বাংলাদেশ, সোমবার, ৯ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং, ২৪শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

লামা বাজার থেকে দক্ষিণ দিকে সাতশ্ মিটার সড়ক উঁচু করার প্রকল্প অনুমোদন

মো.কামরুজ্জামান, লামা( বান্দরবান)
লামা পৌর শহরে প্রবেশের প্রধান সড়ক উঁচু করার প্রকল্প অনুমোদন। বান্দরবান সড়ক ও জনপথ বিভাগ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবেন।সম্প্রতি সরেজমিন পরিমাপ করে গেছেন সওজ নির্বাহী প্রকৌশলী। শহরের দক্ষিণ দিকের সড়কটি উঁচু করা হলে, বর্ষা মৌসুমে বন্যা কবলিত লামা বাজার ব্যবসায়ীদের মূল্যবান মালামাল ও অফিসিয়াল নথিপত্র নিরাপদ স্থানে দ্রুত সরিয়ে নেয়া সম্ভব হবে। লামাকে পানিবন্দি দশা থেকে স্থায়ীভাবে মুক্তি দিতে, মাতামুহুরী নদীর গতি পরিবর্তনে হাজার মানুষের প্রাণের দাবী পূরণ; এখন শুধু সময়ের ব্যাপার।
বর্ষা মৌসুমে বন্যা কবলিত লামা শহরে ব্যবসায়ীদের মূল্যবান মালামাল ও অফিসিয়াল নথিপত্র ক্ষতিগ্রস্থ হতো। এসব ক্ষতি থেকে রক্ষার জন্য জিনিসপত্র নিরাপদ স্থানে দ্রুত সরিয়ে নেয়ার জন্য সড়ক উচুঁ করার দাবী উঠেছিল। এ দাবীর স্বপক্ষে সাংবাদিকেরা বিভিন্ন সময়ে লেখা লেখি করেন। উপজেলা পরিষদের সম্মুখ থেকে বিএডিসি মসজিদ পর্যন্ত আনুমানিক সাতশ’ মিটার সড়ক গড়ে তিনফুট উঁচু করা হলে; প্রতি বছর কোটি টাকার ক্ষতি থেকে রক্ষা পাবে শুধু ব্যবসায়ীরা। এ নিয়ে লামা পৌর মেয়রের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বিষয়টি আমলে নিলে; সড়ক ও জনপথ বিভাগ গুরত্ব দেয়। চলতি অর্থ বছরের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হবে বলে সুত্রে জানা গেছে।
বর্ষায় ভারী বর্ষনের ফলে মাতামুহুরী নদীর পানির উচ্চতা বেড়ে প্রায়ই বছর লামা পৌর শহরের চারদিকের নিচু এলাকাগুলো নিমজ্জিত হয়। শহর অভ্যন্তরে নিচু সব ক’টি গলি ৩-৫ ফুট পানিতে তলিয়ে যায়। চারদিকের সড়ক সমুহ ডুবে যাওয়ায়, পণ্য সামগ্রী নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়া সম্ভব হয়না। এর ফলে কয়েক কোটি টাকার ক্ষতির শিকার হয় ব্যবসায়ীরা। একই সাথে কয়েকশ’ পরিবার পানিবন্দি হয়ে চরম বিপর্যস্থ হন। চলতি বছর সড়কটি উচুঁ করা হলে এসব ক্ষতি থেকে রক্ষা পাবে ব্যবসায়ীরা।
স্থানীয়দের এমন দু:খ-দুর্দশার বিষয়টি পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী গভীরভাবে উপলব্দি করেন। এ ব্যাপারে মন্ত্রী, পানি উন্নয়ন বোর্ড, সড়ক ও জনপথ বিভাগকে গুরত্বসহকারে তাগিদ দেন। ইতোমধ্যে পানি উন্নয়ন বোর্ড নদী ও খালের ভাঙ্গণরোধে কাজ শুরু করেছেন। অন্যদিকে সড়ক ও জনপথ বিভাগ সরে জমিন পরিমাপ করে সড়ক উচুঁ করার প্রাক্কলন তৈরি করছেন বলে জানা গেছে।
এসব প্রকল্পের প্রাক্কলন ব্যয় সংক্রান্ত কোন তথ্য পাওয়া না গেলেও সূত্রমতে, চলতি বছর কাজটি সম্পন্ন হবে বলে জানাগেছে। প্রকল্প সমুহ বাস্তবায়নের বিষয়ে লামা পৌর মেয়র বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বান্দরবানবাসীর দুর্দশা লাগবে সর্বদায় আন্তিরিক। লামাকে একটি আধুনিক বাসযোগ্য শহর করতে তিনি পার্বত্য মন্ত্রীর সর্বাত্তক সহযোগিতা পাচ্ছেন বলে জানান।

আরো খবর

Leave a Reply

Close