বাংলাদেশ, রবিবার, ২১শে জুলাই, ২০১৯ ইং, ৬ই শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ।

রাতে কম্বল, দিনের বেশিরভাগ গায়ে গরম জামা রামগঞ্জে চৈত্রমাসেও প্রচন্ড শীত, কুয়াশা

রামগঞ্জ (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি
চৈত্রের দুই তারিখ অথছ প্রচন্ড শীত। দিনের বেশিরভাগ সময়ই গায়ে গরম জামা রাখতে হয়। রাতে কম্বল গায়ে ছাড়া ঘুমানোর কথা ভাবা যায়না। সকালে ঘুম থেকে উঠলেও দেখা যায় প্রচুর কুয়াশা। চৈত্রের এমন পরিবেশে উপজেলাব্যপি প্রায়ই ঘরে দেখা দিয়েছে জ্বর, সর্দি, কাশি ও নিউমোনিয়া। ফাল্গুন মাসের শেষের দিকে টানা বৃষ্টির কারনে জেলার রামগঞ্জ উপজেলার সর্বত্র এখনো বিরাজ করছে প্রচন্ড শীত। সন্ধা হওয়ার সাথে সাথে শহরের ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানগুলো একপ্রকার ফাঁকা হয়ে যায় শীতের তীর্বতা থেকে রক্ষা পেতে। অনেকেই জানান, ভরা শীতের মৌসমেও এমন শীত পড়েনি, অথছ চৈত্রমাসে এমন শীতে নাজেহাল উপজেলাবাসী। ভোরে কুয়াশায় ডাকা থাকে প্রকৃতি। এদিকে অসময়ে শীতের কারনে ঘরে ঘরে দেখা দিয়েছে জ্বর, সর্দি, কাশি ও নিউমোনিয়া।
রামগঞ্জ উপজেলার বেশ কয়েকটি হসপিটালে গিয়ে দেখা যায়, জ্বর, সর্দি, কাশি ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেশি। সবচেয়ে বেশি রোগী শিশু ও বৃদ্ধরা। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মিজানুর রহমান ভূইয়া জানান, চৈত্র মাসে এত শীত তা আগে তেমন অনুভব করিনি। অথছ অসময়ের শীতে গত এক সপ্তাহ থেকে জ্বর ও গলা ব্যথায় ভুগছি। বাধ্য হয়ে সরকারী হসপিটালে এসেছি চিকিৎসা নিতে। রামগঞ্জ জনতা মা শিশু ও জেনারেল হসপিটালে জ্বর ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে কয়েকজন ভর্তি হয়েছেন।
জনতা মা শিশু ও জেনারেল হসপিটালের চিকিৎসক ডাক্তার আবদুল্লাহ আল মাঈদ জানান, হেসে জবাব দেন এত শীত চৈত্র মাসে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। প্রতিদিনই রোগী আসে, যার অধীকাংশই শীতজনিত।
রামগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাক্তার মোহাম্মদ নাজমুল হাসান জানান, আসলে প্রাকৃতিক পরিবেশের কারনে এমনটা হতে পারে। তবে রোগী আসে চিকিৎসা নিয়ে চলে যায়। আবহাওয়া পরিবর্তনের কারনে এমনটা হয়েছে। বেশ কয়েকদিন বৃষ্টি হয়েছে তো, তাই শীত এখনো রয়ে গেছে।

আরো খবর

Leave a Reply