বাংলাদেশ, বুধবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং, ৩রা আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

দেশটাকে বদলাতে হলে দিল্লির সরকারকে পাল্টাতে হবে: মমতা

ভারতের আসন্ন ২০১৯-এর নির্বাচনের প্রথম ঘণ্টাটাই বাজিয়ে দিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি।শনিবার ব্রিগেডের মঞ্চে হাজির কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী, গুজরাট থেকে অরুণাচল প্রদেশের প্রথম সারির বিরোধী নেতারা।

ব্রিগেডের বিশাল জনসভায় বিভিন্ন নেতাদের বক্তব্যের মাঝে মাঝে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতাও ঝাঁঝালো বক্তব্য রাখছেন। এসময় তিনি বলেন, ‘দেশটাকে বদলাতে হলে দিল্লির সরকারকে পাল্টাতে হবে।’ এছাড়া এসময় তিনি মোদি সরকারের কড়া সমালচনা করেন।

ব্রিগেডের আজকের বিশাল জনসভায় টাঙ্গানো হয়েছে ‘ইউনাইটেড ইন্ডিয়া’র সার্বিক ছবি। ‘মোদি হটাও দেশ বাঁচাও’ স্লোগান তুলে এই মঞ্চে সামিল হয়েছেন শরদ পওয়ার, অখিলেশ যাদব, অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি, বিএসপি নেত্রী মায়াবতীর প্রতিনিধি সতীশ মিশ্র, চন্দ্রবাবু নায়ডু, যশবন্ত সিন্হা, অরবিন্দ কেজরীওয়াল, এইচ ডি দেবগৌড়া, ওমর আবদুল্লা, ফারুক আবদুল্লা, এম কে স্ট্যালিন, গেগং আপাং, হেমন্ত সোরেনের মতো প্রথম সারির নেতারা। বিরোধী ঐক্যের এই মঞ্চে হাজির হয়েছেন হার্দিক পটেল, জিগ্নেশ মেবাণী।

২০১৯-এ নতুন সরকার গড়ার, ঐক্যবদ্ধ ভারত গড়ার ডাক দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে একমঞ্চে বিরোধীদের সামিল করতে পেরেছেন তার প্রশংসা করেন নেতারা।

দেশটাকে বদলাতে হলে দিল্লির সরকারকে পাল্টাতে হবে: মমতা

বিগ্রেডের আজকের জনসভায় কয়েক লক্ষাধিক মানুষের সমাগম হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত।

বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকারের ‘অপশাসন, দুর্নীতি এবং গণতান্ত্রিক কাঠামো অকেজো করে দেওয়ার বিরুদ্ধে সকাল থেকেই একের পর এক নেতা সরব হয়েছেন।

মোদি সরকারের অধীনে দেশ বিপর্যস্ত। এই সরকারের বিরুদ্ধে সকলকে একজোট হয়ে লড়তে হবে। সেই বার্তা দিতেই তিনি এই মঞ্চে হাজির হয়েছেন বলে জানান যশবন্ত সিন্হা। তিনি বলেন, ‘৫৬ মাসে দেশ বিপর্যস্ত। দেশের গণতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত। দেশের আর্থিক ব্যবস্থা চৌপাট হয়ে গিয়েছে।’

উল্লেখ্য, ভারতে মাস কয়েক পরেই লোকসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা আছে।সৌজন্য ইত্তেফাক

আরো খবর

Leave a Reply