বাংলাদেশ, বৃহস্পতিবার, ২৩শে মে, ২০১৯ ইং, ৯ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ।

লামায় নারী ও শিশু উন্নয়ন সচেতনতামূলক কর্মসূচী পালিত

লামা প্রতিনিধি
লামা জেলা তথ্য অফিসের উদ্যেগে শিশু ও নারী উন্নয়নে সচেতনতামূলক এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি উপজেলা চেয়ারম্যান থোয়াইনু অং চৌধুরী বলেন, শিশুদের মেধা বিকাশের ক্ষেত্র সৃষ্টি করতে হবে। বুদ্ধিদীপ্ত ও কর্মমুখি শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলতে হবে আগামী প্রজম্মকে। সভাপতির বক্তব্যে লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূর-এ জান্নাত রুমি ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশ্যে বলেন, মন দিয়ে পড়ালেখা করে প্রত্যেককে সু-নাগরিক হতে হবে। নারী শিক্ষার উপর সরকার অধিক গুরুত্ব দিয়েছে। তিনি বলেন, সরকার ধারাবাহিক নারীবান্ধব কর্মকান্ড অব্যাহত রাখায়, বৈশ্বিক পর্যায়ে বাংলাদেশের নারীরা গৌরবোজ্জল ভুমিকা রাখছেন। দেশের প্রধানমন্ত্রী, স্পীকারসহ প্রশাসন ও রাজনীতিতে নারীর স্বার্থক অগ্রগামী ভুমিকা বিশ্ব ব্যাপি প্রসংশা ছড়িয়ে পড়েছে। সূতরাং বাল্য বিবাহের বিষয়টি চিন্তা না করে নারী শিশুদেরকে আগামী দিনের জন্য যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলতে হবে।

বুধবার তথ্য বিভাগের যোগাযোগ কার্যক্রম (৫ম পর্যায়) শীর্ষক প্রকল্পের জিওবি খাতের আওতায় এ কর্মসূচী পালিত হয়। এ উপলক্ষে সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে এক র‌্যালি বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে টাউন হল মিলনায়তনে গিয়ে আলোচনা সভায় মিলিত হয়।

অনুষ্ঠানে শিশুরদের পানিতে ডুবা প্রতিরোধ, অটিজম ও শিশুর মানসিক স্বাস্থ্য, দুর্যোগকালীন নারী ও শিশুর সচেতনতা, পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা ও শিশু সুরক্ষা সম্পর্কে উপজেলা মৎস্য অফিসার রাশেদ পারভেজ আলোচনা করেন। বর্তমান সরকারের শিক্ষা, জন্ম নিবন্ধন, শিশুর অধিকার, শিশু ও নারী নির্যাতন প্রতিরোধ বিষয়ে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. মোস্তাফিজুর রহমান ভুইয়া, মাদক ও জঙ্গীবাদ প্রতিরোধ, বাল্য বিবাহ ও যৌতুকমুক্ত সমাজ, ইভটিজিং ও নারীর সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসুচির উপর পুলিশ পরিদর্শক অপ্পেলা রাজু নাহা বক্তব্যদেন। নারী ও শিশু অধিকার, মাদক ও জঙ্গীবাদ প্রতিরোধ যৌতুক ও বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ, নিরাপদ মাতৃত্ব ও নারীর ক্ষমতায়ন বিষয়ে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার।
অন্যান্যদের মধ্যে তথ্য অফিসার মো. রুহুল আমিন চৌধুরী শুরুতে স্বাগত বক্তব্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা জোবাইরা বেগম, প্রেসক্লাব সভাপতি প্রিয়দর্শী বড়ুয়া বক্তব্য রাখেন। কর্মসুচিতে বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার তিন শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেয়। শেষে উদ্বুদ্ধকরণে স্থানীয় শিল্পিদের পরিবেশনায় সংগীতানুষ্ঠান ও তথ্য অফিস-কর্তৃক চলচ্চিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়।

আরো খবর

Leave a Reply