বাংলাদেশ, মঙ্গলবার, ২৬শে মে, ২০২০ ইং, ১২ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

গার্মেন্টস কর্মীদের জীবন ঝুঁকি নিয়ে কাল চালু হচ্ছে কেইপিজেড

আরমান হোসেন,আনোয়ারা প্রতিনিধি

করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) মহামারির মধ্যে চালু হতে যাচ্ছে ইয়ংওয়ান কোম্পানির প্রতিষ্ঠান কর্ণফুলী স্যুজ ইন্ডাঃ লিঃ। বিজিএমএ ও সরকারি নির্দেশনা মেনে দুই দফা বন্ধ থাকলেও সীমিত আকারে সুরক্ষা সরঞ্জামাদি তৈরির কাজ চলছিল।

কাল  ২৬ এপ্রিল রবিবার রমজানের মধ্যে পুরোদমে চালু হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে এটি। চট্টগ্রাম আনোয়ারায় অবস্হিত কেইপিজেডে ২৫ হাজারেরও অধিক শ্রমিক কর্মরত রয়েছে।এতে,২০ টির অধিক ফ্লোর রয়েছে। প্রতি ফ্লোরে ১হাজারের অধিক শ্রমিক কাছাকাছি অবস্হান নিয়ে কাজ করে। একসাথে হাজার হাজার শ্রমিক দুপুরের খাবার, অফিসে প্রবেশ করে ও বের হয়।এখানে করোনা রোগির জন্য নেই বিশেষ কোনো চিকিৎসা ব্যবস্হা। করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) ছোঁয়াছে রোগ হওয়ায় মারাত্নক ঝুঁকিতে রয়েছে গার্মেন্টস কর্মীরা।

দেশে এই পর্যন্ত ৪,৬৮৯ জন করোনা রোগি শনাক্ত ও ১৩১ জন এই ভাইরাসে মৃত্যুবরণ করায় সারদেশে ভয়াবহ অবস্হা বিরাজ করছে।অনেক জায়গা লক ডাইন করা হয়েছে ।সন্ধ্যা ৬টার পর চলাচল, গণপরিবহণ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।এই পরিস্হতিতে গার্মেন্টস চালু করলে শ্রমিকরা বিপদে পড়ার শঙ্খা রয়েছে। কেইপিজেডে আনোয়ারা,কর্ণফুলী, বাঁশখালি,পটিয়া,চন্দনাইশ,সাতকানিয়াসহ দূর-দূরান্তের মানুষ কাজ করে।চট্টগ্রামে করোনার হট স্পট খ্যাত সাতকানিয়ার অধিকাংশ মানুষ এতে কাজ করেন যার ফলে করোনা সংক্রমণের বেশি ঝুঁকি রয়েছে।তাছাড়া গণপরিবহণ বন্ধ থাকায় যোগাযোগ সমস্যায় পড়বেন হাজারও শ্রমিক।

ওসমান নামের একজন গার্মেন্টস শ্রমিক জানান, আমরা শ্রমিক বলে আমাদের জীবনের মূল্য নেই!অফিসে সবাই একসাথে কাজ করি,খাবার খায় একজন করোনা রোগি থাকলে সবার মাঝে এটি ছড়িয়ে পড়বে।অফিস চালু করে আমাদের বিপদে ফেলা হচ্ছে। কেইপিজেড সূত্রে জানা যায়, বিজিএমএ ও ইপিজেডের নির্দেশনা মেনে আমরা উৎপাদনে যাচ্ছি।অফিসে হ্যান্ড ওয়াস পাইপ, ফিঙ্গারের হ্যান্ড স্যানিটাইজেশন,মাক্স বিতরণ করে শ্রমিকদের নিরাপত্তা দিয়ে কাজ করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

শেয়ার করুনঃ

আরো খবর

Leave a Reply