বাংলাদেশ, রবিবার, ৫ই এপ্রিল, ২০২০ ইং, ২২শে চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

লামায় শিক্ষক কর্তৃক শিশু ছাত্র শারিরীক নির্যাতনের শিকার হয়ে হাসপাতালে

লামায় শিক্ষক কর্তৃক শিশু ছাত্র শারিরীক নির্যাতনের শিকার হয়ে হাসপাতালে। আট বছর বয়সের এক শিশুকে শারিরীক নির্যাতন করেছেন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক। প্রতিকার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করেছেন অভিভাবক। অভিযুক্ত হাফেজ মো: ওমর ফারুক লামা পৌরসভার কলিঙ্গাবিল ইমামু বোখারী নূরানী মাদ্রাসা ও হেফজ্খানার শিক্ষক। সে ওই প্রতিষ্ঠানে হেফজ্খানার আট বছরের শিশু মো: আরিফুল ইসলামকে বেদম প্রহার করে। নির্যাতিত শিশুটি এখন লামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছে। শিশুর পিতা গজালিয়া ইউপির বটতলী দুর্গম গ্রামের বাসিন্দা।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত ১৫ ফেব্রুয়ারী সন্ধ্যায় শিশুটিকে মাদ্রাসার একটি কক্ষে টাকা চুরির অপবাধ দিয়ে অমানসিকভাবে প্রহার করে। শিশুটিকে নির্দয়ভাবে আঘাত করার বিষয়ে জানতে চাইলে শিশুর পিতার সাথেও মারমুখি আচরণ করেন ওই শিক্ষক। এ ব্যাপারে প্রতিকার চেয়ে শিশুর পিতা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে অভিযোগ করেন।
জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূর এ জান্নাত রুমি জানান, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহনের জন্য অভিযোগটি লামা থানায় প্রেরন করা হয়েছে। তিনি এর সুবিচার আশা করেন।
ইমামু বোখারী নূরানী মাদ্রাসা ও হেফজ্খানার সভাপতিসহ কমিটির অন্যান্য সদস্যরা জানান, উক্ত শিক্ষক উগ্রমেজাজের লোক, সে কারোর কথা শুনেন না। অভিভাবক আবদুল আজিজ, আশ্রাফ আলীসহ আরো কয়েকজনে জানান, এই শিক্ষক এর আগে আমাদের সন্তানদেরকেও নিষ্ঠুরভাবে মারধর করেছে। স্থানীয়রা জানান, উক্ত শিক্ষক খুবই উগ্র, সে অনেকটা মানসিক রোগির মতো আচরণ করে থাকে।
এ ব্যাপারে লামা থানা অফিসার ইনচার্জ আপ্পেলা রাজু নাহা জানান, অভিযুক্ত শিক্ষকের বিষয়ে আইনি ব্যাবস্থা নেয়া হচ্ছে।
মোবাইল ফোনে জানতে চাইলে, অভিযুক্ত শিক্ষক সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে অনিহা প্রকাশ করেন।

শেয়ার করুনঃ

আরো খবর

Leave a Reply