বাংলাদেশ, মঙ্গলবার, ২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ইং, ১২ই ফাল্গুন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

শার্শার নাভারণে রুগ্ন গরুর মাংস বিক্রির অভিযোগ

যশোরের শার্শার নাভারণ বাজারে রুগ্ন গরুর মাংস বিক্রির সময় মাংস ব্যবসায়ী সোহেল রানাকে হাতে-নাতে আটক করে ৫০হাজার টাকা জরিমানা নিয়ে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। আর খাদ্যের অনুপযোগী আটককৃত মাংস তাৎক্ষনিক কেরাসিন ঢেলে নষ্ট করার পর মাটিতে পুতে ফেলা হয়েছে বলে জানা গেছে। মাংস ব্যবসায়ী সোহেল রানা শার্শা উপজেলার কাশিয়াডাঙ্গা গ্রামের আতিয়ার রহমানের ছেলে।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে নাভারণ বাজারের মাংস পট্টিতে সোহেল রানার মাংসের দোকানে রুগ্ন গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শার্শা উপজেলার সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সোহারাব হোসেন, ইউপি সদস্য জুলফিকর আলী জুলু, গ্রাম পুলিশ তোবারক হোসেন ও সাংবাদিক সেলিম রেজা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সোহেল রানার মাংসের দোকানে রুগ্ন গরুর মাংস বিক্রির প্রমাণ পেয়ে উপস্থিত জনসাধারণের সম্মুখে ওজন স্কেলসহ দোকানের সমস্ত মাংস জব্দ করে এবং খাদ্যের অনুপযোগী মাংস বিক্রির অপরাধে ব্যবসায়ী সোহেল রানাকে ৫০হাজার টাকা জরিমানা করে। খাদ্যের অনুপযোগী আটককৃত মাংস তাৎক্ষনিক কেরাসিন ঢেলে নষ্ট করার পর ইউপি চত্বরের পরিত্যক্ত মাটিতে পুতে ফেলা হয়েছে।
এ ব্যাপারে ইউপি সদস্য জুলফিকর আলী জুলু জানান, নাভারণ বাজারের মাংস পট্টির সোহেল রানার মাংসের দোকানে রুগ্ন গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পুলক কুমার মন্ডলকে জানালে তিনি ইউপি চেয়ারম্যান সোহারাব হোসেনকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলেন। জনসাধারণের সম্মুখে ওজন স্কেলসহ দোকানের সমস্ত মাংস জব্দ করার কথা স্বীকার করলেও  মাংস ব্যবসায়ী সোহেল রানাকে ৫০হাজার টাকা জরিমানা করার কথা অস্বীকার করেন।
এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান সোহারাব হোসেনের কাছে জানতে চাইলে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে তিনি বলেন, জব্দ কৃত মাংশ তাৎক্ষনিক কেরাসিন ঢেলে নষ্ট করা হয়েছে।
উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর শেফালি খাতুনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এবিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান সোহারাব হোসেন বা জুলু মেম্বার আমাকে কিছুই জানায়নি।

শেয়ার করুনঃ

আরো খবর

Leave a Reply