বাংলাদেশ, শনিবার, ২০শে জুলাই, ২০১৯ ইং, ৫ই শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ।

টানা ঘন কুয়াশা, কনকনে ঠান্ডায় চরম দুর্ভোগে কুড়িগ্রামের মানুষ

টানা শৈত্য প্রবাহে চরম দুর্ভোগে পড়েছে কুড়িগ্রামের মানুষজন। ঘন কুয়াশা, কনকনে ঠান্ডা ও উত্তরীয় হিমেল হাওয়া অব্যাহত থাকায় বিপর্যস্থ হয়ে পড়েছে পুরো জনপদ।
শুক্রবার জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭.১ ডিগ্রী সেলসিয়াস। বৃহস্পতিবার কুড়িগ্রাম জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৮.৭ ডিগ্রী সেলসিয়াস। দিনের বেশিরভাগ সময় সুর্যের দেখা না মেলায় তাপমাত্রা নিম্নগামী হচ্ছে।
এদিকে গরম কাপড়ের চরম দুর্ভোগে পড়েছে নিম্ন আয়ের হতদরিদ্র মানুষেরা। শ্রমজীবি মানুষেরা কাজে যেতে না পাড়ায় পরিবার পরিজন নিয়ে বিপাকে পড়েছেন তারা। বিশেষ করে নদ-নদী তীরবর্তী এলাকায় ঠান্ডা বেশি অনুভুত হওয়ায় চরম দুর্ভোগে রয়েছে চরাঞ্চলের মানুষেরা।
তাপমাত্রা নিম্ন থাকায় শিশু ও বৃদ্ধরা আক্রান্ত হচ্ছে নিউমোনিয়া, ডায়রিরা, স্ট্রকসহ বিভিন্ন রোগে। ফলে হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে রোগীর সংখ্যা।
খর-কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারনের চেষ্টা করছেন ছিন্নমুল মানুষেরা। দুর্ভোগ বেড়েছে গবাদি পশু পাখিদেরও।
সরকারীভাবে শীতবস্ত্র বিতরন করা হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। বেসরকারী ভাবে শীত বস্ত্র বিতরনের তেমন তৎপরতা চোখে পড়ছে না।
জেলা প্রশাসনের ত্রান শাখা সুত্রে জানা গেছে ইতিমধ্যে জেলার ৯ উপজেলায় ৫৭ হাজার কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। নতুন করে বরাদ্দ পাওয়া আরো ৫ হাজার কম্বল বিতরণ কার্যক্রম চলছে। শীতার্ত মানুষের জন্য আরো ৫০ হাজার কম্বল বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে বলে ত্রান শাখা সুত্রে জানা গেছে।

আরো খবর

Leave a Reply