বাংলাদেশ, রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২০, ২৮ আষাঢ়, ১৪২৭

প্রসঙ্গঃ ভালো নেই দেশের গণমাধ্যম কর্মীরা 

পৃথিবীর মানচিত্রে যতগুলো দেশ রয়েছে, সবগুলো দেশেই রয়েছে গণমাধ্যম ও গণমাধ্যমকর্মীগণ।
আদিকাল থেকে বিভিন্ন দেশের গণমাধ্যম কর্মীরা যুদ্ধ করে সংবাদ সংগ্রহের কাজ করে আসছে। সংবাদ কর্মীরা সুখে নেই, একথা নতুন নয়!
পৃথিবীর উন্নত দেশগুলোতে সংবাদকর্মীরা মুক্ত স্বাধীন স্বাভাবিক ভাবে জীবন যাবে করে থাকে। আবার অনেক দেশে সাংবাদিকরা অনেক নির্যাতনের শিকার হয়।সংবাদকর্মীরা সংবাদ সংগ্রহের কাজে গিয়ে অনেক সময় মার খায়,বিচার নেই। কে করবে বিচার, কে দিবে অপরাধীদের শাস্তি।
পৃথিবীর মানচিত্রে যতগুলো দেশ রয়েছে তার অধিকাংশ দেশের সংবাদকর্মীরা নির্যাতিত হয় সেই দেশের সরকার দলীয় নেতাকর্মীদের দ্বারা। তাহলে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি কে দিবে?
একটি দেশের অন্যান্য নাগরিক যেভাবে মুক্তমনে স্বাধীন স্বাভাবিক ভাবে জীবন যাপন করেন,সেখানে গণমাধ্যমকর্মীরা কেন অসহায় হয়ে পড়ে, তাদের স্বাধীনতা নাই কেন? তারাও তো স্বয়ংসম্পূর্ণভাবে দেশের নাগরিক।
যে মানুষগুলো সারাদিন জীবনের নিরাপত্তার কথা চিন্তা না করেই রিক্স নিয়ে সংবাদ সংগ্রহ করে, আজ তাদের নেই কোনো নিরাপত্তা, নেই কোনো স্বাধীনতা।
সারা পৃথিবীর উন্নত দেশগুলো,উন্নয়নশীল দেশগুলো সবাই জানে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ নামক একটি দেশ স্বাধীন হয়। আর স্বাধীন দেশের নাগরিকরা স্বাধীনভাবে জীবন যাপন করতে পারে। তারা জানে না যে বাংলাদেশের গণমাধ্যম এখন স্বাধীন হয়নি,নিয়মিত  নিপিড়ন ও নির্যাতন চলে বাংলাদেশ গণমাধ্যমের কর্মীদের উপর।
দেশের বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লেখাপড়া করে আজকের সংবাদকর্মী ও সাংবাদিকরা যেখানে কাজ করছে,সেখানে তাদের নিরাপত্তা নেই কেন,
তারা স্বাধীন নয় কেন। প্রশ্নের উত্তর খুজে পাই না!
কোনো সংবাদ সরকারের বিপক্ষে গেলেই সংবাদপত্র ও সংবাদকর্মীর উপর হামলা,মামলা এমনকি মারধরও হয় অহরহ।
একজম সাংবাদিক কোন অপরাধ করলে দেশের আইনি ব্যবস্থা বলে তার বিচার করার এখতিয়ার আছে,তাকে অপমান করা,লান্সিল করার অধিকার স্বাধীন দেশে কারও নেই।
তবুও কেন দেশে সংবাদকর্মী ও সাংবাদিকরা নিপিড়ীত ও লাঞ্চিত হয়।
যারা লেখালেখি করে দেশের সর্বোপরি খবরাখবর জনগণের নিকট পৌঁছে দেয়,তারা কেনে অবহেলার পাত্র হবে,তারা জনসম্মুখে অপমান হবে।
আর কেনইবা তারা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবে না।
যে দেশের সরকার গণমাধ্যমকে সম্মান দিতে জানে না,সে দেশের সরকার স্বাধীনতা অমান্যকারীদের কাতারে পড়ে।
যে দেশের সরকার গণমাধ্যমকর্মীদের উপর অকারণে নির্যাতন চালায়,সে দেশের সরকার স্বাধীনতা লংঘনকারী।

শেয়ার করুনঃ

আরো খবর

Leave a Reply