ডিসেম্বর ৩, ২০২২ ৬:১৬ পূর্বাহ্ণ

মহেশখাল এলাকাবাসীর দুর্দশার কারণ হয়ে থাকতে পারে না-আবদুচ ছালাম

আগ্রাবাদ সিডিএ আবাসিক এলাকা ও হালিশহরের প্রাণহীন মহেশখালের অবস্থা দেখে খুবই মর্মাহত হয়েছেন বলে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম বলেন, এ খালটি ছিল কর্ণফুলির স্বাভাবিক জোয়ার ভাটায় প্রাণ চঞ্চল। বর্ষার অতিরিক্ত পানি সহজেই এ খাল বেয়ে নদীতে গিয়ে পড়ত। এলাকাকে জলাবদ্ধতা মুক্ত রাখতে খালটির কার্যকর ভূমিকা ছিল। আজ সেই খালটি মূমূর্ষ হয়ে জলাবদ্ধতার অন্যতম কারণ হয়ে উঠেছে। কচুরিপানা আর ময়লা আবর্জনা মশকের কারখানা হয়ে এলাকার জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি হয়ে উঠেছে। পরিবেশকে দুর্গন্ধময় করে ফেলেছে, যা অত্যন্ত দু:খ জনক ও মর্মান্তিক। আজকে খালটির মৃত রূপ দেখে ও এলাকাবাসীর দুর্ভোগের কথা শুনে খুবই দু:খ হচ্ছে মনে। একটি বাঁধ বা কিছু অসাধু দখলদারদের কারনে প্রাণচঞ্চল খালটি মরে গিয়ে এলাকাবাসীর দুর্দশার কারণ হয়ে থাকতে পারেনা।
সিডিএ আবাসিক এলাকার হাতেখড়ি স্কুলে গিয়ে এলাকাবাসীর নিদারুন দু:খ দুর্দশার কথা শুনেন এবং পায়ে হেটে মহেশখালের অনেকটা অংশ সরেজমিনে পরিদর্শন করেন তিনি। পরিদর্শন শেষে উপস্থিত জনসাধারন ও মিডিয়া কর্মীদের সাথে মত বিনিময়কালে ‘এ খালকে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে যা যা পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন সিডিএ’র পক্ষ থেকে তার সব ধরনের পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে প্রতিশ্র“তি ব্যক্ত করেন তিনি। এ ব্যাপারে বন্দও কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট সকল মহলের সাথেও মত বিনিময় করবেন বলে তিনি জানান।
এ সময় তার সাথে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিডিএ বোর্ড সদস্য গিয়াস উদ্দিন, হাসান মুরাদ বিপ্লব, জসিম উদ্দিন শাহ, কেবিএম শাহজাহান, সিডিএ প্রধান প্রকৌশলী মো. জসিম উদ্দিন, নগর পরিকল্পবিদ শাহিনুল ইসলাম খান, ২৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর এস এম সোহেল. সাবেক প্যানেল মেয়র মো. হোসেন, আরাসকা সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, হাতে খড়ি স্কুল এন্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নুসরাত জাহান, সৈয়দ আহম্মদ কবির, জাফরুল হায়দার সবুজ, আরাসকা শিক্ষা সম্পাদক মোস্তাফা কামাল লিটন, আবদুর রহিম, ইরফান আলম, মো. সাজ্জাদ প্রমুখ।

শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply