বাংলাদেশ, শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, ২৪শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

রাজীবপুরে বিদ্যুৎ-স্বপনের নেতৃত্বে হাসপাতাল ভাংচুর   

রৌমারী (কুড়িগ্রাম)প্রতিনিধি 
কুড়িগ্রামের রাজীবপুর উপজেলার শীর্ষ সন্ত্রাস বিদ্যুৎ-স্বপনের নেতৃত্বে গতকাল বুধবার বিকালে  প্রকাশ্যে উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হামলা চালিয়েছে  একদল বখাটেরা। বিভিন্ন সুত্রে জানা যায়, বিদ্যুৎ সরকার ও স্বপন উপজেলার মধ্যে একজন চিহ্নিত সন্ত্রাস। ঘটনার দিন বিকালে প্রচুর নেশা করে হাসপাতলে ভাংচুর করেন বিদ্যুৎ- স্বপনের নেতৃত্বে একদল বখাটে। কেন হামলা চালিয়েছে এ বিষয়ে কেউ বলতে পারে না। সাধারন মানুষের ধারনা আকবর হোসেন হিরো কে উপজেলার সাধারন মানুষ ভোট দিতে চাচ্ছে না। কারন এর আগে চেয়ারম্যান থাকালে ব্যাপক দুর্নীতি করেছেন। টের পেয়ে আতংক সৃষ্টি করার জন্য হামলা চালায় বলে খবর পাওয়া গেছে। হামলা চালিয়ে ক্যান্ত হননি
 সরকারি হাসপাতলের কক্ষে থাকা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু ও দেশ নেত্রী শেখ হাসিনার ছবি ভাংচুর ও অমর একুশের প্রতিচ্ছবি ছিড়ে ফেলে এসময় স্থানীয়দের ধাওয়া খেয়ে দ্রুত পালিয়ে যায় তারা। শীর্ষ সন্ত্রাস   বিদু্ৎ অতীতেও রাজিব পুর সরকারি ডিগ্রি কলেজের ছাত্র থাকা অবস্থায় কলেজ ভাংচুর করে ও নারী ধর্ষণের  ঘটনা ঘটায় এবং বিভিন্ন সময় সরকার বিরোধী আন্দোলনে লিপ্ত থেকে যেমন কোটা বিরোধী আন্দোলন ও নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের নামে নানা অপকর্মের দৃষ্টতা আছে।স্থানীয় সুত্র জানা যায় রাজিব পুর উপজেলা হাসপাতল ভাংচুরের সময় তারা নেশাগ্রস্থ অবস্থায় ছিল।স্থানীয়রা তাদের ধরার জন্য ধাওয়া করলে দৌড়ে পালায়।স্থানীয়রা এই সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায়।স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে উপযুক্ত বিচারের দাবিতে একটি মিছিল করে এবং প্রশাসনের কাছে উপযুক্ত বিচার চায়।পরিশেষে বখাটে বিদ্যুতের বাবাকে অবগত করলে বলে,আমার ছেলেকে পড়াশুনা করতে ঢাকায় পাঠাইছি কিন্তু লেখাপড়া বাদ দিয়ে এলাকায় কিছু বখাটে ছেলেদের সাথে থেকে ছেলেটা  নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।আমি  এ ঘটনার জন্য লজ্জিত। শীর্ষ সন্ত্রাস বিদ্যুৎ সরকার মুঠোফোনে বলেন, আমি আর স্বপন নেশা করে মাতাল ছিলাম। কখন কোথায় হামলা চালিয়েছি মনে নাই।

শেয়ার করুনঃ

আরো খবর

Leave a Reply