বাংলাদেশ, রবিবার, ১৮ই আগস্ট, ২০১৯ ইং, ৩রা ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

অধ্যাপক ফারুক স্যারের গবেষণালব্ধ ফলাফল গ্রহণ করে অভিনন্দন জানানো উচিত ছিল

মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ দেশ ও জাতির কল্যাণে নিবেদিত অধ্যাপক আ. ব. ম. ফারুক স্যারের গবেষণালব্ধ ফলাফল গ্রহণ কবে তাকে অভিনন্দন জানানো উচিত ছিল কিন্তু তাকে অভিনন্দন না জানিয়ে অসাধু ব্যবসায়ী ও তাদের বশীভূত আমলা নেটওয়ার্ক তাকে হুমকি প্রদান ও কদর্য  ভাষায় আক্রমণ করেছে যা জাতীয় দৈনিক ও অনলাইন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। যা জাতির জীবনে অতন্ত্য দুঃখের বিষয় বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের নেতাকর্মীরা। শনিবার (২০ই জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের নেতারা। লিখিত বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের আহবায়ক অধ্যাপক ড.আ. ক.ম. জামাল উদ্দিন বলেন, মৎস ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ওয়াসিউদ্দীন ও বি.এস.টি.আইয়ের পরিচালক আব্দুল মান্নান তাকে হুমকি প্রদান করেন এবং বেঈমান হিসাবে গালমন্দ করেন তা সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে তো বটেই, একজন নাগরিক হিসেবেও তাদের এ ধরনের শিষ্টাচার বহির্ভূত কার্যকলাপ প্রদর্শন আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। তিনি বলেন, যে কোনো দেশ বা সমাজের তরল দুধ যদি অনিরাপদ হয়, তাহলে মানব স্বাস্থ্য ও অনিরাপদ হবে এতে কোনো সন্দেহ নেই। তাই সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসহ খাদ্য নিরাপদ এবং নিরাপদ খাদ্য গ্রহণের বিষয়টি সর্বাগ্রে নিশ্চিত করতে হবে। সংবাদ সম্মেলনে অধ্যাপক আ.ব.ম. ফারুক স্যার বলেন, দুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর উচিত ভালো ভাবে পাস্তুরাইজেশন করা এবং পাস্তুরাইজেশন হচ্ছে কি-না তা মনিটরিং করা। আমাদের দেশে প্রচলিত গো-খাদ্য ফিটের মধ্যে এন্টিবায়োটিক থাকার সম্ভাবনাই বেশি। তাই এ সম্পর্কে আমাদের ব্যাবস্থা গ্রহণ করা উচিত। উল্লেখ, সাম্প্রতিক সময়ে আমাদের দেশে তরল দুধে অ্যান্টিবায়োটিকের উপস্থিতির বিষয়টি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসী অনুষদের বায়োমেডিক্যাল রিসার্চ সেন্টার পরিচালিত একটি গবেষণা ফলাফলে সনাক্ত হয়। গবেষণা ফলাফল প্রকাশকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে দুধ খামারী ব্যবসায়ী, সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সমর্থকদের মধ্যে এক প্রকার অসুস্থ বিতর্ক শুরু হয়।

আরো খবর

Leave a Reply