বাংলাদেশ, সোমবার, ১৯শে আগস্ট, ২০১৯ ইং, ৪ঠা ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

স্বাধীনতা সংগ্রামে মুক্তির জয়গান

 

আবছার উদ্দিন অলি

বাংলাদেশ। আমাদের প্রিয় লাল সবুজের বাংলাদেশ। মুক্তিযুদ্ধ আমাদের অহংকার। তাইতো দেশের জন্য শর্তহীন ভালাবাসা চাই। সত্যিকারের ভালবাসায় কোন শর্ত থাকেনা। সবাইকে মনে প্রাণে দেশকে ভালবাসতে হবে। তাহলে দেশ এগিয়ে যাবে। মুক্তিযুদ্ধের কাঙ্খিত স্বপ্নের বাস্তবায়ন ঘটবে। আমার সোনার বাংলা, সালাম সালাম হাজার সালাম, আমার ভাইয়ের রক্তে, সবকটা জানালা খুলে দাওনা, এক সাগর রক্তের বিনিময়ে, মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো, একবার যেতে দেনা আমায়, এক নদী রক্ত পেরিয়ে, সোনা সোনা সোনা লোকে বলে, ও মাঝি নাও বাইয়া যায়রে, এক তারা তুই দেশের, প্রথম বাংলাদেশ আমার, মোদের গরব মোদের আশা, জন্ম আমার ধন্য হলো, আমায় গেঁথে দেওনা মাগো, পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে, প্রতিদিন তোমায় দেখি, কারা ঐ লৌহ কপাট, ও আমার দেশের মাটি, এই পদ্মা এই মেঘনা, বাংলা আমার মা, বাংলা মাগো, আমি জন্মেছি এই দেশে, ধনে ধন্যে পুষ্পে ভরা, জয় বাংলার জয়, সেই রেললাইনের মেটো পথে, মোরা বাংলার গান গাই, নোঙ্গর তোল, যায় যদি প্রাণ, মাগো ভাবনা, ভেবোনা মা, স্বাধীন স্বাধীন, বিজয় নিশান উড়ছে, শিকল পরা পায়, ঢাকা শহর রক্তে রাঙানো, শুন একটি মুজিব, তীর হারায়ে ঢেউর সাগর, মুক্তির এ পথ সংগ্রাম, আমার প্রতিবাদের ভাষা, আমার এই দেশ সব মানুষের, যে মাটির বুকে, শোন, একটি মুজিবরের থেকে, মুজিব বাইয়া যাওরে, জগৎবাসী একবার বাংলাদেশকে যাও দেখিয়ারে, রুখে দাঁড়াও হেই হেই, মুজিব এই বাংলার উন্নত শিরে, ও আমার বাংলাদেশের মাঝি ভাই, আমার নেতা শেখ মুজিব, তোমার নেতা শেখ মুজিব, আজি কান্দে রে ওহো পরাণ কান্দে রে, ও তুই ঝাপ্পি ব্যাড়াও নওজোয়ান, সাড়ে সাত কোটি মানুষ আজ একটি নাম-মুজিবর, শোন ঐ শোন বাংলাদেশের শিকল ভাঙ্গার গান, সাত কোটি মোরা করেছি অঙ্গীকার, ওরে আমার মুক্তিযোদ্ধা ভাইয়েরারে, আমরা অগণিত মুক্তিসেনা, বাংলার নামে আজ শপথ নিলাম, শেখ মুজিবের, সত্য যুগের সত্য রাজা, দিনের শোভা সুরুজ রে, বাংলার স্বাধীনতা আনলো কে, আমরা মুক্তিসেনা আমরা ভয় করি না, মুজিবর মুজিবর মুজিবর, দূর্বার দূর্বার আমার, বাংলাদেশের খাঁটি মানুষ, আজ কারবা বিচার কেবা করে রে, আরে ও দ্যাশের, জীবনটা ধন্য হইল মোর, ভাইরে ভাইরে ভাই হিন্দু-মুসলমান, সংগ্রাম আজ শুধু সংগ্রাম বাংলার ঘরে ঘরে সংগ্রাম, হৈ হৈ হৈ হৈয়া মুক্তির শপথ, জীবন যুদ্ধে আমরা সবাই লড়েছি, আমি একজন মুক্তিসেনা শত্র“র সাথে লড়ে, এবার উঠেছে মহাঝড় আলোড়ন। যুদ্ধ দিনের গানের সাথে জড়িয়ে আছে, আবেগ, মমতা আর ভালবাসা।

