বাংলাদেশ, সোমবার, ১৬ই জুন, ২০১৯ ইং, ৩রা আষাঢ়, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ।

একজন জাফর ইকবাল স্যার

গত ১৮  জানুয়ারী চট্রগ্রাম বিমানবন্দরে বোডিং পাস নিয়ে অপেক্ষারত অবস্হায় দেখা হল স্বনামধন্য মার্কেটিং প্রফেশনাল এবং গীতিকার আসিফ ইকবাল ভাইয়ের সাথে ।একটু পরে যোগ দিলেন গায়ক পার্থ বড়ুয়া দাদা তখন আমাদের আলোচনা ছিল বাণিজ্যিক টিভি অনুষ্টান ।

এর মধ্যে প্রবেশ করলেন আমাদের সবার প্রিয় সর্বজন শ্রদ্বেয় জাফর ইকবাল স্যার । উনাকে দেখে আমি একটু এগিয়ে স্যারকে পরিচয় দিয়ে কুশলাদি জানতেই আসিফ ভাইও এগিয়ে আসলেন । স্যারকে আমি ধন্যবাদ দিলাম উনার লিখা শিশুদের ১০ টাকা দামের “মুত্তিযোদ্ধের ইতিহাস” বইটির জন্য । যে বইটি স্যারের সহায়তায় “জাতীয় পেশাজীবী পরিষদ” স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরন করেছিল । আমাদের মধ্যে কিছু সময়ের আলাপের এক পর্যায়ে স্যার বললেন, তরুন প্রজন্মকে বিজ্ঞানধর্মী কর্মমুখী শিক্ষার দিকে নিয়ে যেতে হবে। স্যার প্রস্হান করার পর আমরা গেলাম কফি খেতে ।আসিফ ভাই ওই প্রসঙ্গেই আলাপ শুরু করলেন আর পার্থ দা তো সমাজের অনিয়ম এবং মা বাবার অবহেলা নিয়ে বিশাল আলাপ তুললেন আমিও যোগ করলাম অতি অর্থনৈতিক চাহিদা এবং পারিবারিক দুরত্বের কারনে মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছে সমাজের বিশাল এক কিশোর সমাজ সবশেষে তিনজনেই বললাম একজন জাফর ইকবাল স্যার এই সমাজের অনন্য সম্পদ তাহাকে একটা নির্দিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে না রেখে মুক্তভাবে কাজ করার পরিবেশ দিলে হয়ত জাতি অনেককিছুই পেত । দূর্ভাগ্য এই অসাধারন মানুষটিকে হত্যার জন্য ছুরি চালানো হল । আরে বোকার দল একজন নেতা , মন্ত্রী , এম পি , আমলা হওয়া অনেক সহজ কিন্ত একজন জাফর ইকবাল স্যার হওয়া সহজ নয় । এই মানুষটিকে মেরে কি পাবি তোরা জানিনা তবে একটা জাতি হারাবে এক বিশাল সম্পদ ।যা কোন মেশিনে পরিমাপ যোগ্য নয় । তোমাদের ধিক্কার জানাতেও ঘৃণা হয় নিজের বিভেকের কাছে প্রশ্ন কর একজন জাফর ইকবাল কি দিতে পারেন ক্ষনজন্মা এই দুনিয়ায় আর তোমরা কি দিতে পারবে ! জিল্লুর রহমান, সাধারন সম্পাদক জাতীয় পেশাজীবি পরিষদ

আরো খবর

Leave a Reply