বাংলাদেশ, সোমবার, ২২শে জুলাই, ২০১৯ ইং, ৭ই শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ।

চট্টগ্রামের ইপিজেড থানায় আইন-শৃখংলা ভেঙ্গে পড়েছে জুয়েলার্স মালিকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার

দুইদিন আগে ছুরিকাঘাতে দিন দুপুরে যুবক খুন  হয়েছে ইপিজেড এলাকায়

চট্টগ্রাম নগরীর বন্দরটিলার আয়েশার মা’র গলির মণিশ্রী জুয়েলার্সের মালিকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত সঞ্জয় ধর (৪৫) কক্সবাজারের রামু উপজেলার ফতিয়ারকুল গ্রামের মৃত সুধারাম ধরের ছেলে।

রবিবার (২৩ জুন) সকাল ১১টার দিকে দোকান থেকে এ লাশ উদ্ধার করা হয়।

ইপিজেড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা (ওসি) নুরুল হুদা বলেন, পেটের দুই পাশে ও গলায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। এটা পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকান্ড বলে মনে হচ্ছে। কেউ কেউ এটাকে ডাকাতির ঘটনা বললেও তা সঠিক নয় । কারণ দোকান থেকে মালামাল খোয়া যায়নি।

সূত্র জানায় , সঞ্জয় ধর দোকানের ভিতরেই থাকতেন। শুক্রবার রাতে তিনি দোকান করে ঘুমিয়ে পড়েন।

গতকাল সকালে তার স্ত্রী তাকে ফোন করে না পেয়ে স্থানীয়দের সাথে যোগাযোগ করেন। পরে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়।

পুলিশ এসে দোকান থেকে লাশ উদ্ধার করে। তবে কে বা কারা তাকে হত্যা করেছে এখনো কিছু জানা যায়নি। সিআইডি, পিবিআই, ও থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার (বন্দর) মো. কামরুল হাসান গণমাধ্যমকে বলেন, এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আমরা মামলা নিচ্ছি। ঘটনায় জড়িতদের ধরতে ইতোমধ্যে পুলিশ কাজ করছে।

দুইদিন আগে ছুরিকাঘাতে দিন দুপুরে যুবক খুন  হয়েছে ইপিজেড এলাকায়। এই এলাকার  জুুুয়ারু, পকেটমার,  ছিনতাইকারী, ডাকাত , পতিতার দালাল, ইয়াবাখোর  ও পাচারকারী, ওয়ারেণ্টপ্রাপ্ত পলাতক আসামীসহ বিভিন্ন অপরাধীদের সাথে জনৈক ভুয়া পুলিশ সোলতানের সাথে দহরমমহরম সম্পর্ক রয়েছে।এই সোলতান মাসে ৫০ লাখ টাকা দেয় পুলিশ অফিসারদের।ওসির দোহাই দিয়ে পুরো ইপিজেড এলাকায় সে দাপিয়ে বেড়ায়।সে পুলিশ না হয়েও পুলিশ পরিচয় দেয়।পুলিশের নামেই বিভিন্ন অপরাধীদের কাছ থেকে মাসোহারা আদায় করে।কোথাও কোথাও সে নিজেকে থানার ক্যাশিয়ার পরিচয় দেয়।

আরো খবর

Leave a Reply