স্বাধীনতার গৌরবে উপরোক্ত স্বাধীনতা সংগ্রামে মুক্তির জয়গান যুদ্ধচলাকালীন ও পরবর্তী সময়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বাঙালি জাতিকে সংস্কৃতি অঙ্গন সহ বহি:বিশ্বে পরিচয় ঘটিয়েছে লাল সবুজ পতাকাকে। এ জন্য আমরা গর্বিত, আমরা অনুপ্রাণিত, আমরা আনন্দিত, আমাদের দেশের গান এমন জনপ্রিয় হয়ে উঠবে যা কখনোই ভাবেনি কোন শিল্পী। পৃথিবীর কোন দেশে তার দেশ নিয়ে এত গান আছে বলে আমার জানা নেই। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় যুদ্ধ দিনের গান আমাদের সংস্কৃতির প্রাণ। স্বাধীনতা সংগ্রামে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পীদের অগ্রগন্য ভূমিকা ছিল প্রশংসনীয়। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় আমাদেরকে এগিয়ে যেতে হবে। দেশীয় সংস্কৃতির বিকাশে আমাদের সবাইকে আন্তরিক হয়ে কাজ করতে হবে। আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে শিল্পীদের গান আমাদেরকে উৎসাহিত করেছে। সময় হয়েছে এখন অপমানের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ, সমঝোতার সংস্কৃতির বদলে নির্ভয়ের সংস্কৃতি বরণকে। যে জাতির অপমানবোধ নেই, সেই জাতির জাতি হিসেবে টিকে থাকার কোনো যৌক্তিকতা নেই। কারণ সে জাতির মানসিক উন্নতি হয় না, দাস হয়ে থাকে, আগাছার মধ্যে ডুবে আগাছা হয়ে যায়। আপসের সংস্কৃতি নয়, মুক্তিযুদ্ধের সংস্কৃতিকেই বরণ করার সময় এসেছে, সময় এসেছে তা বরণ করে নিজেদের এগিয়ে যাওয়ার।

স্বাধীনতার লাল সবুজ পতাকা আজ বিশ্বব্যাপী পরিচিত। স্বাধীনতার জন্য মুক্তিযুদ্ধে আমাদের শিল্পী, সংস্কৃতিকর্মী, সুরকার, গীতিকার, নাট্যকার, কবি-সাহিত্যিক সহ সকল শিল্পনুরাগী ব্যক্তিবর্গ অপরিসীম ভূমিকা রেখেছেন। যাদের অবদান কখনই ভুলা যাবেনা। যাদের আত্মত্যাগে আমরা স্বাধীনতা পেয়েছে। তাদেরকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি। রাজনৈতিক স্বাধীনতার পাশাপাশি অর্থনৈতিক স্বয়ং সম্পূর্ণতা অর্জন এবং সাম্য ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠাই ছিল আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম লক্ষ্য। ২৬ মার্চ। মহান স্বাধীনতা দিবস। ১৯৭১’ সালের এই দিনে বিশ্ব মান চিত্রে জায়গা করে নেয় বাংলাদেশ নামের স্বাধীন এই ভূখন্ড। তার বিনিময়ে আমাদের হারাতে হয়েছে অনেক কিছু। স্বাধীনতার এই দিনে আমরা স্মরণ করছি আমাদের সে সব অকুতোভয় বীর সেনানীকে। পৃথিবীর সবদেশে ছড়িয়ে থাকা সকল বাঙালিই বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য কাজ করেছেন। যুদ্ধ চলাকালীন সাহস শক্তি অনুপ্রেরণা উৎসাহ যুগিয়েছেন আমাদের স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পীরা। শিল্পীদের সংগ্রামী কন্ঠের গান সাড়া জাগিয়ে তোলে বাংলার পথে প্রান্তরে।

