বাংলাদেশ, বুধবার, ২৭শে মে, ২০২০ ইং, ১৩ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

আনোয়ারায় এমএ রশিদের রোগী পরিবহণ সেবায় ৩৪ সন্তানের জন্ম

করোনায় পরিবহণ সংকটকালে আনোয়ারায়  রোগিরা যখন কষ্ট পাচ্ছিল তখন থেকেই আওয়ামী লীগ নেতা এম এ রশিদ তার নিজের নোহা গাড়ীটি রোগীদের যাতায়াতের সেবায় 

ব্যবহারের সুযোগ দেয়। সেই লকডাউন থেকে শুরু করে আজ অবধি তিনি অন্যান্য সেবার সাথে রোগী পরিবহণ সেবা অব্যাহত রেখেছেন।বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত রোগীদের সাথে ডেলিভারী ও দূর্ঘটনায় পতিত আহতরাও এই সুবিধা পেয়ে আসছেন।আমাদের অনুসন্ধানে বিভিন্নজন ও সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে এইসব তথ্য পাওয়া গেছে ।

রোগী সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তি ও বিভিন্ন সুত্রে প্রাপ্ত তথ্য জানা গেছে , এই  রিপোর্ট লেখাকালীন সময় পর্যন্ত ২০ জন ছেলে ও ১৪ মেয়ে ডেলিভারী রোগী থেকে সন্তান ভুমিষ্ট হয়। তাদের ঠিকানা আনোয়ারার বিভিন্ন গ্রামে। রোগী পরিবহণ সংখ্যা ২০০ জন ছুই ছুই।ক্যান্সার, ডায়াবেটিক, হার্ট, রক্তশূন্যতা, পা হাটা জনিত বিভিন্ন রোগী ছিল এসব জনের মধ্যে।ঝগড়াঝাটিতে কিংবা দূর্ঘটনায় আহতেরা এই সেবা পান।

খবর পাওয়া গেছে, করোনা সংকটের শুরুতেই ত্রাণ ও স্বাস্হ্য সুরক্ষা সামগি বিলি করে করোনা যুদ্ধে মাঠে নামেন এমএ রশিদ।সেই সময় পরিবহণ সংকটে রোগীদের পাশে থাকার জন্য পরিবহণ সেবাও দিতে থাকে তিনি।মাঝে মাঝে নিজ গাড়ী ছাড়াও অন্য গাড়ীও ভাড়া করে দিতে হয়েছে তাকে।তাতেও তিনি সেবা দিতে পিছ পা হননি।ইতিমধ্যে নিজ এলাকাসহ পরিচিতমহলে ঈদ উপহার পৌছেঁ দিচ্ছেন তিনি।

সর্বশেষ করোনা ভাইরাসে গোটা আনোয়ারার কারো করুন মৃত্যে হলে ওই মৃত ব্যাক্তির লাশ দাফনে কোন অসুবিধা হলে তাদের জন্য তিনি কবরস্হানের ঘোষনাও দেন।পৈত্রিক সুত্রে পাওয়া ওই কবরস্হানটি ২০শতক ও স্হানীর বাজার মূল্যে ৭০ লাখেরও বেশী।

প্রসংগত এমএ রশিদ আনোয়ারা উপজেলার পশ্চিমচাল গ্রামের অধিবাসী।তিনি আনোয়ারা থানা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সদস্য।চট্টগ্রাম সমিতির আজীবন সদস্য সহ বহু সামাজিক ও সেবামূলক সংগঠনের সাথে তিনি জড়িত।

 

শেয়ার করুনঃ

আরো খবর

Leave a Reply