বাংলাদেশ, রবিবার, ২০শে জুলাই, ২০১৯ ইং, ৬ই শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ।

নাসার ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রামের আওতায় শিক্ষার  সুযোগ পাচ্ছেন ইঞ্জিনিয়ার দিশা বড়ুয়া

 উজ্জ্বল কান্তি বড়ুয়া
মেধা আর প্রতিভা থাকলে অসম্ভবকেও জয় করা সম্ভব। এমনই এক উদাহরণ সৃষ্টি করলেন বাংলাদেশী বৌদ্ধ পরিবারের সন্তান দিশা বড়ুয়া। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার ইন্টার্নশিপপ্রোগ্রামের আওতায় শিক্ষার সুযোগ পাচ্ছেন তিনি। সংস্থাটি এবছর সারা বিশ্ব থেকে যে স্কলারশিপ দিচ্ছে, দিশা বড়ুয়া তাদের মধ্যে একজন।
যদিও তার এই অর্জন ভাগ্যগুণে হয়নি, তার প্রতিভাই তাকে এই সম্মান এনে দিয়েছে।
নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে ফেইসবুকে ছবি আপলোড করে। তবে নাসার পিছনে দাঁড়িয়ে সেলফি তুলে দেখাতে চায়নি, না যে সে নাসার সামনে ছবি তুলছে। সে বোঝাতে চেয়েছে যে সেটা তাঁর অর্জন।
শিক্ষা, সংস্কৃতি বিকাশের পীঠস্থান মহামুনি পাহাড়তলি 
গ্রামের মেয়ে নাসার সদস্য হতে_যাচ্ছে। সে বর্তমানে বিশ্ব-সমাদৃত মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার Glenn Research Center এ ইন্টার্নশিপ চালিয়ে যাচ্ছে।
বাবু রনজিত বড়ুয়া এবং মহামুনি উত্তরা নবতারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন সিনিয়র শিক্ষিকার কনিষ্ঠ কন্যা দিশা বড়ুয়া। বড় বোন কৃষ্টি বড়ুয়া।
দিশা বড়ুয়া জানান, নারীরাও পারে ওরা অনেক কিছুই পারে শুধু সঠিক দিকনির্দেশনার প্রয়োজন। পৃথিবীতে যা কিছু পেয়েছি, ধৈর্য, বুদ্ধি, নিষ্ঠা, সংকল্পবদ্ধতা আর আত্নবিশ্বাস এর কারণে। আমি তোমাদের অহংকারকে মাটিতে লুটিয়ে পড়তে দিব না। শুধুই আশীর্বাদ চাই, যেন মাথা উঁচু রাখতে পারি তোমাদের।
সে আপনাদের সকলের আশীর্বাদপ্রার্থী। ঐতিহ্যবাহী মহামুনি পাহাড়তলীর বৌদ্ধ পরিবারের মেয়ে নাসার এ সদস্য হওয়া সত্যিই গর্ব করার মত। আসুন না আমরা ওকে আশীর্বাদের মাধ্যমে তাঁর এই অর্জনকে স্বাগত জানাই।

আরো খবর

Leave a Reply