বাংলাদেশ, বৃহস্পতিবার, ১৭ই জুলাই, ২০১৯ ইং, ৩রা শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ।

পুলিশ প্রসিকিউশান বিভাগের জনবল কাঠামো ও কর্মপরিধি

আদালত প্রতিনিধি

চট্টগ্রাম আদালত পাড়ায় পুলিশ প্রসিকিউশান বিভাগের কর্ম তৎপরতা লক্ষ্যনীয়। দেশের সকল আদালত পাড়ার মত চট্টগ্রামেও একই অবস্থা। সূত্রমতে, চট্টগ্রামে একজন ডিপুটি কমিশনার অব পুলিশ (ডিসি), একজন এডিসি , একজন এসি, তিনজন পরিদর্শক , ৩০ জন উপ-পরিদর্শক, ১৭ জন এএসআই ও ৭০ জন কনষ্টেবল নিয়ে চট্টগ্রাম পুলিশ প্রসিকিউশান জনবল কাঠামো রয়েছে। বিশেষত রাষ্ট্রপক্ষের মামলা দেখভাল করাই তাদের তাদের মূলত কাজ। রাজনৈতিক মামলাগুলোই এই সেক্টরে গুরুত্ব পায় বেশী।

অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার পুর্ণেন্দ্র বিকাশ চক্রবর্তী ও সহকারী পুলিশ কমিশনার সাহাবুদ্দিন চৌধুরী আদালত পাড়ায় অফিস করে থাকেন। এই শাখার ডিসি থাকেন লালদিঘীস্থ পুলিশ কমিশনার ভবনের কার্যালয়ে। প্রতিদিন শ’শ’ বিভিন্ন মামলার আসামী কোর্ট বিল্ডিং থেকে জেল খানায় আনা নেওয়া হয়। কোর্ট বিল্ডিংএ হাজতিদের দুই ভাগে ভাগ করে পৃথক পৃথক ভাবে রাখা হয়। মেট্রো অঞ্চলের আসামীরা থাকেন একজন পরিদর্শকের নিয়ন্ত্রণে। অপরদিকে বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা আসামীদের রাখা হয় জেলা হাজতখানায়। এটাও একজন পরিদর্শকের নিয়ন্ত্রণে দেখাশুনা করা হয়। দুটো হাজতখানায় খুনি মামলার আসামী যেমন থাকে তেমনি দুর্ধর্ষ ডাকাত ও গুরুতর অপরাধীরাও থাকে। থাকে রাজনৈতিক বন্দীরাও। এইসব হাজতীদের নিরাপদে আনা-নেওয়া ও রক্ষাণাবেক্ষণ করা পুলিশ প্রসিকিউশানের জনবলের অন্যতম কাজ।

অনেক সময় দেখা যায় দুর্ধর্ষ আসামীরা পুলিশকে ফাঁকি দিয়ে অভিনব কায়দায় পালিয়ে যায়। ফলে বেকায়দায় পড়তে হয় পুলিশদের। এইজন্য অনেক সতর্কতা অবলম্বন করে দায়িত্ব পালন করেন এই বিভাগের কর্মীরা।

আরো খবর

Leave a Reply