বাংলাদেশ, সোমবার, ২১শে জুলাই, ২০১৯ ইং, ৭ই শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ।

নৌবাহানী কর্তৃক খাদেমপাড়া গ্রামকে ভূমিঅধিগ্রহণের প্রতিবাদে সীতাকুণ্ড ভাটিয়ারীবাসীর মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

সীতাকুণ্ড উপজেলার ৯ নং ভাটিয়ারী ইউনিয়নের ,জাহানাবাদ, শাহমাহমুদপুর,ভাটিয়ারী ও কেশবপুর মৌজার খাদিমপাড়া গ্রাম ও আশপাশে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর বানৌজা ভাটিয়ারী কর্তৃক ভূমি হুকুম দখল এবং এলাকাবাসীকে পৈত্রিক ভিটেমাটি থেকে উচ্ছেদ চেষ্টা এবং চলাচলে বাধা প্রধানের প্রতিবাদে ভাটিয়ারী এলাকায় সকাল ১১ টায় এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে ভাটিয়ারী ইউপি চেয়ারম্যান নাজিম উদ্দিনকে স্মারকলিপি দেওয়া হয়। উক্ত মানববন্ধন ও স্মারকলিপি অনুষ্ঠানে উপস্হিত ছিলেন সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসহাক,মোঃ জানে আলম চৌধুরী,এস এম ইউচুপ,কাজী শওকত ইকবাল,মোহাম্মদ রফিকসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ। বক্তারা বলেন, সীতাকুণ্ডের মধ্যে ৯নং ভাটিয়ারী ইউনিয়নে প্রায় দুইলক্ষ মানুষের বাস,দেশের একমাত্র সামরিক প্রশিক্ষণ একাডেমী বি.এম.এ ও নৌবাহিনীর বি.এন.এস এই ভাটিয়ারী ইউনিূয়নে অবস্হিত। উভয় প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনে সরকার বিভিন্ন সময়ে ভূমি অধিগ্রহণ করায় হ্রাস পেয়েছে মানুষের ফসলী জমি,কমে গেছে বাস যোগ্য জমি। আবারও যদি সরকার অধিগ্রহণ করে তাহলে সীতাকুণ্ডের মানচিত্র থেকে এই ইউনিয়নের অস্হিত্ব এবং খাদিমপাড়া গ্রামটি বিলুপ্তি হয়ে যাবে। বক্তারা আরো বলেন,সরকার জনগনের জন্য। জনগনের শান্তি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। নৌবাহিনী আমাদের অহংকার। দেশ মাতৃকা রক্ষায় এই বাহিনীর ভূমিকা অনস্বীকার্য। তাই বলে একটি গ্রামের দুইলক্ষ মানুষকে বাপ দাদার নিজ ভূমি থেকে বিতারিত করতে পারে না। ভাটিয়ারী ইউনিয়নের পশ্চিমে সাগর পূর্বে পাহাড় একেবারেই ঢাকা-চট্টগ্রাম মাহাসড়কের নিকটে। যদি নৌবাহিনী ভূমি অধিগ্রহণ করে তাহলে এত গ্রামবাসী কোথায় গিয়ে ঠাইঁ নেবে। ঘনবসতিপূর্ণ ও শিল্পসমৃদ্ধ এই এলাকার পরিবর্তে দেশের অন্য কোন স্হানে নৌবাহিনীর অস্ত্রাগারটি নিরাপদ স্হানে সরিয়ে নেওয়ার জন্য সরকার ও নৌবাহিনীর প্রতি অনুরোধ জানান।

আরো খবর

Leave a Reply