বাংলাদেশ, মঙ্গলবার, ২০শে আগস্ট, ২০১৯ ইং, ৫ই ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

আসন্ন কোরবানীকে সামনে রেখে নওগাঁ জেলায় ৩২ হাজার ২শ ৪২টি খামারে ২ লাখ ৭৬ হাজার কোরবানীর পশু প্রতিপালিত হয়েছে

নওগাঁ প্রতিনিধি

নওগাঁ জেলার ১১টি উপজেলায় এ বছর ৩২ হাজার ২শ ৪২টি খামারে মোট ২ লাখ ৭৬ হাজার ১শ ১৫টি কোরবানীর জন্য পশু প্রতিপালন করা হয়েছে। জেলা প্রাণীসম্পদ বিভাগের হিসাব অনুযায়ী আসন্ন ঈদ-উল-অযহা উপলক্ষে এ জেলায় কোরবানীর পশুর চাহিদা রয়েছে ১লাখ ৬০ হাজার ১শ ১৩টি। অবশিষ্ট ১ লাখ ১৬ হাজার পশু দেশের অন্য জেলায় সরবরাহ করার জন্য প্রস্তুত রয়েছে। জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ উত্তম কুমার দাস বলেছেন নওগাঁ জেলা একটি কৃষি উৎপাদনের উদ্বৃত্ত জেলা। শষ্যে, মাছে যেমন উদ্বৃত্ত তেমন প্রাণী সম্পদেও উদ্বৃত্ত। তাঁর দেয়া তথ্য মোতাবেক এ জেলায় আসন্ন কোরবানীকে সামনে রেখে ৬৫ হাজার ৬শ ৭টি ষাঁড়, ২২ হাজার ৭৯টি বলদ, ৬৬ হাজার ৩৮টি গাভী, ৩ হাজার ৩শ ৫২টি মহিষ, ৯৩ হ্জাার ৬শ ৮৪টি ছাগল, ২৫ হাজার ২৩টি ভেড়া এবং অন্যান্য ৩শ ৩২টি পশু খামারগুলোতে প্রতিপালন করা হয়েছে। উপজেলা ভিত্তিক খামার এবং কোরবানীর পশুর পরিমান হচ্ছে নওগাঁ সদর উপজেলায় মোট ২ হাজার ৫শ ৫৬টি খামারে ৫ হাজার ৯শ ৩২টি ষাঁড়, ১ হাজার ৭শ ৫৯টি বলদ, ১ হাজার ৯শ ৯৯টি গাভী, ৬ হাজার ৬শ ৫০টি ছাগল, ১ হাজার ৫শ ৭২টি ভেড়া, রানীনগর উপজেলায় মোট ১ হাজার ৩শ ৪০টি খামারে ২ হাজার ৪শ ৩১টি ষাঁড়, ৯শ ৬৮টি বলদ, ৩ হাজার ৭শ ৮৯টি গাভী, ৭ হাজার ২শ ৮৯টি ছাগল, ১ হাজার ৮শটি ভেড়া, আত্রাই উপজেলায় মোট ৭শ ৬৫টি খামারে ৬ হাজার ১শ ৪৮টি ষাঁড়, ১ হাজার ৩শ ১০টি বলদ, ১ হাজার ৩শ ৭টি গাভী, ৮ হাজার ৮শ ২৯টি ছাগল ও ১ হাজার ৫শ ২৪টি ভেড়া, বদলগাছি উপজেলায় মোট ৫ হাজার ৫শ ৫৯টি খামারে ৪ হাজার ২শ ৭১টি ষাঁড়, ২ হাজার ৮শ ৮০টি বলদ, ৭ হাজার ৫শ ২৩টি গাভী, ১৯টি মহিষ, ৮ হাজার ৭শ ৭১টি ছাগল ও ১ হাজার ৮শ ২৭টি ভেড়া, মহাদেবপুর উপজেলায় ৩ হাজ্রা ৬শ ৭৩টি খামারে ৪ হাজার ৮শ ৫৪টি ষাঁড়, ১ হাজার ১শ ৮৬টি বলদ, ৮ হাজার ৬শ ৮৯টি গাভী, ৫৩টি মহিষ, ৭ হাজার ৯শ ৫২টি ছাগল, ১ হাজার ৯শ ৪৭টি ভেড়া ও অন্যান্য ৩৪টি, পত্নীতলা উপজেলায় ৩ হাজার ১শ ৮৪টি খামারে ২ হাজার ৮শ ১টি ষাঁড়, ৮শ ৪৫টি বলদ, ৪ হাজার ৬শ ২টি গাভী, ৪শ ১২টি মহিষ, ৭ হাজার ৩শ ৫৭টি ছাগল, ১ হাজার ৯শ ৬৩টি ভেড়া ও অন্যান্য ১শ ৭২টি, ধামইরহাট উৃপজেলায় ১ হাজার ৫২টি খামারে ১০ হাজার ২০টি ষাঁড়, ৩ হাজার ৭শ ২১টি বলদ, ৪ হ্জাার ৪শ ৮৩টি গাভী, ১ হাজার ১শ ৬৬টি মহিষ, ৯ হাজার ২শ ১টি ছাগল, ৪ হাজার ৭শ ৪০টি ভেড়া, সাপাহার উপজেলায় ২ হাজার ৮শ ৪৫টি খামারে ৪ হাজার ৭শ ৫১টি ষাঁড়, ১ হাজার ২শ ৯৮টি বলদ, ৭ হাজার ২শ ৪৬টি গাভী, ৩শ ২১টি মহিষ, ১০ হাজার ১শ টি ছাগল, ২ হাজার ৬শ ৯৫টি ভেড়া ও অন্যান্য ২১টি, পোরশা উপজেলায় ৩ হাজার ২শ ৫১টি খামারে ৫ হ্জাার ২শ ৪৫টি ষাঁড়, ৩ হাজার ২শ ৬০টি বলদ, ৮ হাজার ৩শ ৯৬টি গাভী, ১ হাজার ১শ ৩৯টি মহিষ, ৮ হাজার ২শ ৩১টি ছাগল, ২ হাজার ৯শ ৪টি ভেড়া, নিয়ামতপুর উপজেলায় ২ হাজার ৬শ ৪৮টি খামারে ৯ হাজার ৬শ ৬৪টি ষাঁড়, ৩ হাজার ১শ ৮০টি বলদ, ৭ হাজার ২৫টি গাভী, ১শ ২২টি মহিষ, ৯ হাজার ৭শ ৬০টি ছাগল, ২ হাজার ৮৮টি ভেড়া ও অন্যান্য ৪টি এবং মান্দা উপজেলায় ৫ হাজার ৩শ ৬৯টি খামারে ৯ হাজার ৪শ ৯০টি ষাঁড়, ১ হাজার ৬শ ৭২টি বলদ, ১০ হাজার ৯শ ৭৯টি গাভী, ১২০টি মহিষ, ৯ হাজার ৫শ ৪৪টি ছাগল, ১ হাজার ৯শ ৫০টি ভেড়া ও অন্যান্য ১শ ১টি।

জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা আরও জানিয়েছেন তাদের পরামর্শ অনুযায়ী খামারীরা প্রাকৃতিক এবং ভেজালমুক্ত খাবার নিশ্চিত করেছেন। এ বছর খামারীরা তাদের প্রতিপালিত পশুর ভালো দাম পাবেন বলে প্রত্যাশা করছেন।

আরো খবর

Leave a Reply