স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী- প্রবাল চৌধুরী, সুজিত রায়, মিহির কুমার নন্দী, জয়ন্তী লালা, মৃনাল ভট্টচার্য্য, বানী কুমার চৌধুরী, শীলা মোমেন, কল্যাণী ঘোষ, উমা ইসলাম, শেফালী ঘোষ সহ আরো অনেকে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সংগীত পরিবেশন করে উৎসাহিত করেছে পুরো বাঙালী জাতিকে। মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করতে পারার মতো গৌরবের বিষয় আর কি হতে পারে। বাংলাদেশের জন্ম ও নতুন জাতি হিসেবে পৃথিবীতে মুক্তিযোদ্ধারা সেদিন যুদ্ধ করেছেন ইতিহাসে তারা চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন। স্বপ্নের হাজারো রং ছড়িয়ে আমরা সবাই চাই আমাদের দেশটাকে সুন্দর করে গড়ে তুলতে। সকল শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। হৃদয়ে মুক্তিযুদ্ধ, হৃদয়ে যুদ্ধ দিনের গান। মুক্তির সংগ্রামে গানে গানে সুরে সুরে সারা দেশে স্বাধীনতার আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে। যুদ্ধচলাকালীন বেতার ছিল সকল খবরা খবরের একমাত্র মাধ্যম। বেতারের খবর শুনতে হাজার হাজার লোক এক সাথে জড়ো হতো। আর স্বাধীনতা সংগ্রামের গান গুলো নতুন করে উজ্জীবিত করতো। বন, জঙ্গল, পাহাড়, নদী, সাগর, সমুদ্র সব জায়গায় শোনা যেতো যুদ্ধ দিনের গান। সবগুলো গানেই নিবিড় মমত্ববোধ কাজ করতো। দেশের জন্য এমন গান গাওয়া সত্যিই সৌভাগ্যের ব্যাপার।

জনপ্রিয় শিল্পীদের মধ্যে স্বাধীনতার গান গেয়েছেন- রুনা লায়লা, সাবিনা ইয়াসমিন, আবদুল জব্বার, আবদুল হাদী, খুরশিদ আলম, এন্ড্রু কিশোর, খালিদ হাসান মিলু, কুমার বিশ্বজিৎ, তপন চৌধুরী, কনক চাঁপা, সামিনা চৌধুরী, বশির আহম্মদ, রফিকুল আলম, বেবী নাজনীন, শাম্মী আকতার, ফকির আলমগীর, ফাহমিদা নবী, ফেরদৌস ওয়াহিদ, আবিদা সুলতানা, শাহনাজ রহমত উল্ল্যা, বারী সিদ্দিকী, ফাতেমাতুজ জোহরা, আইয়ুব বাচ্চু, নাসিম আলী খান, নকিব খান, পার্থ বড়–য়া, ফরিদা পারভীন, মমতাজ, শাকিলা জাফর, আতিক হাসান, আলম আরা মিনু, মেহরীন, এস আই টুটুল, ইন্দ্রে মোহন রাজবংশী, ইয়াসমিন মুশতারী, কনা, কানিজ সূবর্ণা, কিরণ চন্দ্র রায়, চন্দন সিনহা, ঝুমুখান, দিলরুবা খান, নিয়াজ মোহাম্মদ চৌধুরী, মনির খান, পলাশ, বাপ্পা মজুমদার, বাদশা বুলবুল, ডলি সায়ন্তনী, এস.ডি. রুবেল, আঁখি আলমগীর, রবি চৌধুরী, জিনাত জাহান মুন্নী, আসিফ আকবর, লাকী আখন্দ, শবনব মুশতারী, শুভ্রদেব, আগুন, আজম খান, রন্টি দাশ, বেলাল খান, হৃদয় খান, হাবিব, বালাম, পূজা, শহীদ, ন্যান্সী, শফিক তুহিন, ফকির সাহাবুদ্দিন সহ আরো অনেকে।

আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস নতুন প্রজন্মকে উজ্জীবিত করে অনুপ্রাণিত করে। কেননা এই স্বাধীনতার জন্য এদেশের মানুষের আত্মত্যাগ কখনো ভুলা যাবে না। ২৬ মার্চ আমাদের মহান স্বাধীনতা দিবস। আমাদের জাতীয় চেতনার প্রতীক। দীর্ঘ ৯ মাস যুদ্ধ করে আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি। আমাদের লাল-সবুজের পতাকা আজ বিশ্ব আসনে মাথা উচু করে দাঁড়িয়েছে। এর চেয়ে গৌরব আর অহংকারের বিষয় কি হতে পারে? জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে জনসভায় ভাষণ দেন ১৯৭১ এর ৭ই মার্চ। বিপুল জনতার সম্মুখে তিনি অসহযোগের ডাক দেন। সেই ভাষণে তিনি বলেন- ‘এবারের সংগ্রাম, আমাদের মুক্তির সংগ্রাম। এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’ এই ঐতিহাসিক জনসভার ভাষণেই প্রকারান্তরে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়া হয়ে যায়। অসহযোগ আন্দোলন অভাবনীয়ভাবে সফল হলো। দেশের সকল অফিস-আদালত, স্কুল-কলেজ শেখ মুজিবের ডাকে বন্ধ হয়ে গেল তার সকল কার্যক্রম।

