণে অপূর্ব মানবতার কাজে  বিজড়িত ছিলেন।ইতিপৃর্বে সর্বশেষ তথ্য জানা গেছে, ২শত ছুঁইছুঁই রোগীকে তিনি পরিবহণ সেবা দেন।যা সত্যই চট্টগ্রাম তথা দেশের ইতিহাসে আমাদের জানামতে প্রথম।

প্রসংগত   ইতিপূর্বে ত্রাণ,  ঈফতার, ঈদ সামগ্রী বিলি, মসজিদ ও সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বা্স্হ্য সুরক্ষা সামগ্রি প্রদান,  আনোয়ারার করোনায় মৃতদের লাশ দাফনের  জন্য  ৭০ লাখ টাকার অধিক পৈত্রিক জমি কবরস্হানের জন্য দানের ঘোষনা এলাকাবাসীকে অভিভুত করেছে।অনেক বিত্তশালী ও ধনী লোকদের আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন কীভাবে দুঃসময়ে মানুষের পাশে থাকতে হয়।কখন করোনাকাল শেষ হবে কেউ না জানলেও একদিন কিন্তু এই করোনাকাল শেষ হবে তখন কিন্তু মানুষ  স্মরণ ও সম্মাণ করবে এমএ রশিদকে।কারণ এমএ রশিদ আত্মকেন্দ্রিক ছিলেন না, ছিলেন মানুষেরই পাশে।কারো কারো মতে এইকালের মুক্তিযোদ্ধা বটে।

 

 

 

শেয়ার করুনঃ

আরো খবর

Leave a Reply