বাংলাদেশ, সোমবার, ২০শে অক্টোবর, ২০১৯ ইং, ৫ই কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

৯ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর ডিজিটাল বাংলাদেশ উৎসব

শেখ হাসিনার সাহসী নেতৃত্বে ও উন্নয়নে
স্বপ্ন পূরণের পথে ডিজিটাল বাংলাদেশ

হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের অসীম সাহসী নেতৃত্ব বিশ্বকে অবাক করেছে। বঙ্গবন্ধুর যোগ্য ও সাহসী নেতৃত্বের কারণেই বাঙালির পরাধিনতার শেকল ভাঙ্গা সম্ভব হয়েছে। যোগ্য পিতার যোগ্য কন্যা শেখ হাসিনার সাহসী নেতৃত্বে পিতার পথ ধরেই বাংলাদেশ উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। বদলে যাচ্ছে বাংলাদেশের দৃশ্যপট। দ্রুত বদলে যাচ্ছে বাংলাদেশ। নতুন নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হচ্ছে। ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন পূরণের পথে এগিয়ে চলেছে একুশ শতকের চ্যালেঞ্জ ও দেশরতœ শেখ হাসিনার স্বপ্ন ডিজিটাল বাংলাদেশ। ঢাকার বাংলাদেশ ফটো জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ডিজিটাল বাংলাদেশ উৎসবের আলোচনায় বক্তারা উপরোক্ত মন্তব্য করেন।

জাতীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ডিজিটাল বাংলাদেশ পাবলিসিটি কাউন্সিল এর ৯ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে গত ২৬ জানুয়ারী বিকাল ৪ টায় ঢাকার পল্টনস্থ বাংলাদেশ ফটো জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশন মিলনায়তনে ডিজিটাল বাংলাদেশ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, সরোয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের পরিচালক, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ স্বাচিপ এর যুগ্ম সম্পাদক ও বিএমএ কেন্দ্রিয় কমিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক জাতীয় চিকিৎসক নেতা অধ্যাপক ডা: উত্তম কুমার বড়ুয়া। অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব ও দেশের বরেণ্য কথাসাহিত্যিক মোঃ শফিকুল ইসলাম। প্রধান বক্তা ছিলেন, বাংলাদেশ মূল নিবাসী ইউনিয়নের আহ্বায়ক ও তরুণ প্রজন্মের আইকন আন্তর্জাতিক পুরষ্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তিত্ব প্রকৌশলী পুলক কান্তি বড়ুয়া। সভায় বক্তারা বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ এখন আর স্বপ্ন ও কল্পনার জগৎ নয়। বাস্তবতার পথ পরিক্রমায় শেখ হাসিনার ভিশন-মিশন ডিজিটাল বাংলাদেশ। বিশ্ব আজ অবাক বিস্ময়ে বাংলাদেশকে নিয়ে ভাবছে। আগামী বিশ্বের নতুন সাহসী নাম হবে সম্ভাবনার বাংলাদেশ-ডিজিটাল বাংলাদেশ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগ কেন্দ্রিয় কমিটির তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক সৈয়দা রাজিয়া মোস্তফা, বঙ্গবন্ধু প্রজন্ম লীগ কেন্দ্রিয় সাধারণ সম্পাদক মোঃ হারুন উর রশিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সাজ্জাদুর রহমান তালুকদার সাজু, বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতা স্মৃতি পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবদুর রহিম, চিনাডুলি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত সফল চেয়ারম্যান মোঃ আবদুল সালাম, বৃহত্তর চট্টগ্রাম ডেন্টাল এসোসিয়েশনের সভাপতি ডা: মোঃ জামাল উদ্দিন। সংগঠনের আহ্বায়ক ও সাবেক ছাত্রনেতা মোঃ জসীম উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উৎসবের শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ পাবলিসিটি কাউন্সিলের প্রতিষ্ঠাতা ও বাংলাদেশের একমাত্র ডিজিটাল বাংলাদেশের প্রচারক সাংবাদিক স.ম. জিয়াউর রহমান। সংগঠনের সদস্য অভিজিৎ দে রিপনের সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, মোঃ সেলিম উদ্দিন ডিবলু, ডা: এইচ এম মোবিন সিকদার, কবি আসিফ ইকবাল, মোস্তাফিজুর রহমান মানিক, প্রকৌশলী সঞ্চয় কুমার দাশ, জে.বি.এস. আনন্দবোধি ভিক্ষু, প্রকৌশলী টি. কে. সিকদার, নুরুল ইসলাম হারুন, আব্দুল মান্নান ফেরদৌস, সাখাওয়াত হোসেন, শিক্ষিকা রাহেলা বেগম, শিল্পী মুনমুন চৌধুরী, শিল্পী জান্নাতুল নূর ডায়না, শিল্পী জান্নাতুল নূর রায়না, আবৃত্তিশিল্পী শাহিনা আলম, সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া সোহেল, মোঃ কামরুল ইসলাম, মোঃ নূর আহম্মেদ রনি, রাগিব মাহমুদ টিপু, আবু বক্কর সিদ্দিকী জুয়েল, হাবিবুর রহমান, জান্নাতুল ফেরদৌস নীল, এস. এম. জাকারিয়া চৌধুরী, মোঃ মনিরুল ইসলাম মনির প্রমুখ। আলোচনা সভা শেষে প্রধান অতিথি বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখায় ১০ জন দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন এবং শিশুদের সাথে নিয়ে ৯ বছর প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর কেক কাটায় অংশ নেন। সবশেষে সাংষ্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।

আরো খবর

Leave a Reply