বাংলাদেশ, বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২০ ইং, ২৫শে আষাঢ়, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

রেজাউল করিমের সহায়তা পৌঁছে যাচ্ছে অসহায় মানুষের ঘরে ঘরে

এস.ডি.জীবন

প্রাণঘাতি করোনাভাইরাসের প্রভাবে দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় সাড়া দিয়ে মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও আওয়ামী লীগের চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মনোনীত মেয়র প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল করিম চৌধুরী।

করোনাভাইরাসের বিস্তার রুখে দিতে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল করিম চৌধুরী। অন্য প্রার্থীরা যেখানে সস্তা পাবলিসিটিতে ব্যস্ত, সেখানে রেজাউল কর্মহীন ও দরিদ্রদের ঘরে ঘরে অগোচরে ত্রাণ পৌঁছে দিচ্ছেন।

করোনা মহামারির কারণে ঘরে থাকা মানুষের ঘরে ঘরে গিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা এম.রেজাউল করিম চৌধুরী নিজ হাতে খাদ্যসামগ্রী তুলে ‍দিচ্ছেন। শুধু তাই নয়, নগরীর বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ নিয়ে  নিজে গিয়ে অথবা নিজের বাসায় ডেকে অসহায় মানুষের হাতে খাদ্যসামগ্রী তুলে দিচ্ছেন তিনি।

করোনায় মানুষের আয় রোজগার বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর থেকে তিনি অসহায়, গরীব মানুষের জন্য এই সেবা চালু করেন। নিজ উদ্যোগে ব্যক্তিগত তহবিল থেকে বিভিন্ন এলাকায় এলাকায় গিয়ে অসহায় ও গরীব মানুষের হাতে খাদ্য সামগ্রী তুলে দিচ্ছেন তিনি।
ইতিমধ্যে বিভিন্ন এলাকায় এলাকায় সাধারণ মানুষ, ভিক্ষুক, শ্রমিক, দিনমজুর, রিকসাচালক, থেকে শুরু করে নিম্মবিত্ত ও মধ্যবিত্তরা পেয়েছেন রেজাউল করিম চৌধুরীর খাদ্য সহায়তা। সেই সাথে বিভিন্ন মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিন, মন্দিরের পুরোহিত, প্যাগোডা ও গীর্জায় ও পাঠিয়েছেন খাদ্য সামগ্রী।

তারই ধারাবাহিকতায় সোমবার ৪ মে নগরীর চকবাজারস্থ আদি মা মগদেশ্বরী ও শ্রী শ্রী কৃষ্ণ মন্দির, চকবাজার ফুলতলা জেলে পাড়া, হরিপদ মাষ্টার পাড়া, ফুলতলা বিষ্ণু মন্দির পাড়া, মক্কী কলোনীস্থ অঞ্জনা কলোনী. বাদুরতলা চৌধুরী কলোনীর হিন্দু পাড়ার, পাড়া প্রধান ও সর্দারদের নিজ বাসায় ডেকে পাড়াবাসীদের জন্য খাদ্য সামগ্রী প্রদান করেন তিনি।

রেজাউল করিম বলেন, যে কোন সময়ে মানুষের পাশে থাকা আমার চিরাচরিত স্বভাব। আমি মানুষের জন্য রাজনীতি করি। আর মানুষের জন্য কিছু করতে পারলে আমার নিজের খুব ভালো লাগে। করোনার কারণে গরীব অসহায় মানুষরা খুব কষ্টে আছে। আমি নিজ উদ্দ্যেগে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছি। আমার সাধ্যমতো আমি সহায়তা করে যাবো।

তিনি আরো বলেন, সমাজের সর্বস্তরের মানুষের পাশে দাঁড়াতে বিত্তবানদের আহ্বান জানাচ্ছি। দেশের বিশাল সংখ্যক জনগোষ্ঠীর সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতে ও প্রত্যেকের মুখে খাবার তুলে দিতে সরকারের পাশাপাশি এলাকার বিত্তবানদের ও সচেতন মানুষ কে এগিয়ে আসতে হবে।

বীর মুক্তিযোদ্ধা এম. রেজাউল করিম চৌধুরীর সাথে আলাপ করে জানা যায়, আসলেই একজন ভীষন রকমের প্রচারবিমুখ মানুষ তিনি। তাই হয়তো এই সাদা মনের মানুষটির প্রচারও খুবই কম।১০০টি মুহূর্তের মধ্যে হয়তো ২-৩টি মুহুর্ত ফ্রেমে বন্দি করা হয়,তাও মানুষটির অনিচ্ছায়। কারণ এই ২-৩টি মুহুর্তও যদি ফ্রেম বন্দি না হয়, তাহলে হয়তো এই নগরের মানুষ জানতে বা বুঝতে পারবেনা এই বীর মুক্তিযোদ্ধার অসহায় মানুষের পাশে থাকার এই নীরব যুদ্ধ, যেমনটি সামনে আসেনি অতীতে কোনদিন।

রাজনৈতিক পদ ছাড়া রাজনৈতিক ময়দানের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে কোন রকম নির্বাহী দায়িত্বে না থেকেও মানুষের পাশে থাকায় প্রশংসা কুড়িয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা এম. রেজাউল করিম চৌধুরী।

শেয়ার করুনঃ

আরো খবর

Leave a Reply