বাংলাদেশ, সোমবার, ৬ই এপ্রিল, ২০২০ ইং, ২৩শে চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামের ইপিজেড এলাকায় গ্রীণ ফুড এন্ড রেস্টুরেন্ট এসব কী হচ্ছে?

চট্টগ্রামের ইপিজেড  গ্রীণ ফুড এন্ড রেস্টুরেন্ট নামে চলছে অসামাজিক কাজ । রাজিব ও বাবা সোহাগ নামে দুই ব্যক্তি প্রশাসনের দাপট দেখিয়ে এইটি মিনি পতিতালয় বানিয়ে ইয়াবা বিক্রির আখড়ায় পরিণত করেছে।কিছুদিন পূর্বে ডিসি বন্দর এটি বন্ধ করে দিলেও আবার চালু করেছে ওই রাজীব চক্র। বর্তমানে পুলিশ প্রশাসনকে ম্যানেজ করছে বলে খদ্দেরদেরকে খবর পাঠিয়ে হোটেলে আমন্ত্রণ চালাচ্ছে এমন তথ্য আমাদের অনুসন্ধানে উঠে আসে।ফলে ওই রেস্টুরেন্ট নামের কপি হাউজে স্কুল ও কলেজের ছাত্রীরা ওখানে গিয়ে বিপথে চালিত হচ্ছে বলে অভিভাবকগণের এন্তার অভিযোগ রয়েছে।

খবর নিয়ে জানা গেছে, এটি ইপিজেড থানার ১০০০ গজ  অদূরে ইসলাম প্লাজার  তৃতীয় তলায় কয়েকটি ছোট ছোট কক্ষ সাজিয়ে গ্রীণ ফুড এন্ড রেস্টুরেন্ট নাম দেয়।আদতে এটি কোন খাবার দাবার প্রতিষ্ঠান নয়।নামে  গ্রীণ ফুড এন্ড রেস্টুরেন্ট হলেও এটি একটি মিনি পতিতালয়, ইয়াবাখোর ও পাচারকারীদের নিরাপদ আস্তনা।জানা গেছে, কথিত এই সোহাগ ইতিপূর্বে ইয়াবা সহ বরিশাল ঝালকাটিতে পুলিশের হাতে ধরা পড়ে।হালে, সে আবারো ইয়াবা বিক্রি ও পাচারে লিপ্ত রয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।এই সময় সে বিভিন্ন পত্রিকার নাম পরিচয় দিয়ে নিজেকে সাংবাদিক দাবী করত।

তাদের নিয়ে পূর্বে বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়।এমন একটি রিপোর্ট হুবহু নিম্নে তুলে ধরা হলো।

পিরোজপুরের স্বরূপকাঠিতে  ইয়াবা ট্যাবলেটসহ  ৭১ বাংলাটিভি ও দৈনিক গণজাগরন পত্রিকার চট্টগ্রাম প্রতিনিধি ও তার ক্যামেরাম্যানকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলেন-ঝালকাঠি সদর উপজেলার রমজানকাঠি গ্রামের শাহজাহান সরদারের ছেলে সোহাগ সরদার (৩৫) ও তার ক্যামেরা ম্যান বাগেরহাটের মোড়লগঞ্জ উপজেলার বাড়ৈখালী গ্রামের আব্দুল মোতালেব মিয়ার ছেলে ইব্রাহিম মুন্না (৩৩)।
পিরোজপুর পুলিশ সুত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নেছারাবাদ থানার ভারগ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম তারিকুল ইসলামের নেতৃত্বে এস আই মুজিবর রহমান, এএসআই মোজাম্মেল ও এএসআই নাইমসহ একদল পুলিশ স্বরূপকাঠি পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডের আকলম স্কুলের খেলার মাঠ এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২৫০ পিস ইয়াবাসহ তাদেরকে আটক করে।এ ব্যাপারে ওই দিনই থানায় নিয়মিত মাদক আইনে মামলা রুজু শেষে আসামীদের পিরোজপুর কোর্টে পাঠানো হয়েছে।
নেছারাবাদ থানার ভারগ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম তারিকুল ইসলাম জানান, আসামীদের ব্যবহৃত ক্যামেরা,
মাইক্রোফোন ও আইডি কার্ড জব্দ করা হয়েছে। তারা সাংবাদিকতার পরিচয়ের আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে মাদকের ব্যবসা
চালিয়ে আসছিল।
উল্লেখ্য ,তারা দীর্ঘ দিন ধরে চট্টগ্রামের বন্দর -ইপিজেড ও পতেঙ্গা-হালিশহর এলাকায় অনলাইন টিভি চ্যানেল ,
পত্রিকার কার্ড ব্যবহার করে সাংবাদিক পরিচয়ে মাদক,জুয়া ও পতিতাবৃত্তি অনৈতিক রেস্টুরেন্ট ব্যবসার সাথে জড়িয়ে
মহান একটি পেশাকে চরমভাবে অপব্যবহার করেছে।
এই চক্রের অনেক টাউট সমিতির চাকুরী,মার্কেটিং ব্যবসা এবং মানবাধিকার নেতা পরিচয় দিয়ে গামের্ন্টেস
শিল্প এলাকার নিরীহ লোকদের হয়রানী,পুলিশিং ভীতি সহ মিথ্যা মামলা দিয়ে জেল-জুলুম/ পূণর্মিলনী
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করার নামে ব্যাপক চাদাঁবাজীর অভিযোগও রয়েছে। ।

 

শেয়ার করুনঃ

আরো খবর

Leave a Reply