বাংলাদেশ, রবিবার, ১৯শে মে, ২০১৯ ইং, ৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ।

টেকনাফে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ইয়াবা ব্যবসায়ী নিহত

 

টেকনাফ প্রতিনিধি

কক্সবাজারের টেকনাফে নাফনদের পারে লবণ প্রজেক্ট এলাকায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ’র (বিজিবি) সাথে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ এক অজ্ঞাত নামা ইয়াবা কারবারি নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার ভোররাতে টেকনাফ সদরের খানকার ডেইল মেহেদী লবণ প্রজেক্ট এলাকায় এ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এসময় ৭ হাজার ইয়াবা ও দুটি ধারালো কিরিচ জব্দ করেছে বিজিবি সদস্যরা।

টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)’র ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক শরীফুল ইসলাম জোমাদ্দার জানান, বৃহস্পতিবার ভোররাতে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের খানকার ডেইল গ্রামের পূর্ব পার্শ্বে মেহেদী লবন প্রজেক্টের উত্তর-পশ্চিম দিক দিয়ে বিপুল পরিমাণে ইয়াবা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারে এমন সংবাদের ভিত্তিতে নায়েব সুবেদার মো. শাহ আলমের নেতৃতে টহলদল দ্রুত ঘটনা স্থলে যায়। ভোর সাড়ে ৪টার দিকে একদল লোক নদী পার হয়ে ঘটনাস্থলে নামলে বিজিবি তাদের চ্যালেঞ্জ করে। লোকগুলো বিজিবি টহলদলের উপস্থিতি ঠের পাওয়া মাত্রই টহলদলের উপর অতর্কিতভাবে গুলি বর্ষণ এবং ধারালো অস্ত্র নিয়ে আক্রমন করে। এতে বিজিবি’র টহলদলের এক সদস্য আহত হয়। এ সময় বিজিবিও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়। উভয় পক্ষের মধ্যে প্রায় ১০/১২ মিনিট গুলি বিনিময় চলার পর ইয়াবা পাচারকারীরা গুলি করতে করতে ঘটনাস্থল হতে দ্রুত পালিয়ে যায়। গুলির শব্দ থামার পর ভোরের আলোতে টহল দলের সদস্যরা এলাকা তল্লাশি করে অজ্ঞাত নামা এক ব্যক্তিকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে। উক্ত স্থান হতে আনুমানিক ৭ হাজার পিছ ইয়াবা ট্যাবলেট ও ২টি লোহার ধারালো কিরিচ উদ্ধার করা হয়।তিনি আরো জানান, এটি দেখার পর টেকনাফ মডেল থানায় খবর দেয়া হলে পুলিশের সহযোগিতায় গুলিবিদ্ধ দেহটি টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষনা করেন। আহত বিজিবি সদস্যকে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লক্সে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
টেকনাফ থানার ওসি (তদন্ত) এসএম দোহা জানান, এসব ঘটনায় টেকনাফ থানায় পৃথক মামলা করা হচ্ছে এবং মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

আরো খবর

Leave a Reply