বাংলাদেশ, মঙ্গলবার, ১৯শে নভেম্বর, ২০১৯ ইং, ৪ঠা অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

হত্যা চেষ্টা মামলায় চার্জশীট আলীকদমের সেই শিক্ষককে জেলে প্রেরণ

 

লামা-আলীকদম (বান্দরবান) প্রতিনিধি
নারী নির্যাতন, ভূমিদস্যুতা, জালিয়তিসহ একাধিক মামলার আসামী আলীকদমের এক সহকারি শিক্ষকের বিরুদ্ধে হত্যা চেষ্টার অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে আদালত অভিযুক্তকে জেলে পাঠিয়েয়েছেন। একই মামলায় অভিযুক্ত অপর এক সহকারি শিক্ষকসহ দুই আসামীর বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট ইস্যু করেছেন আদালত। বুধবার কক্সবাজার চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক … এ নির্দেশ দেন। অভিযুক্তরা হচ্ছেন আলীকদম উপজেলার থোয়াইচিং হেডম্যান পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক শফিকুল ইসলাম ও চৈক্ষ্যং ত্রিপুরা পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মনিরুল ইসলাম। তারা চকরিয়া উপজেলার কাকারা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মাস্টার সালামত উল্লাহ’র পুত্র।
মামলার বাদী রেজাউল করিম ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, চকরিয়া থানার এসআই ও তদন্তকারী কর্মকর্তা মোঃ আলমগীর জিআর মামলা নং- ৩৭৪/১৮ এর আসামী মোঃ শফিকুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম ও মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের ১৯ আগস্ট আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। তদন্ত কর্মকর্তা সাক্ষ্য-প্রমাণে আসামীদের বিরুদ্ধে ৩০৭ ধারায় হত্যা চেষ্টার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলে জানান। এছাড়াও আসামীগণ কর্তৃক মামলার বাদী রেজউল করিমকে বিপজ্জনক/ধারালো অস্ত্র দ্বারা গুরুতর আঘাত, ইচ্ছাকৃত আঘাত ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছেন মর্মে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্তকারি কর্মকর্তা।
বুধবার মামলার ধার্য তারিখে অভিযুক্ত আসামী শফিক আদালতে উপস্থিত হয়। এ সময় আদালত শুনানী শেষে অভিযোগপত্রটি আমালে নিয়ে আসামী শফিককে জেলে পাঠোনোর এবং অনুপস্থিত দুই আসামীর বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট ইস্যুর নির্দেশ দেন। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের দু’জন আলীকদমের দু’টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাময়িক সাসপেন্ড হওয়া সহকারি শিক্ষক।
উল্লেখ্য, ২০১৮ একটি নারী নির্যাতন মামলায় আসামী হওয়ার ক্ষোভে চকরিয়ার মাঝের ফাড়ি বাজারে মামলার বাদী রেজউল করিমের ওপর সহকারি শিক্ষক শফিকের নেতৃত্বে হামলা চালায় অভিযুক্তরা। পুলিশ দীর্ঘ তদন্ত ও সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে সহকারি শিক্ষক শফিক ও মনিরসহ তাদের ভাই নজরুলের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশীট দাখিল করে। অভিযুক্ত শফিকুল ও মনিরুল ইসলাম একটি নারী নির্যাতন মামলায় অভিযুক্ত আসামী হিসেবে ২০১৮ সালের ১ মার্চ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করেন কর্তৃপক্ষ। জানা গেছে, এ দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে আদালতে বর্তমানে বান্দরবান ও কক্সবাজার আদালতে একাধিক মামলা চলমান। ইতোমধ্যে একাধিক মামলায় চার্জ গঠন হয়েছে।

আরো খবর

Leave a Reply