বাংলাদেশ, সোমবার, ৯ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং, ২৪শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

লামায় ভুমি আগ্রাসীদের ছোবল থেকে মুক্তিযোদ্ধারাও রেহায় পাচ্ছেনা

লামা (বান্দরবান) সংবাদদাতা
বান্দরবানের পার্বত্য লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রবীন সাংবাদিক এসএম সিরাজুল হক। যিনি ৭১’র রণাঙ্গণে জীবনবাজী রেখে পাক সেনার বিরুদ্ধে লড়েছে, তিনি আজ স্বাধীন সমাজে বঞ্চনার শিকার।
২৮৬ নং ফাঁসিয়াখালী মৌজায় আড়াইমাইল নামকস্থানে বুড়ির দোকান প্রধান সড়ক ঘেষে এই মুক্তিযোদ্ধার নামে আর/১৫৩২ নং হোল্ডিং-এ দু’একর ৩য় শ্রেণীর জমি দীর্ঘ বছর ধরে অন্যরা জবর দখল করে রাখেন। সম্প্রতি জেলা জজ আদালতের নির্দেশে জবর দখলকারীদেরকে উচ্ছেদ করা হয়। দু’দিনে পরই জবর দখলকারীরা আদালতের দেয়া লালফিতা-সীমানা পিলার তুলে পুনরায় জবর দখলের পায়তারা করে।
জানাযায় দেওয়ানী কার্যবিধিমতে জেলা জজ আদালত কর্তৃক অপরজারী মামলা নং-০১/২০১৮ এর উচ্ছেদ আদেশ হয়। মামলার ডিগ্রিপ্রাপ্ত হন বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রবীন সাংবাদিক এসএম সিরাজুল হক। গত ৭ নভেম্বর/১৯ তারিখে জেলা বেঞ্চসহকারী নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট নাজমুল হুদা, সার্ভেয়ার, পুলিশসহ উচ্ছেদ আদেশ বাস্তবায়ন করেন। ওইদিন ম্যাজিষ্ট্রেট উপস্থিত থেকে সার্ভেয়ারদারা সীমানা নির্ধারণ খুটি ও লাল পতাকা স্থাপন করে ডিগ্রিপ্রাপ্তকে দু’একর জায়গা বুঝিয়ে দেন।
এদিকে ১১ নভেম্বর বিবাদীপক্ষ আদালত কর্তৃক উচ্ছেদ বাস্তবায়ন হওয়া ভূমির ৫০টি সীমানা পিলার উপড়ে পেলেদেয়। এই ঘটনায় বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রবীন সাংবাদিক এস এম সিরাজুল হক জানান, ফাসিয়াখালী ইউপির চেয়ারম্যান ও ৫ নং ওয়ার্ড মেম্বার আবদু রহিম এর ইন্দঁনে জবর দখলকারীরা এসব করছেন । তিনি এ ব্যাপারে আদালতের আশ্রয় নিবেন বলে জানিয়েছেন।

এই বীরমুক্তিযোদ্ধা স্বাধীনতা পরবর্তীতে নিজেকে সাংবাদিকতা পেশায় আত্মনিয়োগ করেন। সমাজে স্বাধীনতা, অধিকার প্রতিষ্ঠায় যিনি সর্বদায় জীবনবাজী রেখে চলছেন। স্বাধীন অবয়বে সেই তিনি বঞ্চিত হচ্ছেন স্বীয় অধিকার থেকে(!)।

লামা উপজেলা ও জেলা আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কর্ণদ্বারগন বিষয়টি গুরত্বের সাথে নজরে আনা দরকার।

আরো খবর

Leave a Reply

Close