একটি সুখী সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশের জন্য আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের প্রানন্তকর যে প্রচেষ্টা তাতে আমরা সফল হয়েছি। এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদে, এগিয়ে যাচ্ছে দেশের উন্নয়ন। স্বাধীনতা সংগ্রামে বাংলার মুক্তিপাগল জনতা সেদিন যেভাবে ঝাপিয়ে পড়েছিল ঠিক সে রকম যে কোন ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে দাঁত ভাঙ্গা জবাব দিতে সর্বদা প্রস্তুত বাংলার ১৬ কোটি জনতা। বাক সর্বস্ব জাতিতে পরিণত হতে চলেছি আমরা। যা মুখে বলি, তা কাজে প্রয়োগ করি না, এমনকি বিশ্বাসও করি না। বাঙ্গালি জাতির ঐক্য নেই এখন সবাই দলে দলে বিভক্ত। দলীয়করনটা এমন পর্যায়ে এসে ঠেকেছে যে, ভাইয়ে ভাইয়ে, ভগ্নিতে ভগ্নিতে মুখ দেখা দেখিও বন্ধ। রাজনীতির কারনে বিভক্ত হয়ে যাচ্ছে সমাজ, কখনও কখনও সংসারও। এই বিভেদ ছেদ টেনে দিচ্ছে উন্নয়নে। অথচ এমন হওয়ার কথা তো ছিল না। স্বাধীনতা দিবসে তাদের সকলের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো উচিত। সুর সংগীতে হৃদয়ে স্বাধীনতার গান আমাদেরকে এখনও নতুন করে উজ্জীবিত করে এগিয়ে যাওয়ার পথে অনুপ্রেরণা যোগায়। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় যুদ্ধ দিনের গান এখনও নতুন প্রজন্মকে স্বাধীনতার ইতিহাস সঠিক ভাবে জানতে সহায়তা করে। দেশের জন্য স্বাধীনতার জন্য আমাদের শিল্পীদের গান যতদিন এ দেশ থাকবে, ততদিন মনে রাখবে এবং গুন গুনিয়ে গাইবে “আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি”।

আমাদের দুঃখী দেশটি আমাদের বড় ভালোবাসার দেশ, বড় মমতার দেশ। যাঁরা জীবন বাজি রেখে এই স্বাধীন দেশটি আমাদের এনে দিয়েছেন তাঁদের প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতার শেষ নেই। আর যেসব স্বাধীনতা বিরোধী, বিশ্বাসঘাতক, যুদ্ধাপরাধী এই স্বাধীন রাষ্ট্রটিকে গলা টিপে হত্যা করার চেষ্টা করছে তাদের জন্যে রয়েছে অন্তহীন ঘৃণা। আজ থেকে একশ বছর কিংবা হাজার বছর পরেও যতদিন বাংলাদেশ টিকে থাকবে, এই দেশের মানুষ স্বাধীনতা বিরোধী, বিশ্বাসঘাতক, যুদ্ধাপরাধীদের ক্ষমা করবে না। আমরা স্বপ্ন দেখি আমাদের নতুন প্রজন্ম মাতৃভূমিকে ভালোবাসার তীব্র আনন্দটুকু অনুভব করতে শিখবে। তারা তাদের প্রিয় মাতৃভূমিতে ঘুরে ঘুরে অভিমানী মুক্তিযোদ্ধাদের খুঁজে বের করে তাদের হাত স্পর্শ করে বলবে, আমাদের একটি স্বাধীন দেশ দেয়ার জন্যে ভালোবাসা এবং ভালোবাসা। তারা মুক্তিযোদ্ধাদের চোখের দিকে তাকিয়ে কোমল গলায় বলবে, আমরা তোমাদের কথা দিচ্ছি, তোমরা যে বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলে আমরা সেই বাংলাদেশকে গড়ে তুলব। তোমাদের রক্তের ঋণ আমরা শোধ করব। যুদ্ধ দিনের গান আমাদের অন্তহীন প্রেরণার উৎস। এই গান শুধু সংগীত নয়, আমাদের সাহস, সংগ্রাম ও আন্দোলনের ঠিকানা। আমাদের চেতনা, আমাদের পথচলা।

আরো খবর

Leave a Reply